Dhaka , Saturday, 7 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ ভবনের একাধিক কক্ষে চুরি, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা গণহত্যাকারীদের এই দেশে রাজনীতির সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে মাইশার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত ঘাতক লরি চালক গ্রেফতার টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাসদস্য নিহত, উদ্ধার ৫৭ জিম্মি রূপগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী’র মেয়র প্রার্থী’র প্রচারণা শুরু রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা দুই আন্তর্জাতিক আয়োজন সামনে রেখে নতুন রূপে সাজানো হবে সিলেট স্টেডিয়াম কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক হাসানের ছয় উইকেটের পরও চাপে বাংলাদেশ, দিন শেষে ২৬৮ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকেরা গায়ের জোরে দেশ চালাচ্ছে সরকার:নাহিদ ইসলাম দীঘিনালার পনছড়ি বন বিহারে চতুর্থবারের মতো কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত কারো গোলায় নয়, ঘরে ঘরে সুফল পৌঁছে দিতে কাজ করছেন শিরিন: নতুন বরাদ্দ নিয়ে নগরজুড়ে স্বপ্নবুনন চলছে ধর্মপাশায় পলাতক এক আসামি গ্রেপ্তার মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত শিল্পায়নে অবকাঠামো গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশিদের পর্তুগিজ সমাজে ইন্টিগ্রেশনে দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব নোয়াখালীতে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির রোনালদোকে বিশেষ সংবর্ধনা দেবে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন ছাত্রদল নেতা আবু হাসান নাহিয়ান ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন এনসিপিকে কড়া বার্তা সামান্তা শারমিনের নেত্রকোণায় ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযান: ২০ লাখ টাকার ফেনসিডিলসহ আটক ১ অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযান: ৪৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত শিল্পায়নে অবকাঠামো গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জ্যাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৩৫ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন কক্সবাজারের সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের নেতারা রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

শরীয়তপুরে ৫ কোটি টাকা বাজেটের গাইড ওয়ালে ব্যবহার হচ্ছে ভিটি বালু ও ব্যবহৃত পাথর।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:52:35 pm, Sunday, 22 December 2024
  • 257 বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরে ৫ কোটি টাকা বাজেটের গাইড ওয়ালে ব্যবহার হচ্ছে ভিটি বালু ও ব্যবহৃত পাথর।।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

   

  

পদ্মা সেতুর নাওডোবা প্রান্ত থেকে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার চার লেনের সংযোগ সড়কে ‘সড়ক রক্ষা বাঁধের’ কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- সড়কের পাশে গর্ত গভীর হওয়ায় নির্মাণ করা হচ্ছে সড়ক রক্ষা বাঁধ -গাইডওয়াল-। কিন্তু ওই বাঁধ নির্মাণে প্রয়োজনীয় মালামাল ব্যবহার না করে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ করছেন স্থানীয়া বাসিনাদারা।

জানা যায়- এধরনের বাঁধ নির্মাণে সাধারণত সিমেন্টের সাথে সিলেকশন বালু, স্বচ্ছ পাথর ও আস্তর বালু ব্যবহার করার কথা।  তবে কথা থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে ভিটি বালু ও ব্যবহৃত পাথর। গত ২৪ নভেম্বর ও তারও এক সপ্তাহ্ আগে থেকে সড়ক রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় এমন চিত্র। এতে বাঁধ নির্মাণ হলেও খুব বেশীদিন টেকসই হবেনা বলে বলছেন স্থানীয়রা। কারন সড়কের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এখান দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বেড়ে যাবে। তাই নির্মাণ করা ঐ সড়ক রক্ষা বাঁধে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করায় যেকোন সময় তা ধসে পড়বে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদের কাছে জানতে ২৪ নভেম্বর তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান- বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবো। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে কল ব্যাক করে বলেন, ‘আপনি ফালতু অভিযোগ করেছেন! সড়ক রক্ষা বাঁধের কোন কাজ চলছে না’ বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। 

এরপর ঐ দিন থেকে চলমান সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এর চারদিন পর ২৮ নভেম্বর আবারও ঐ সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করা হয়। পরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়। নির্মাণকাজে ভালো মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এর আগে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের কারনে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে পদ্মা সেতুর নাওডোবা প্রান্ত হতে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। আর এর নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য সময় দেওয়া হয় ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পাড় হলেও সড়কটির নির্মাণকাজ শুরুই করতে পারেনি সড়ক ও জনপথ বিভাগ -সওজ-। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত করা হয়। মেয়াদ বাড়ানোর পর গত জুনে আবারও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও সড়ক বিভাগ বলছে এখন পর্যন্ত সড়কের কাজ শেষ হয়েছে ৫৬ শতাংশ। এ সড়কের জমি অধিগ্রহণ চার লেনের জন্য করা হলেও বর্তমানে সড়কটিতে ৩৩ ফুট প্রশস্ত দুই লেন নির্মাণ করা হচ্ছে। গত জুনে দ্বিতীয়বার মেয়াদ শেষ হওয়ায় পর আবারও দুই বছরের জন্য প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো সড়কটির কাজ চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়- প্রয়োজন অনুযায়ী সড়কটির বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১২০০ মিটার সড়ক রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। প্রয়োজন অনুযায়ী সড়কের আরো কয়েকটি স্থানে এমন সড়ক রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালেহ আহমেদ। সড়ক রক্ষা বাঁধে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের বিষয়ে কথা হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ আমজাদ হোসাইনের সাথে। তিনি বলেন- আমাদের স্টিমেটে যেভাবে ধরা হয়েছে আমরাতো সেভাবেই দিচ্ছি। তবে কাজ করতে গেলে কিছুটা এদিক-সেদিক হবে এটা খুবই স্বাভাবিক।”

