Dhaka , Wednesday, 4 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান একনেক সভায় বিসিসির জন্য ৭০১ কোটি টাকা অনুমোদন : অবহেলিত থেকে গেল দক্ষিণাঞ্চল মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে নির্মিত হবে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সাভারে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০ ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ কালিয়াকৈরে শ্রমিকের আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত স্পেনের ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ ইয়ামালের বাবার স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার স্বর্ণের চাহিদায় ভাটা, কমল বার ও কয়েন কেনার পূর্বাভাস শুধু ‘স্যরি’ বললেই কি মুছে যায় মনের কষ্ট? ‘ও আমাকে মা-বাবার চেয়েও বেশি বোঝে’ সরাইলে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারীসহ ৮ জন আহত, এলাকায় আতঙ্ক কালিয়াকৈরে তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সাথে সাতার কাটতে গিয়ে নিখোজ গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি রূপগঞ্জে গৃহবধূকে কুপিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রূপগঞ্জে সিম গ্রুপের পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ টেকনাফের সাগরে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাতের আঘাতে ১ জেলে নিহত! নবপ্রজন্মের মাঝে ইসলামের সৌন্দর্য ও শাশ্বত জীবনদর্শন তুলে ধরতে হবে – ইসলামী যুবসমাজ দুর্গাপুরে নাঈমুরের সাফল্যের হেট্রিক : টানা তিন পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে নতুন ইতিহাস মধুপুরে পর্নোগ্রাফি ও ইয়াবা কারবারের অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, মোবাইল-ল্যাপটপ উদ্ধার পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ‎গাইবান্ধায় এলজিইডির বাস্তবায়নে খানাখন্দের রাস্তা ফিরে পেল প্রাণ ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:05:48 pm, Monday, 1 June 2026
  • 109 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জানতে ও তাঁর অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে গবেষণার বিকল্প নেই। তাঁর জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন।

তিনি কাজীর দেউরী জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের সেমিনার হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম। বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের উপ কীপার অর্পিতা দাশ গুপ্তা।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সৎ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার এবং তাঁর অবদানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, অল্প বয়সে সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া, পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ। তিনি কৃষি, রেমিট্যান্স ও শিল্পখাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আজও দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি, রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যার ভিত্তি জিয়াউর রহমানের সময়েই তৈরি হয়েছিল। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনশক্তি রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ছিল তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ।

তিনি বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী দেখলে বোঝা যায় তিনি কতটা সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছেন, যা তাঁর সততা ও নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, তারেক রহমান ১৯৯৯ সালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার মানবিক নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে পারলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দীন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁর প্রতি দেশের মানুষের ব্যাপক ভালোবাসা ছিলো। প্রেসিডেন্টের শাহাদত বরণের পর তাঁর জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিলো।

পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শিক্ষা, কৃষিসহ প্রায় সকল সেক্টরে অসীম ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সহজ, সরল জীবনযাপন করতেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, পিতার মতোই সহজ সরল জীবনযাপন করেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। ১৯৭৮ থেকে১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান গার্মেন্টস সেক্টরে বিশাল ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন সার্কেরও প্রবক্তা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিলো তাঁর অগ্রণী ভূমিকা।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অপামর জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতি উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আট বছর ব্যাপী চলা ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান

শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 08:05:48 pm, Monday, 1 June 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জানতে ও তাঁর অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে গবেষণার বিকল্প নেই। তাঁর জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন।

তিনি কাজীর দেউরী জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের সেমিনার হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম। বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের উপ কীপার অর্পিতা দাশ গুপ্তা।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সৎ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার এবং তাঁর অবদানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, অল্প বয়সে সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া, পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ। তিনি কৃষি, রেমিট্যান্স ও শিল্পখাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আজও দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি, রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যার ভিত্তি জিয়াউর রহমানের সময়েই তৈরি হয়েছিল। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনশক্তি রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ছিল তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ।

তিনি বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী দেখলে বোঝা যায় তিনি কতটা সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছেন, যা তাঁর সততা ও নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, তারেক রহমান ১৯৯৯ সালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার মানবিক নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে পারলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দীন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁর প্রতি দেশের মানুষের ব্যাপক ভালোবাসা ছিলো। প্রেসিডেন্টের শাহাদত বরণের পর তাঁর জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিলো।

পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শিক্ষা, কৃষিসহ প্রায় সকল সেক্টরে অসীম ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সহজ, সরল জীবনযাপন করতেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, পিতার মতোই সহজ সরল জীবনযাপন করেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। ১৯৭৮ থেকে১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান গার্মেন্টস সেক্টরে বিশাল ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন সার্কেরও প্রবক্তা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিলো তাঁর অগ্রণী ভূমিকা।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অপামর জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতি উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আট বছর ব্যাপী চলা ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলেন।