Dhaka , Monday, 8 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বাজেট বাস্তবায়ন ও ককাস গঠনে চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শিগগিরই ৭ বছর পর উত্তর কোরিয়ায় শি জিনপিং, লালগালিচা সংবর্ধনা কিমের বাংলাদেশ সিরিজ চ্যালেঞ্জিং হবে : অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার বার পরিষ্কার করা হয় মসজিদে নববী নোয়াখালীতে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ রূপগঞ্জে পানি শোধনাগার প্রকল্প চালু হলে দিনে ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি ঢাকা শহরে সরবরাহ করা যাবে- মির্জা ফখরুল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নোয়াখালীতে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৪৭ কালীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে ৫ বছর পর সচল কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল পুলিশ প্রটোকল ও সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আমিনবাজার ও আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল আকস্মিক পরিদর্শন জঙ্গল হতে কাতার প্রবাসী চুয়েট প্রকৌশলী অপহরনের দুই ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার, ৪ অপহরণকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ১৪২ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা লালমনিরহাটে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মানববন্ধন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ও পরিবেশ আইন সংশোধনের দাবি রামুর খুনিয়াপালংয়ে ছেলের গুলিতে আহত পিতা আয়াছের মৃত্যু জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশ সুপারে’র শিক্ষা, স্বপ্ন ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রাম পুরুষ শূন্য, গ্রেফতার ২ দুই দশকের মধ্যে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের বাকি ৪ দিন : ভাইদের গোলের কীর্তি ব্যাংক সংস্কারে রাজনৈতিক সুশাসন জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিএসএফের ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে পুশ ইনের চেষ্টা উচ্চ আদালতে রামিসার মামলার শুনানি এগিয়ে আনতে সুপারিশ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অগ্নিসংযোগ, আহত ৬ রামগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার দালালের খপ্পরে নিঃস্ব হয়ে রামগঞ্জের মনু মাস্টারের করুণ মৃত্যু অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে পতেঙ্গায় টানেল দিয়ে ওয়াসার পানি, ৬৩ বছর পর পতেঙ্গায় পানি, ৩ লাখ মানুষের স্বস্তি পাইকগাছায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি, প্রচার ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মিতু হত্যা: স্বামী বাবুল আক্তারকে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’

  • সৈকত
  • আপডেট সময় : 05:29:17 am, Wednesday, 12 May 2021
  • 434 বার পড়া হয়েছে

মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এ হত্যাকাণ্ডের পাঁচ বছরের মাথায় মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় পিবিআই মেট্রো অঞ্চলের কার্যালয়ে উপস্থিত হন বাবুল আক্তার।

পিবিআই প্রধান, পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলার বাদী হিসেবে বাবুল আক্তার আজ (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম গেছেন।

“তিনি কথা বলেছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সাথে। এটাকে জিজ্ঞাসাবাদ বা তদন্তের বিষয়ে জানতে চাওয়া, যে কোনো কিছুই বলা যেতে পারে।”

বাবুল আক্তার স্ত্রী হত্যা মামলার বাদী হলেও তার শ্বশুর অভিযোগ করে আসছেন, তার মেয়েজামাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।

এক প্রশ্নের জবাবে পিবিআই প্রধান বলেন, “মামলার প্রয়োজনে আমরা তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছি।”

এর আগেও তদন্ত কর্মকর্তা বেশ কয়েকবার বাবুল আক্তারের সঙ্গে কথা বলেছে বলে জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হত্যা মামলার বাদী হিসেবে তিনি (বাবুল আক্তার) আমাদের কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় উনার সাথে কী কথা হয়েছে, তা বলা যাবে না।”

রাত অবধি বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তারে খবরও আসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে পিবিআই সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) আবু ইউসুফ রাত সোয়া ৯টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাবুল আক্তারকে তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।”

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিয়ে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল আক্তার নিজেই।

এরপর ওই বছরের ২৪ জুন ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এরপর নানা গুঞ্জনের মধ্যে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর বাবুলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুরু থেকে নগর গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও প্রায় তিন বছরেও তারা এই হত্যাকাণ্ডের কূলকিনারা করতে পারেনি।

এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে আদালত মামলাটির তদন্তের ভার পিবিআইকে দেয়।

পিবিআই মামলার তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে লকডাউন শুরু হয়। এতে তদন্তের অগ্রগতিতে ভাটা পড়ে।

দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যে পিবিআই আলোচিত এ মামলার সাক্ষী ও আসামি মিলিয়ে ১২ জনের সঙ্গে কথা বলেছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর মধ্যে দুই আসামি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

জবানবন্দিতে ওয়াসিম বলেন, নবী, কালু, মুছা ও তিনি ‘সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন’ এবং নবী ও কালু মিতুকে ‘ছুরিকাঘাত করে’।

এরপরই পুলিশ বাকলিয়া এলাকা থেকে ‘হত্যকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহকারী’ ভোলা ও তার সহযোগী মনিরকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা পিস্তলটি মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার হয় বলে তখন পুলিশ দাবি করেছিল।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ভোলা ও মনিরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দেওয়ার পাশাপাশি ভোলাকে মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ছয়জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং দুজন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

তবে জবানবন্দিতে আসা ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছা ও কালুর খোঁজ পুলিশ চার বছরেও ‘পায়নি’।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

বাজেট বাস্তবায়ন ও ককাস গঠনে চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

মিতু হত্যা: স্বামী বাবুল আক্তারকে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’

আপডেট সময় : 05:29:17 am, Wednesday, 12 May 2021

মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এ হত্যাকাণ্ডের পাঁচ বছরের মাথায় মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় পিবিআই মেট্রো অঞ্চলের কার্যালয়ে উপস্থিত হন বাবুল আক্তার।

পিবিআই প্রধান, পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলার বাদী হিসেবে বাবুল আক্তার আজ (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম গেছেন।

“তিনি কথা বলেছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সাথে। এটাকে জিজ্ঞাসাবাদ বা তদন্তের বিষয়ে জানতে চাওয়া, যে কোনো কিছুই বলা যেতে পারে।”

বাবুল আক্তার স্ত্রী হত্যা মামলার বাদী হলেও তার শ্বশুর অভিযোগ করে আসছেন, তার মেয়েজামাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।

এক প্রশ্নের জবাবে পিবিআই প্রধান বলেন, “মামলার প্রয়োজনে আমরা তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছি।”

এর আগেও তদন্ত কর্মকর্তা বেশ কয়েকবার বাবুল আক্তারের সঙ্গে কথা বলেছে বলে জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হত্যা মামলার বাদী হিসেবে তিনি (বাবুল আক্তার) আমাদের কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় উনার সাথে কী কথা হয়েছে, তা বলা যাবে না।”

রাত অবধি বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তারে খবরও আসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে পিবিআই সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) আবু ইউসুফ রাত সোয়া ৯টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাবুল আক্তারকে তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।”

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিয়ে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল আক্তার নিজেই।

এরপর ওই বছরের ২৪ জুন ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এরপর নানা গুঞ্জনের মধ্যে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর বাবুলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুরু থেকে নগর গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও প্রায় তিন বছরেও তারা এই হত্যাকাণ্ডের কূলকিনারা করতে পারেনি।

এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে আদালত মামলাটির তদন্তের ভার পিবিআইকে দেয়।

পিবিআই মামলার তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে লকডাউন শুরু হয়। এতে তদন্তের অগ্রগতিতে ভাটা পড়ে।

দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যে পিবিআই আলোচিত এ মামলার সাক্ষী ও আসামি মিলিয়ে ১২ জনের সঙ্গে কথা বলেছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর মধ্যে দুই আসামি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

জবানবন্দিতে ওয়াসিম বলেন, নবী, কালু, মুছা ও তিনি ‘সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন’ এবং নবী ও কালু মিতুকে ‘ছুরিকাঘাত করে’।

এরপরই পুলিশ বাকলিয়া এলাকা থেকে ‘হত্যকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহকারী’ ভোলা ও তার সহযোগী মনিরকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা পিস্তলটি মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার হয় বলে তখন পুলিশ দাবি করেছিল।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ভোলা ও মনিরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দেওয়ার পাশাপাশি ভোলাকে মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ছয়জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং দুজন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

তবে জবানবন্দিতে আসা ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছা ও কালুর খোঁজ পুলিশ চার বছরেও ‘পায়নি’।