
মোঃ আবুল কালাম, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি,
জমির ভাগবাটোয়ারাসহ পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাহুটিয়াকান্দা গ্রামের হেলেনা আক্তার (৪৩) নামের এক নারীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর, মারধর করে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে আপন সহোদর ভাই শহীদুল ইসলাম শহীদ (৩৫),জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৪৫) ও চাচা ময়না মিয়া (৫৫) কে আসামি করে গত মঙ্গলবার বিকেলে ধর্মপাশা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের বাহুটিয়াকন্দা গ্রামের মৃত আজম আলীর মেয়ে হেলেনা আক্তারের সঙ্গে তাঁর সহোদর দুই ভাই শরিফুল ইসলাম শহীদ, জাহিদুল ইসলাম জাহিদা ও চাচা ময়না মিয়ার জমির ভাগবাটোয়ারা ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত ৫ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে অতর্কিতভাবে হেলেনা আক্তারের বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করেন। এ সময় শহীদুল ইসলাম শহীদের নির্দেশে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও ময়না মিয়া লোহার রড, কাঠের রুল ও বাঁশের লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে বসতঘর ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাঁরা তিনজন মিলে হেলেনা আক্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করে জখম করেন। পরে তারা বসতঘরের ভেতরে থাকা আলমারি ভেঙে নগদ দুই লাখ টাকা, এক ভরি স্বর্ণালংকার, একটি মোবাইল ফোনসহ চার লাখ নব্বই হাজার টাকা মূল্যের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান তারা চলে যান। অভিযুক্ত শহীদুল ইসলাম শহীদ দাবি করেন, আমি আমার ঘর ভেঙেছি।অন্যকারও ঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও কাউকে মারধর করার অভিযোগটি সঠিক নয়।
ধর্মপাশা থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন,এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমি পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























