Dhaka , Monday, 20 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সীতাকুণ্ডে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে বাধার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে STP Association-এর প্রতিবাদ পূবাইলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সরাইলে জিহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস রূপগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধ নিহত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাইকগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা পাইকগাছায় ৪ লাখ প্রাকৃতিক উৎসের চিংড়ি পিএল জব্দ; নদীতে অবমুক্ত পাইকগাছায় কুটির শিল্পের সাফল্যের গল্প: মাদুর বুনে স্বাবলম্বী গ্রামের অর্ধেক মানুষ বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে ঢাকায় কনসার্ট, মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয় দেব ও প্রীতম হাসান ইয়ামালকে নিয়ে স্বস্তির খবর জানাল স্পেন কুয়েতে দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা হালাল সনদ পেতে ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল প্রতিটি ক্যাম্পে নিরাপদ পানি, ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হবে: আমিনুল হক রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন প্রশাসক নূর নবী ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স কার্যক্রমের নেতৃত্বে শাহ ইউসুফকে নিয়োগ দিল বৈশ্বিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠান লেমফাই রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে \ বেদখল খাল উদ্ধার ও সংস্কারের দাবি মধুপুরে গোসল করতে গিয়ে আদিবাসী যুবকের মৃত্যু চন্দনাইশ সমিতি-ইউএই এর উদ্যোগে মেহনতী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লিজেন্ড ফাউন্ডেশনের ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি আশরাফুর, সম্পাদক রবিন পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান; ইয়াবা সহ আটক – ১ জনগণই দেশের মালিক, প্রধানমন্ত্রীর ব্রত বৈষম্যহীন মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়া:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নিখোঁজের একদিন পর পুকুরে পাওয়া গেল তুহিন সরদারের মরদেহ প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে চরভদ্রাসনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন। জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে শিশুর মৃত্যু নোয়াখালীতে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

সুন্দরগঞ্জে ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে চরবাসি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:57:16 pm, Sunday, 23 June 2024
  • 107 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে চরবাসি।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
    
    
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। পানি কমতে শুরু করেছে। তরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। পানি কমতে শুরু করায় বিভিন্ন চরে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে। ভাঙন আতঙ্কে চরবাসি তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। গত ১৫দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া, হরিপুর -শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে ৫০টি বসতবাড়ি এবং ৩০০ বিঘা ফসলি জমি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে হাজারও পরিবার তাদের বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি চরবাসির। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা – হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ আজ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটির চর গ্রামের আলম মিয়া জানান-  নদী ভাঙন তার বসতবাড়ি বিলিন হয়ে গেছে। সেই সাথে তার ২ বিঘা জমি উঠতি তোষাপাটসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বসতবাড়ি ও পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রান বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের জরিপ মিয়া বলেন প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৩ হতে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান ইতিমধ্যে তার ইউনিয়নের ২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে হাজজারও বসতবাড়ি। অনেকে তাদের বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- পানি কমতে শুরু করায় তারাপুর- বেলকা- চন্ডিপুর- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যানদের তথ্যের ভিত্তিত্বে জানা গেছে ইতিমধ্যে ৫০টির বেশি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে হাজারও পরিবার। অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা পাঠানো হয়েছে বরাদ্দ পেলে বিতরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সুন্দরগঞ্জে ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে চরবাসি।।

আপডেট সময় : 12:57:16 pm, Sunday, 23 June 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
    
    
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। পানি কমতে শুরু করেছে। তরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। পানি কমতে শুরু করায় বিভিন্ন চরে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে। ভাঙন আতঙ্কে চরবাসি তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। গত ১৫দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া, হরিপুর -শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে ৫০টি বসতবাড়ি এবং ৩০০ বিঘা ফসলি জমি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে হাজারও পরিবার তাদের বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি চরবাসির। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা – হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ আজ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটির চর গ্রামের আলম মিয়া জানান-  নদী ভাঙন তার বসতবাড়ি বিলিন হয়ে গেছে। সেই সাথে তার ২ বিঘা জমি উঠতি তোষাপাটসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বসতবাড়ি ও পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রান বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের জরিপ মিয়া বলেন প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৩ হতে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান ইতিমধ্যে তার ইউনিয়নের ২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে হাজজারও বসতবাড়ি। অনেকে তাদের বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- পানি কমতে শুরু করায় তারাপুর- বেলকা- চন্ডিপুর- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যানদের তথ্যের ভিত্তিত্বে জানা গেছে ইতিমধ্যে ৫০টির বেশি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে হাজারও পরিবার। অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা পাঠানো হয়েছে বরাদ্দ পেলে বিতরণ করা হবে।