Dhaka , Sunday, 19 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সীতাকুণ্ডে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে বাধার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে STP Association-এর প্রতিবাদ পূবাইলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সরাইলে জিহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস রূপগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধ নিহত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাইকগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা পাইকগাছায় ৪ লাখ প্রাকৃতিক উৎসের চিংড়ি পিএল জব্দ; নদীতে অবমুক্ত পাইকগাছায় কুটির শিল্পের সাফল্যের গল্প: মাদুর বুনে স্বাবলম্বী গ্রামের অর্ধেক মানুষ বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে ঢাকায় কনসার্ট, মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয় দেব ও প্রীতম হাসান ইয়ামালকে নিয়ে স্বস্তির খবর জানাল স্পেন কুয়েতে দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা হালাল সনদ পেতে ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল প্রতিটি ক্যাম্পে নিরাপদ পানি, ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হবে: আমিনুল হক রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন প্রশাসক নূর নবী ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স কার্যক্রমের নেতৃত্বে শাহ ইউসুফকে নিয়োগ দিল বৈশ্বিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠান লেমফাই রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে \ বেদখল খাল উদ্ধার ও সংস্কারের দাবি মধুপুরে গোসল করতে গিয়ে আদিবাসী যুবকের মৃত্যু চন্দনাইশ সমিতি-ইউএই এর উদ্যোগে মেহনতী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লিজেন্ড ফাউন্ডেশনের ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি আশরাফুর, সম্পাদক রবিন পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান; ইয়াবা সহ আটক – ১ জনগণই দেশের মালিক, প্রধানমন্ত্রীর ব্রত বৈষম্যহীন মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়া:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নিখোঁজের একদিন পর পুকুরে পাওয়া গেল তুহিন সরদারের মরদেহ প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে চরভদ্রাসনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন। জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে শিশুর মৃত্যু নোয়াখালীতে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

সুন্দরগঞ্জে তিস্তায় পানিবন্ধি হাজারও  পরিবার- ভাঙন অব্যাহত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Thursday, 20 June 2024
  • 113 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে তিস্তায় পানিবন্ধি হাজারও  পরিবার- ভাঙন অব্যাহত।।

হযরত বেল্লাল
   
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
    
    
ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে এবং ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। চরাঞ্চলের বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে ১ হাজার পরিবার। অব্যাহত ভাঙনে তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। গত ১০দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে দুই শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা- হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী। নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান- হঠাৎ করে গত ১০দিন ধরে তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তার ৩ বিঘা জমির তোষাপাটসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রান বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়া বলেন প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৩ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
 হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান তার ইউনিয়নে ৪০০ পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে তোষাপাটসহ অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে ডুবে গেছে ফসলি জমি। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা হয়নি। 
 উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- তারাপুর- বেলকা- চন্ডিপুর- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং ডুবে গেছে চরাঞ্চলের বসতবাড়ি। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের তর্থ্যরে ভিত্তিত্বে জানা গেছে ইতিমধ্যে ১ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত  লিখিত ভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সুন্দরগঞ্জে তিস্তায় পানিবন্ধি হাজারও  পরিবার- ভাঙন অব্যাহত।।

আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Thursday, 20 June 2024
হযরত বেল্লাল
   
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
    
    
ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে এবং ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। চরাঞ্চলের বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে ১ হাজার পরিবার। অব্যাহত ভাঙনে তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। গত ১০দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে দুই শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা- হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী। নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান- হঠাৎ করে গত ১০দিন ধরে তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তার ৩ বিঘা জমির তোষাপাটসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রান বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়া বলেন প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৩ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
 হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান তার ইউনিয়নে ৪০০ পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে তোষাপাটসহ অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে ডুবে গেছে ফসলি জমি। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা হয়নি। 
 উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- তারাপুর- বেলকা- চন্ডিপুর- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং ডুবে গেছে চরাঞ্চলের বসতবাড়ি। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের তর্থ্যরে ভিত্তিত্বে জানা গেছে ইতিমধ্যে ১ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত  লিখিত ভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।