Dhaka , Thursday, 5 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির রোনালদোকে বিশেষ সংবর্ধনা দেবে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন ছাত্রদল নেতা আবু হাসান নাহিয়ান ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন এনসিপিকে কড়া বার্তা সামান্তা শারমিনের নেত্রকোণায় ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযান: ২০ লাখ টাকার ফেনসিডিলসহ আটক ১ অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযান: ৪৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত শিল্পায়নে অবকাঠামো গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জ্যাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৩৫ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন কক্সবাজারের সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের নেতারা রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ মধুপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন ফেনীর মহিপাল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার করেছে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম শ্রীপুরে এমপি মনোয়ার হোসেন খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত মধুপুরে পুলিশের পৃথক দুই অভিযানে ১৪৩ লিটার চোলাইমদ ও ৯০ লিটার উপকরণ উদ্ধার,গ্রেফতার- ৪ মধুপুরে মাদ্রাসার হেফজখানায় ১১ বছরের ছাত্রের হাত কাটা, রহস্য নিয়ে উদ্বেগ! কালিয়াকৈরে অঙ্গীভূত আনসারের সমাপনী কুচকাওয়াজ, পেশাদারিত্বের আহ্বান মহাপরিচালকের দীঘিনালায় মহিলা মাদ্রাসার ১০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন ২৩ নভেম্বর, থাকছে পুনর্মিলনী ও হাফেজাদের সংবর্ধনা হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ১২৭২ প্রতিদিন জনভোগান্তি: পরিত্যক্ত সুইমিংপুল ঘীরে বিষাক্ত হচ্ছে জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের আশপাশের পরিবেশ সকালের ধাক্কা সামলে সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লড়াই তাসকিন-হাসানের ইনসুইংয়ে শুরুতেই চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোলকাতায় কয়লার বিস্ফোরণে ছাদ ভেদ করে মহিলার মাথায় পাথর, স্তব্ধ বোনজেমারি ওসিপি রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক মাদক সেবনের দায়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলী আহম্মেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও বহিষ্কার কুড়িগ্রামে ১১৭০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা ‘এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ আমি’: মেঘনা আলম পাইকগাছায় নাশকতা, জুয়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:12:21 pm, Tuesday, 11 February 2025
  • 124 বার পড়া হয়েছে

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

   
আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

১১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে প্রকৌশল, পরিচ্ছন্ন বিভাগ এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে জলবদ্ধতা বিষয়ক সমন্বয় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘোষণা দেন।

নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্ব-স্ব অঞ্চলের জলাবদ্ধতার কারণগুলো চিহ্নিত করবেন। প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিশ জন করে শ্রমিক দিয়ে ১২০ জনের ছয়টি বিশেষ টিম করে দেয়া হয়েছে। আপনারা এই টিমগুলোকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্ভিস ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলবেন। প্রতিদিন এই টিমটি কাজ করছে কীনা, করলে কোথায় করছে, কী করছে তা ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করবেন।

“এছাড়া, স্ব-স্ব অঞ্চলের যে সমস্ত কমিউনিটি সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল,মার্কেটসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যত্রতত্র ময়লা ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তাদের তালিকা করবেন। ইতোমধ্যে ৭জন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদানের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা সেই তালিকা ধরে ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে দিয়ে জরিমানাসহ আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনবো। চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অর্থ সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করতে হবে।”

জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে বিভিন্ন খাল-নালা ইত্যাদির পাশে জনসচেতনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। এজন্য আপনারা যথোপযুক্ত এলাকার তালিকা প্রদান করবেন। যেহেতু সিডিএ ‘র জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে, উনাদের সাথে সভা করেন। জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথেও একযোগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় সে বিষয়ে সভা করে যৌথ সিদ্ধান্ত নিন। যে সমস্ত জায়গায় স্কেভেটর ব্যবহার প্রয়োজন সেখানে স্কেভেটর ব্যবহার করুন, আর যেসব জায়গায় ম্যানুয়ালি খনন প্রয়োজন সেখানে শ্রমিক ব্যবহার করুন। পরিচ্ছন্ন শ্রমিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের অনেক সমস্যা আছে, অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে “জলাবদ্ধতা”। জলাবদ্ধতার কারণে বৃষ্টি বেশি হলে মানুষ খুব অসহায় অবস্থায় থাকে। জলমগ্ন থাকে শহর। চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। খালের সীমানার ভেতরে অবৈধ ভবন নির্মাণ করায় এটির প্রশস্ততা কমে বৃষ্টি ও বন্যার পানি অপসারণের ক্ষমতা হ্রাস পায় । পরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং খাল সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, আমরা বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেছি এবং দেখেছি খাল-নালায় প্রচুর ময়লা জমে আছে, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। অবৈধ বাজার বসার কারণেও পরিষ্কার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় নগরীজুড়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বেশ কিছু ওয়ার্ডে জনবল সংকট রয়েছে। এই এলাকাগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিতে হবে। কর্মীদের উপস্থিতি এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে। যে কোনো প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করতে হলে সঠিক তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তা অপরিহার্য। আমরা সকলের সহযোগিতায় প্রকল্পগুলোকে আরও কার্যকরী এবং দ্রুত বাস্তবায়িত করতে পারবো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

আপডেট সময় : 06:12:21 pm, Tuesday, 11 February 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

   
আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

১১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে প্রকৌশল, পরিচ্ছন্ন বিভাগ এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে জলবদ্ধতা বিষয়ক সমন্বয় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘোষণা দেন।

নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্ব-স্ব অঞ্চলের জলাবদ্ধতার কারণগুলো চিহ্নিত করবেন। প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিশ জন করে শ্রমিক দিয়ে ১২০ জনের ছয়টি বিশেষ টিম করে দেয়া হয়েছে। আপনারা এই টিমগুলোকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্ভিস ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলবেন। প্রতিদিন এই টিমটি কাজ করছে কীনা, করলে কোথায় করছে, কী করছে তা ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করবেন।

“এছাড়া, স্ব-স্ব অঞ্চলের যে সমস্ত কমিউনিটি সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল,মার্কেটসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যত্রতত্র ময়লা ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তাদের তালিকা করবেন। ইতোমধ্যে ৭জন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদানের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা সেই তালিকা ধরে ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে দিয়ে জরিমানাসহ আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনবো। চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অর্থ সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করতে হবে।”

জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে বিভিন্ন খাল-নালা ইত্যাদির পাশে জনসচেতনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। এজন্য আপনারা যথোপযুক্ত এলাকার তালিকা প্রদান করবেন। যেহেতু সিডিএ ‘র জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে, উনাদের সাথে সভা করেন। জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথেও একযোগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় সে বিষয়ে সভা করে যৌথ সিদ্ধান্ত নিন। যে সমস্ত জায়গায় স্কেভেটর ব্যবহার প্রয়োজন সেখানে স্কেভেটর ব্যবহার করুন, আর যেসব জায়গায় ম্যানুয়ালি খনন প্রয়োজন সেখানে শ্রমিক ব্যবহার করুন। পরিচ্ছন্ন শ্রমিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের অনেক সমস্যা আছে, অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে “জলাবদ্ধতা”। জলাবদ্ধতার কারণে বৃষ্টি বেশি হলে মানুষ খুব অসহায় অবস্থায় থাকে। জলমগ্ন থাকে শহর। চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। খালের সীমানার ভেতরে অবৈধ ভবন নির্মাণ করায় এটির প্রশস্ততা কমে বৃষ্টি ও বন্যার পানি অপসারণের ক্ষমতা হ্রাস পায় । পরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং খাল সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, আমরা বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেছি এবং দেখেছি খাল-নালায় প্রচুর ময়লা জমে আছে, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। অবৈধ বাজার বসার কারণেও পরিষ্কার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় নগরীজুড়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বেশ কিছু ওয়ার্ডে জনবল সংকট রয়েছে। এই এলাকাগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিতে হবে। কর্মীদের উপস্থিতি এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে। যে কোনো প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করতে হলে সঠিক তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তা অপরিহার্য। আমরা সকলের সহযোগিতায় প্রকল্পগুলোকে আরও কার্যকরী এবং দ্রুত বাস্তবায়িত করতে পারবো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।