Dhaka , Thursday, 17 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাতকানিয়ায় পিচ্চি জাহিদ হত্যা মামলায় ১২ আসামি গ্রেপ্তার; আসামি আজাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ২০বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার-১ নোয়াখালীতে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি বেগমগঞ্জে র‍্যাব-১১ হাতে গ্রেফতার  দুর্যোগে পাশে থাকার অঙ্গীকার হাতিয়ার ৩০ স্বেচ্ছাসেবকের পজিটিভ সরাইল এর উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুল শিক্ষকের খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কাউখালীতে কেন্দ্রীয় আশ্রমের তহবিল তসরুপের অভিযোগে বহিষ্কৃত সাবেক কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন কাউখালীতে ৪০ বছর পর উচ্ছেদ: কচুয়াকাঠি আধুনিক সেতু নির্মাণের পথ সুগম রামগঞ্জে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু ঢোল সমুদ্র বালিকা বিদ্যানিকেতনে এডহক কমিটি, শিক্ষাঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা পাইকগাছায় ইউএনও’কে নিসচা’র প্রকাশিত ‘নিরাপদ’ বই প্রদান পাইকগাছায় মৎস্য অভিযানে তিন চিংড়ি ব্যবসায়ীকে জরিমানা রাতারাতি ‘বিএনপি’, কাজীর দেউড়িতে বসে চাঁদার রফাদফা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লালগালিচায় হাঁটলেন মাহিরা স্টোকসের নজরে পিটারসেনের চেয়েও এগিয়ে আছেন ব্রুক গাজায় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে প্রায় দুই হাজার ভবন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ তরুণ উদ্ভাবকদের মেধায় নতুন সম্ভাবনা, শেষ হলো বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু সিদ্ধিরগঞ্জে লিথি গার্মেন্টস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের অবস্থান নারায়ণগঞ্জে সজিব হত্যার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন বায়ুদূষণের দায়ে নারায়ণগঞ্জে দুই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা মাদারীপুরে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন ২০ দিনব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:56:13 pm, Tuesday, 21 July 2026
  • 60 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি ‘ মদ,নারী ও ইয়াবা সাপ্লাইয়ার বেকারী কামাল’ ওরফে কামাল হোসেনের উপস্থিতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও বিতর্কিত এক রাজনৈতিক কর্মী কীভাবে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রবেশের সুযোগ পেলেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম নগর সৈনিক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন গত ৭ বছর। এই কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগরীতে মদ, জুয়া, নারী ব্যবসাসহ ও মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকার হাজারো প্রমাণিত অভিযোগ রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি এসব অপকর্ম পরিচালনা করতেন বলে জানা যায়।

ছদ্মবেশ ও ভুয়া পরিচয়ের অভিযোগ:
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে গা-ঢাকা দেন বেকারী কামাল। অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েক মাস ধরে তিনি ঢাকায় অবস্থান নিয়ে নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত শুরু করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে:

সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার: ঢাকার বিভিন্ন কালো ও হলুদ সাংবাদিক চক্রের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন।

দলীয় কর্মসূচীতে অনুপ্রবেশ: নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে পরিচয় গোপন রেখে তিনি বিএনপির বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশ নেওয়ার কৌশল নেন।

মেহমান সালায় প্রবেশ: অসাধু চক্রের যোগসাজশ ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে প্রবেশের সুযোগ বাগিয়ে নেন।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও কঠোর শাস্তির দাবি:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের মতো অত্যন্ত সংরক্ষিত ও স্পর্শকাতর স্থানে চিহ্নিত কোনো অপরাধী ও পতিত স্বৈরাচারের দোসর প্রবেশ করা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।

এই পরিস্থিতিতে সচেতন সমাজ ও সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানানো হয়েছে:
১. তদন্ত কমিটি গঠন: কার বা কাদের প্ররোচনায় ও সহায়তায় বেকারী কামাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেহমান সালায় প্রবেশাধিকার পেলেন, তা অবিলম্বে খতিয়ে দেখতে হবে।
২.সহযোগীদের চিহ্নিতকরণ: পরিচয় গোপন রাখতে এবং রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাকে ঢোকানোর পেছনে যেসব প্রভাবশালী ব্যক্তি বা অসাধু চক্র কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে ৩. দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার: একাধিক অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযুক্ত বেকারী কামালকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর স্থান সমূহে এই ধরণের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা প্রটোকল আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতকানিয়ায় পিচ্চি জাহিদ হত্যা মামলায় ১২ আসামি গ্রেপ্তার; আসামি আজাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট সময় : 07:56:13 pm, Tuesday, 21 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি ‘ মদ,নারী ও ইয়াবা সাপ্লাইয়ার বেকারী কামাল’ ওরফে কামাল হোসেনের উপস্থিতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও বিতর্কিত এক রাজনৈতিক কর্মী কীভাবে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রবেশের সুযোগ পেলেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম নগর সৈনিক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন গত ৭ বছর। এই কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগরীতে মদ, জুয়া, নারী ব্যবসাসহ ও মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকার হাজারো প্রমাণিত অভিযোগ রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি এসব অপকর্ম পরিচালনা করতেন বলে জানা যায়।

ছদ্মবেশ ও ভুয়া পরিচয়ের অভিযোগ:
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে গা-ঢাকা দেন বেকারী কামাল। অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েক মাস ধরে তিনি ঢাকায় অবস্থান নিয়ে নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত শুরু করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে:

সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার: ঢাকার বিভিন্ন কালো ও হলুদ সাংবাদিক চক্রের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন।

দলীয় কর্মসূচীতে অনুপ্রবেশ: নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে পরিচয় গোপন রেখে তিনি বিএনপির বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশ নেওয়ার কৌশল নেন।

মেহমান সালায় প্রবেশ: অসাধু চক্রের যোগসাজশ ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে প্রবেশের সুযোগ বাগিয়ে নেন।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও কঠোর শাস্তির দাবি:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের মতো অত্যন্ত সংরক্ষিত ও স্পর্শকাতর স্থানে চিহ্নিত কোনো অপরাধী ও পতিত স্বৈরাচারের দোসর প্রবেশ করা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।

এই পরিস্থিতিতে সচেতন সমাজ ও সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানানো হয়েছে:
১. তদন্ত কমিটি গঠন: কার বা কাদের প্ররোচনায় ও সহায়তায় বেকারী কামাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেহমান সালায় প্রবেশাধিকার পেলেন, তা অবিলম্বে খতিয়ে দেখতে হবে।
২.সহযোগীদের চিহ্নিতকরণ: পরিচয় গোপন রাখতে এবং রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাকে ঢোকানোর পেছনে যেসব প্রভাবশালী ব্যক্তি বা অসাধু চক্র কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে ৩. দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার: একাধিক অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযুক্ত বেকারী কামালকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর স্থান সমূহে এই ধরণের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা প্রটোকল আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।