সড়কটি নির্মাণকাজের সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে সড়ক বিভাগের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদের সাথে কথা বলতে একাধিকবার তার দপ্তরে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ ভবনের একাধিক কক্ষে চুরি, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

শরীয়তপুরে ৫ কোটি টাকা বাজেটের গাইড ওয়ালে ব্যবহার হচ্ছে ভিটি বালু ও ব্যবহৃত পাথর।।

আপডেট সময় : 01:52:35 pm, Sunday, 22 December 2024

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

   

  

পদ্মা সেতুর নাওডোবা প্রান্ত থেকে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার চার লেনের সংযোগ সড়কে ‘সড়ক রক্ষা বাঁধের’ কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- সড়কের পাশে গর্ত গভীর হওয়ায় নির্মাণ করা হচ্ছে সড়ক রক্ষা বাঁধ -গাইডওয়াল-। কিন্তু ওই বাঁধ নির্মাণে প্রয়োজনীয় মালামাল ব্যবহার না করে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ করছেন স্থানীয়া বাসিনাদারা।

জানা যায়- এধরনের বাঁধ নির্মাণে সাধারণত সিমেন্টের সাথে সিলেকশন বালু, স্বচ্ছ পাথর ও আস্তর বালু ব্যবহার করার কথা।  তবে কথা থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে ভিটি বালু ও ব্যবহৃত পাথর। গত ২৪ নভেম্বর ও তারও এক সপ্তাহ্ আগে থেকে সড়ক রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় এমন চিত্র। এতে বাঁধ নির্মাণ হলেও খুব বেশীদিন টেকসই হবেনা বলে বলছেন স্থানীয়রা। কারন সড়কের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এখান দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বেড়ে যাবে। তাই নির্মাণ করা ঐ সড়ক রক্ষা বাঁধে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করায় যেকোন সময় তা ধসে পড়বে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদের কাছে জানতে ২৪ নভেম্বর তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান- বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবো। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে কল ব্যাক করে বলেন, ‘আপনি ফালতু অভিযোগ করেছেন! সড়ক রক্ষা বাঁধের কোন কাজ চলছে না’ বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। 

এরপর ঐ দিন থেকে চলমান সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এর চারদিন পর ২৮ নভেম্বর আবারও ঐ সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করা হয়। পরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়। নির্মাণকাজে ভালো মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এর আগে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের কারনে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে পদ্মা সেতুর নাওডোবা প্রান্ত হতে শরীয়তপুর জেলা শহর পর্যন্ত ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। আর এর নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য সময় দেওয়া হয় ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পাড় হলেও সড়কটির নির্মাণকাজ শুরুই করতে পারেনি সড়ক ও জনপথ বিভাগ -সওজ-। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত করা হয়। মেয়াদ বাড়ানোর পর গত জুনে আবারও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও সড়ক বিভাগ বলছে এখন পর্যন্ত সড়কের কাজ শেষ হয়েছে ৫৬ শতাংশ। এ সড়কের জমি অধিগ্রহণ চার লেনের জন্য করা হলেও বর্তমানে সড়কটিতে ৩৩ ফুট প্রশস্ত দুই লেন নির্মাণ করা হচ্ছে। গত জুনে দ্বিতীয়বার মেয়াদ শেষ হওয়ায় পর আবারও দুই বছরের জন্য প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো সড়কটির কাজ চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়- প্রয়োজন অনুযায়ী সড়কটির বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১২০০ মিটার সড়ক রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। প্রয়োজন অনুযায়ী সড়কের আরো কয়েকটি স্থানে এমন সড়ক রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

সড়ক রক্ষা বাঁধের কাজটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালেহ আহমেদ। সড়ক রক্ষা বাঁধে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের বিষয়ে কথা হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ আমজাদ হোসাইনের সাথে। তিনি বলেন- আমাদের স্টিমেটে যেভাবে ধরা হয়েছে আমরাতো সেভাবেই দিচ্ছি। তবে কাজ করতে গেলে কিছুটা এদিক-সেদিক হবে এটা খুবই স্বাভাবিক।”

সড়কটি নির্মাণকাজের সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে সড়ক বিভাগের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদের সাথে কথা বলতে একাধিকবার তার দপ্তরে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।