Dhaka , Monday, 3 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কাউখালীতে কঁচা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি জাল উদ্ধার, আগুনে ধ্বংস চরভদ্রাসনের নবাগত ইউএনওর সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। জনগণই দেশের আসল মালিক, দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মধুপুরে বিজিএসের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ছাত্র জনতার বিপ্লবের প্রতিফলন এদেশের মানুষ এখনো পায়নি: রামগঞ্জে জুলাই যোদ্ধা সানজিদা চৌধুরী এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: ডিসি জাহিদ ইসলাম নোয়াখালীতে সমাবেশের নামে উসকানি ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন; সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তার দাবি নৈতিক ও মানবিক জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হলো সুশিক্ষা: এমপি জহিরুল দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই:- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। ভয়াবহ দাবানলে সস্ত্রীক ফ্রান্স ছাড়লেন জর্জ ক্লুনি বিশ্বকাপ ট্রফি বিক্রি করে বিতর্কের মুখে ফ্রান্সের ফুটবলার যমজ কনে, যমজ বর, যমজ পুরোহিত, যমজ সহকারী – সম্পন্ন হলো ‘ঐতিহাসিক’ এক বিয়ে হু হু করে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম ‘জৈন্তাপুরে পাটওয়ারীর গাড়িবহরকে কড়া নিরাপত্তায় সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়’ — হামলার দাবি নাকচ ওসির বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার রূপগঞ্জে বেড়েই চলছে মাদক সেবনকারীদের অত্যাচার, রেহাই পাচ্ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও, মাদক বন্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে রূপগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়ন অভিযান ডিএসসিসি অঞ্চল-৮ এর উদ্যোগে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি পালন মধুপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, তিন শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা মধুপুরে দুর্বৃত্তের হাতে বিএনপি নেতার মা খুন বিকাশ এজেন্টের আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দিল রামু থানা পুলিশ সিলেটে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ (বাবৌযুপ) এর বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ সম্পন্ন রূপগঞ্জে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়ন অভিযান কার্যক্রম শুরু ‘গণতন্ত্র মা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ৬ মাসের কারাদণ্ড আচার্য পি. সি. রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত পাইকগাছা সরাইলে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার সন্দেহভাজনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আহত ৫ রূপগঞ্জে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াত ইসলামী আলোচনা সভা ও মিছিল

শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:05:48 pm, Monday, 1 June 2026
  • 50 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জানতে ও তাঁর অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে গবেষণার বিকল্প নেই। তাঁর জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন।

তিনি কাজীর দেউরী জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের সেমিনার হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম। বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের উপ কীপার অর্পিতা দাশ গুপ্তা।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সৎ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার এবং তাঁর অবদানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, অল্প বয়সে সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া, পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ। তিনি কৃষি, রেমিট্যান্স ও শিল্পখাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আজও দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি, রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যার ভিত্তি জিয়াউর রহমানের সময়েই তৈরি হয়েছিল। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনশক্তি রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ছিল তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ।

তিনি বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী দেখলে বোঝা যায় তিনি কতটা সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছেন, যা তাঁর সততা ও নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, তারেক রহমান ১৯৯৯ সালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার মানবিক নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে পারলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দীন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁর প্রতি দেশের মানুষের ব্যাপক ভালোবাসা ছিলো। প্রেসিডেন্টের শাহাদত বরণের পর তাঁর জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিলো।

পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শিক্ষা, কৃষিসহ প্রায় সকল সেক্টরে অসীম ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সহজ, সরল জীবনযাপন করতেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, পিতার মতোই সহজ সরল জীবনযাপন করেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। ১৯৭৮ থেকে১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান গার্মেন্টস সেক্টরে বিশাল ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন সার্কেরও প্রবক্তা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিলো তাঁর অগ্রণী ভূমিকা।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অপামর জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতি উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আট বছর ব্যাপী চলা ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে কঁচা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি জাল উদ্ধার, আগুনে ধ্বংস

শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 08:05:48 pm, Monday, 1 June 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জানতে ও তাঁর অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে গবেষণার বিকল্প নেই। তাঁর জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন।

তিনি কাজীর দেউরী জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের সেমিনার হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম। বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের উপ কীপার অর্পিতা দাশ গুপ্তা।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সৎ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার এবং তাঁর অবদানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, অল্প বয়সে সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া, পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ। তিনি কৃষি, রেমিট্যান্স ও শিল্পখাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আজও দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি, রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যার ভিত্তি জিয়াউর রহমানের সময়েই তৈরি হয়েছিল। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনশক্তি রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ছিল তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ।

তিনি বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী দেখলে বোঝা যায় তিনি কতটা সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছেন, যা তাঁর সততা ও নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, তারেক রহমান ১৯৯৯ সালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার মানবিক নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে পারলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দীন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁর প্রতি দেশের মানুষের ব্যাপক ভালোবাসা ছিলো। প্রেসিডেন্টের শাহাদত বরণের পর তাঁর জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিলো।

পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শিক্ষা, কৃষিসহ প্রায় সকল সেক্টরে অসীম ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সহজ, সরল জীবনযাপন করতেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, পিতার মতোই সহজ সরল জীবনযাপন করেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। ১৯৭৮ থেকে১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান গার্মেন্টস সেক্টরে বিশাল ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন সার্কেরও প্রবক্তা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিলো তাঁর অগ্রণী ভূমিকা।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অপামর জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতি উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আট বছর ব্যাপী চলা ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলেন।