Dhaka , Sunday, 2 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কাউখালীতে কঁচা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি জাল উদ্ধার, আগুনে ধ্বংস চরভদ্রাসনের নবাগত ইউএনওর সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। জনগণই দেশের আসল মালিক, দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মধুপুরে বিজিএসের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ছাত্র জনতার বিপ্লবের প্রতিফলন এদেশের মানুষ এখনো পায়নি: রামগঞ্জে জুলাই যোদ্ধা সানজিদা চৌধুরী এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: ডিসি জাহিদ ইসলাম নোয়াখালীতে সমাবেশের নামে উসকানি ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন; সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তার দাবি নৈতিক ও মানবিক জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হলো সুশিক্ষা: এমপি জহিরুল দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই:- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। ভয়াবহ দাবানলে সস্ত্রীক ফ্রান্স ছাড়লেন জর্জ ক্লুনি বিশ্বকাপ ট্রফি বিক্রি করে বিতর্কের মুখে ফ্রান্সের ফুটবলার যমজ কনে, যমজ বর, যমজ পুরোহিত, যমজ সহকারী – সম্পন্ন হলো ‘ঐতিহাসিক’ এক বিয়ে হু হু করে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম ‘জৈন্তাপুরে পাটওয়ারীর গাড়িবহরকে কড়া নিরাপত্তায় সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়’ — হামলার দাবি নাকচ ওসির বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার রূপগঞ্জে বেড়েই চলছে মাদক সেবনকারীদের অত্যাচার, রেহাই পাচ্ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও, মাদক বন্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে রূপগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়ন অভিযান ডিএসসিসি অঞ্চল-৮ এর উদ্যোগে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি পালন মধুপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, তিন শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা মধুপুরে দুর্বৃত্তের হাতে বিএনপি নেতার মা খুন বিকাশ এজেন্টের আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দিল রামু থানা পুলিশ সিলেটে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ (বাবৌযুপ) এর বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ সম্পন্ন রূপগঞ্জে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়ন অভিযান কার্যক্রম শুরু ‘গণতন্ত্র মা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ৬ মাসের কারাদণ্ড আচার্য পি. সি. রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত পাইকগাছা সরাইলে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার সন্দেহভাজনসহ ৬ জন গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আহত ৫ রূপগঞ্জে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াত ইসলামী আলোচনা সভা ও মিছিল

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে মীর হেলাল ও “জুলাই যোদ্ধা” ওমর ফারুক সাগর

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:45:39 pm, Monday, 17 November 2025
  • 169 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে চট্টগ্রামের রাজপথে এক শক্তিমত্তার ছোঁয়া ছিল — মীর হেলাল ভাইয়ের অটল সমর্থন এবং গুলিবিদ্ধ ওমর ফারুক সাগরের সংগ্রাম। তাদের অবদানে ছাত্র‑জনতার আন্দোলন শুধু জীবন্ত ছিল না, বরং সাহস ও আইনি নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

৩০ জুলাই রাতে (প্রায় ১১টা) চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহি সঙ্গে কথা বলার সময় মীর হেলাল ভাই উদ্যোগী হোন: আন্দোলনের সুরক্ষা ও আইনগত সহায়তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি অবিলম্বে কয়েকজন দক্ষ আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করান — যাদের মধ্যে আছেন হাছান ভাই (চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক), নাজমুল ভাই, রনি ভাই।

তার প্রতিশ্রুতি ছিল স্পষ্ট: “কোন চিন্তা নেই, সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।” যদি কোনো শিক্ষার্থী গ্রেফতার হয়, আইনগত সহায়তার পুরো দায়িত্ব তার হাতে থাকবে।

৩১ জুলাই, কোর্ট বিল্ডিংয়ের আশেপাশে যখন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত ছিল, তখন ওই আইনজীবীর দল তাদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে সুরক্ষা দান করে। তারা নিরাপদভাবে কোর্ট‑বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করান, যা ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং নিরাপত্তার অনুভূতি জাগিয়েছিল।

শুধু আইনগত সহায়তা না, মীর হেলাল ভাই ছিলেন আন্দোলনের মোরাল ও কার্যনির্বাহী সঙ্গী — রাজপথে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের সাহস দান করতেন বিপদের সময়ে।

“জুলাই যোদ্ধা” ওমর ফারুক সাগরের সংগ্রাম

ওমর ফারুক সাগর, দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (চট্টগ্রাম কলেজ ইউনিট)-এর সক্রিয় নেতা।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে মুরাদপুরে মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে বুকের ডান পাশে গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হন।

গুলির ফলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা বলেছিলেন গুলিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নার্ভে লেগেছিল, তাই তার পুনরুদ্ধার দীর্ঘ সময় নেয়।

তার এই বীরত্বপূর্ণ দান তাকে ছাত্ররাজনীতির প্রতীক বানিয়ে দিয়েছে। “জুলাই যোদ্ধা” নামে সম্বোধন করা হয় তাকে।

আন্দোলনের পরও তার ভূমিকা থেমে যায়নি — তিনি গতানুগতিক ছাত্রদল কর্মী নয়, বরং অ্যাডভোকেট ও সংগঠক হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

“আমি ছাত্রদলের একজন আদর্শকর্মী। গুলি আমাকে থামাতে পারেনি … যত দিন বাঁচবো, তত দিন রাজপথে থাকবো।”

এছাড়া, তিনি আন্দোলনের শহীদদের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করেন এবং বিচার দাবি করে বারবার আওয়াজ তুলেছেন।

