
দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,
জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিং নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। গ্যাস ও বিদ্যুতের পরিস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘দুষ্টু লোকেরা বলে—টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে, তারা নাকি বুঝতে পারেন না।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের দাম বাড়ছে, বিদ্যুতের জন্য মানুষ হাহাকার করছে, আবার অনেক এলাকায় গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ নির্বাচনের আগে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯ শতাধিক কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যারা এখনো চাকরিতে আছেন, তাদের কর্মসংস্থান কত দিন টিকে থাকবে, সেটিও অনিশ্চিত।
সাবেক এই বিএনপি নেত্রী আরও বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে অন্যতম তিনটি বিষয় হলো আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করেন রুমিন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয় ব্যঙ্গ করেন, নয়তো বাক্চাতুর্যের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেন।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে পরিস্থিতির ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায় দাবি করে রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী রয়েছেন, তেমনি ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে মন্দ হতো না।

























