Dhaka , Friday, 28 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ভারতে মুক্তির প্রথম দিনেই ১১৭ কোটি রুপি আয় করল ‘টক্সিক’ ভারতের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নতুন নায়ক কে এই সোনাল দিনুশা ইরানে ছয় মাসের যুদ্ধের ছয় বড় পরিণতি টিন সার্টিফিকেট থাকলেও করমুক্ত সীমা? ঘরে বসে অনলাইনে জিরো রিটার্ন দাখিল করবেন যেভাবে সরাইল অরুয়াইলে জুনাইদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দুষ্ট লোকে বলে ‘টুকু আসে টুকু যায়’: লোডশেডিং নিয়ে রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফশিল ও ভোট কবে, যা জানালেন সিইসি মির্জাবাড়ীর হাসিল গ্রামে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে মতবিনিময় সভা ফটিকছড়িতে পুলিশের ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান, শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা মোবারকসহ ৪ জন গ্রেফতার; বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার নরসিংদীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন আড়াইহাজারে এক রাতে ৭ টিউবওয়েল চুরি সভাপতি ইউএনও, সদস্য সচিব এনামুল হক: পাইকগাছা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি গঠন রামুর ফাঁড়িখাল নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ, বিপাকে ২৫০ কৃষক : স্মারকলিপি প্রদান তবারক না পাওয়া অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ১০০ টাকা দিলেন চবি উপাচার্য নোয়াখালীতে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যর মধ্য দিয়ে দুর্গাপুরে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন রামগঞ্জে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা সেই প্রতারক তরুণী গ্রেফতার সুকেশকাণ্ড নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নোরা ফাতেহি রামগঞ্জের ফরিদ ভূঁইয়া একাডেমিতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্‌যাপন রামগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পোর্ট সিটি সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষর্থীদের ফিল্ড ওয়ার্ক পলাশে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন মঈন খান মা-ছেলের নাচে মুগ্ধতা ছড়াল ইয়ামালের জন্মদিনের পার্টি মেয়েরা মাথায় হিজাব পরে, মনে নয়: হিজাব বিতর্কে ওয়েইসি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল ঝিনাইগাতীতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সিএমপি’র সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) বড়কাপনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও শান্তি মোবারক র‍্যালি

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:12:21 pm, Tuesday, 11 February 2025
  • 107 বার পড়া হয়েছে

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

   
আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

১১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে প্রকৌশল, পরিচ্ছন্ন বিভাগ এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে জলবদ্ধতা বিষয়ক সমন্বয় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘোষণা দেন।

নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্ব-স্ব অঞ্চলের জলাবদ্ধতার কারণগুলো চিহ্নিত করবেন। প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিশ জন করে শ্রমিক দিয়ে ১২০ জনের ছয়টি বিশেষ টিম করে দেয়া হয়েছে। আপনারা এই টিমগুলোকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্ভিস ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলবেন। প্রতিদিন এই টিমটি কাজ করছে কীনা, করলে কোথায় করছে, কী করছে তা ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করবেন।

“এছাড়া, স্ব-স্ব অঞ্চলের যে সমস্ত কমিউনিটি সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল,মার্কেটসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যত্রতত্র ময়লা ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তাদের তালিকা করবেন। ইতোমধ্যে ৭জন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদানের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা সেই তালিকা ধরে ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে দিয়ে জরিমানাসহ আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনবো। চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অর্থ সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করতে হবে।”

জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে বিভিন্ন খাল-নালা ইত্যাদির পাশে জনসচেতনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। এজন্য আপনারা যথোপযুক্ত এলাকার তালিকা প্রদান করবেন। যেহেতু সিডিএ ‘র জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে, উনাদের সাথে সভা করেন। জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথেও একযোগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় সে বিষয়ে সভা করে যৌথ সিদ্ধান্ত নিন। যে সমস্ত জায়গায় স্কেভেটর ব্যবহার প্রয়োজন সেখানে স্কেভেটর ব্যবহার করুন, আর যেসব জায়গায় ম্যানুয়ালি খনন প্রয়োজন সেখানে শ্রমিক ব্যবহার করুন। পরিচ্ছন্ন শ্রমিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের অনেক সমস্যা আছে, অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে “জলাবদ্ধতা”। জলাবদ্ধতার কারণে বৃষ্টি বেশি হলে মানুষ খুব অসহায় অবস্থায় থাকে। জলমগ্ন থাকে শহর। চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। খালের সীমানার ভেতরে অবৈধ ভবন নির্মাণ করায় এটির প্রশস্ততা কমে বৃষ্টি ও বন্যার পানি অপসারণের ক্ষমতা হ্রাস পায় । পরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং খাল সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, আমরা বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেছি এবং দেখেছি খাল-নালায় প্রচুর ময়লা জমে আছে, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। অবৈধ বাজার বসার কারণেও পরিষ্কার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় নগরীজুড়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বেশ কিছু ওয়ার্ডে জনবল সংকট রয়েছে। এই এলাকাগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিতে হবে। কর্মীদের উপস্থিতি এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে। যে কোনো প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করতে হলে সঠিক তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তা অপরিহার্য। আমরা সকলের সহযোগিতায় প্রকল্পগুলোকে আরও কার্যকরী এবং দ্রুত বাস্তবায়িত করতে পারবো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে মুক্তির প্রথম দিনেই ১১৭ কোটি রুপি আয় করল ‘টক্সিক’

বর্ষার আগেই চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান হবে- মেয়র শাহাদাত

আপডেট সময় : 06:12:21 pm, Tuesday, 11 February 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

   
আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

১১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে প্রকৌশল, পরিচ্ছন্ন বিভাগ এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে জলবদ্ধতা বিষয়ক সমন্বয় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘোষণা দেন।

নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্ব-স্ব অঞ্চলের জলাবদ্ধতার কারণগুলো চিহ্নিত করবেন। প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিশ জন করে শ্রমিক দিয়ে ১২০ জনের ছয়টি বিশেষ টিম করে দেয়া হয়েছে। আপনারা এই টিমগুলোকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্ভিস ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলবেন। প্রতিদিন এই টিমটি কাজ করছে কীনা, করলে কোথায় করছে, কী করছে তা ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করবেন।

“এছাড়া, স্ব-স্ব অঞ্চলের যে সমস্ত কমিউনিটি সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল,মার্কেটসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যত্রতত্র ময়লা ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তাদের তালিকা করবেন। ইতোমধ্যে ৭জন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদানের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা সেই তালিকা ধরে ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে দিয়ে জরিমানাসহ আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনবো। চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অর্থ সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করতে হবে।”

জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে বিভিন্ন খাল-নালা ইত্যাদির পাশে জনসচেতনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। এজন্য আপনারা যথোপযুক্ত এলাকার তালিকা প্রদান করবেন। যেহেতু সিডিএ ‘র জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে, উনাদের সাথে সভা করেন। জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথেও একযোগে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় সে বিষয়ে সভা করে যৌথ সিদ্ধান্ত নিন। যে সমস্ত জায়গায় স্কেভেটর ব্যবহার প্রয়োজন সেখানে স্কেভেটর ব্যবহার করুন, আর যেসব জায়গায় ম্যানুয়ালি খনন প্রয়োজন সেখানে শ্রমিক ব্যবহার করুন। পরিচ্ছন্ন শ্রমিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের অনেক সমস্যা আছে, অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে “জলাবদ্ধতা”। জলাবদ্ধতার কারণে বৃষ্টি বেশি হলে মানুষ খুব অসহায় অবস্থায় থাকে। জলমগ্ন থাকে শহর। চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। খালের সীমানার ভেতরে অবৈধ ভবন নির্মাণ করায় এটির প্রশস্ততা কমে বৃষ্টি ও বন্যার পানি অপসারণের ক্ষমতা হ্রাস পায় । পরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং খাল সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, আমরা বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেছি এবং দেখেছি খাল-নালায় প্রচুর ময়লা জমে আছে, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। অবৈধ বাজার বসার কারণেও পরিষ্কার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় নগরীজুড়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বেশ কিছু ওয়ার্ডে জনবল সংকট রয়েছে। এই এলাকাগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিতে হবে। কর্মীদের উপস্থিতি এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে। যে কোনো প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করতে হলে সঠিক তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তা অপরিহার্য। আমরা সকলের সহযোগিতায় প্রকল্পগুলোকে আরও কার্যকরী এবং দ্রুত বাস্তবায়িত করতে পারবো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।