মীর হেলাল ভাই ও ওমর ফারুক সাগরের একত্রিত ভূমিকা শুধু আন্দোলনের মুহূর্তিক সাফল্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না — এটি একটি সংগঠিত প্রতিরোধ ও নেতা প্রজন্ম গঠনে সহায়ক ছিল।

আইনগত সুরক্ষা ও নেতৃত্বের সমন্বয় ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং প্রমাণ করেছে যে শিক্ষার্থীরা নির্ভীকভাবে দাবি করতে পারে।

তাদের সংগ্রাম আগামী প্রজন্মের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ হিসেবে থাকবে — শুধু স্মরণে নয়, কাজেও।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্রআন্দোলনের সময় — বিশেষ করে ১৬ জুলাইয়ের কর্মসূচিতে — মুরাদপুর এলাকায় মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে বুকের ডান পাশ দিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।

চট্টগ্রামের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে ব্যারিস্টার মীর হেলালের অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার সাহস ও সমন্বয় ছাত্র আন্দোলনের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে, আর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও সংগঠিতভাবে তাদের দাবিগুলো উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে কঁচা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি জাল উদ্ধার, আগুনে ধ্বংস

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে মীর হেলাল ও “জুলাই যোদ্ধা” ওমর ফারুক সাগর

আপডেট সময় : 03:45:39 pm, Monday, 17 November 2025

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে চট্টগ্রামের রাজপথে এক শক্তিমত্তার ছোঁয়া ছিল — মীর হেলাল ভাইয়ের অটল সমর্থন এবং গুলিবিদ্ধ ওমর ফারুক সাগরের সংগ্রাম। তাদের অবদানে ছাত্র‑জনতার আন্দোলন শুধু জীবন্ত ছিল না, বরং সাহস ও আইনি নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

৩০ জুলাই রাতে (প্রায় ১১টা) চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক সিয়াম ইলাহি সঙ্গে কথা বলার সময় মীর হেলাল ভাই উদ্যোগী হোন: আন্দোলনের সুরক্ষা ও আইনগত সহায়তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি অবিলম্বে কয়েকজন দক্ষ আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করান — যাদের মধ্যে আছেন হাছান ভাই (চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক), নাজমুল ভাই, রনি ভাই।

তার প্রতিশ্রুতি ছিল স্পষ্ট: “কোন চিন্তা নেই, সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।” যদি কোনো শিক্ষার্থী গ্রেফতার হয়, আইনগত সহায়তার পুরো দায়িত্ব তার হাতে থাকবে।

৩১ জুলাই, কোর্ট বিল্ডিংয়ের আশেপাশে যখন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত ছিল, তখন ওই আইনজীবীর দল তাদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে সুরক্ষা দান করে। তারা নিরাপদভাবে কোর্ট‑বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করান, যা ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং নিরাপত্তার অনুভূতি জাগিয়েছিল।

শুধু আইনগত সহায়তা না, মীর হেলাল ভাই ছিলেন আন্দোলনের মোরাল ও কার্যনির্বাহী সঙ্গী — রাজপথে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের সাহস দান করতেন বিপদের সময়ে।

“জুলাই যোদ্ধা” ওমর ফারুক সাগরের সংগ্রাম

ওমর ফারুক সাগর, দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (চট্টগ্রাম কলেজ ইউনিট)-এর সক্রিয় নেতা।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে মুরাদপুরে মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে বুকের ডান পাশে গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হন।

গুলির ফলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা বলেছিলেন গুলিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নার্ভে লেগেছিল, তাই তার পুনরুদ্ধার দীর্ঘ সময় নেয়।

তার এই বীরত্বপূর্ণ দান তাকে ছাত্ররাজনীতির প্রতীক বানিয়ে দিয়েছে। “জুলাই যোদ্ধা” নামে সম্বোধন করা হয় তাকে।

আন্দোলনের পরও তার ভূমিকা থেমে যায়নি — তিনি গতানুগতিক ছাত্রদল কর্মী নয়, বরং অ্যাডভোকেট ও সংগঠক হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

“আমি ছাত্রদলের একজন আদর্শকর্মী। গুলি আমাকে থামাতে পারেনি … যত দিন বাঁচবো, তত দিন রাজপথে থাকবো।”

এছাড়া, তিনি আন্দোলনের শহীদদের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করেন এবং বিচার দাবি করে বারবার আওয়াজ তুলেছেন।

মীর হেলাল ভাই ও ওমর ফারুক সাগরের একত্রিত ভূমিকা শুধু আন্দোলনের মুহূর্তিক সাফল্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না — এটি একটি সংগঠিত প্রতিরোধ ও নেতা প্রজন্ম গঠনে সহায়ক ছিল।

আইনগত সুরক্ষা ও নেতৃত্বের সমন্বয় ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং প্রমাণ করেছে যে শিক্ষার্থীরা নির্ভীকভাবে দাবি করতে পারে।

তাদের সংগ্রাম আগামী প্রজন্মের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ হিসেবে থাকবে — শুধু স্মরণে নয়, কাজেও।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্রআন্দোলনের সময় — বিশেষ করে ১৬ জুলাইয়ের কর্মসূচিতে — মুরাদপুর এলাকায় মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে বুকের ডান পাশ দিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।

চট্টগ্রামের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে ব্যারিস্টার মীর হেলালের অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার সাহস ও সমন্বয় ছাত্র আন্দোলনের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে, আর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও সংগঠিতভাবে তাদের দাবিগুলো উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।