
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,
সিনিয়র ছাত্রনেতা মেজবাহদের কমিঠির দীর্ঘ ৮ বছর পর প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম চুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রদল গঠনের উদ্যোগ নেন।
তৎকালীন রাউজান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার এমপি মরহুম শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এর নির্দেশনায় প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম আহবায়ক হয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করেন এবং সভাপতি নির্বাচিত হন।
নিজের কলেজ ক্যাম্পাস নির্বাচনে সকল এমপি ও মন্ত্রী পরিষদের অনুরোধ ছিল মোঃ সিরাজকে দলের কলেজ সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে অংশ গ্রহণ করতে হবে। সে টা কিভাবে সিরাজ নিজের পোস্ট স্বেচ্ছায় ওয়াদা করিয়ে সফিউল আজমকে দেওয়া হয় তার ইতিহাস টা ছিল ভিন্ন এবং একান্ত দুজনের ব্যাপার। ক্যাম্পাসে সিরাজের যোগ্য নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ছাত্রদলের কমিটি গঠিত হয় এবং পরে তারই নেতৃত্ব সংসদ নির্বাচন করে ছাত্রদল নিরংকুশ ম্যান্ডেট পেয়ে পূর্ণ প্যানেল জয়ী হয়।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ও এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স চট্টগ্রাম বিভাগের সাবেক চুয়েট ছাত্রদল সভাপতি সিরাজুল ইসলামের ভূমিকা ও কাউন্সিল মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার ইতিহাস:
প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ২০০২ সালে এসিস্ট্যান্ট মেম্বার হয়ে আইইবি চট্টগ্রামে পদচারণা। তিনি প্রতিদিন আইইবিতে এসে সংগঠন মজবুত করার ভুমিকায় অবতীর্ণ হন এবং সকলের দুঃখ দুর্দশার এগিয়ে এসে প্রাইভেট ও সরকারি অফিসে প্রকৌশলীদের চাকুরী দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নিজকে নিয়োজিত রেখেছেন, সকল প্রাইভেট শিল্প প্রতিষ্ঠানে নিজের অফিসিয়াল কাজে যাওয়া আসা থাকায় প্রত্যেক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিতে হাই অফিসিয়াল ও মালিক পক্ষের সাথে সখ্যতা থাকায় যখনই নতুন ইঞ্জিনিয়ার শূন্য পদে তার সুপারিশে নিয়োগ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ এটা আল্লাহর রহমত, কিন্তু উছিলা তো একজন লাগে। প্রকৌশলী সিরাজের এই সহজ সরল উদারতার কারণে আইইবিতে সকলে প্রিয় ছোট ভাই সিরাজে পরিনত হয়, তার প্রতিফলন আসে ২০০৫ সালে আইইবি নির্বাচনে। ২০০৫ সালের প্রথম নতুন মেম্বার হয়ে আইইবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা করলে সকলের উৎসাসে সে নির্বাচন করে এবং রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে শিশু ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম সিরাজ আইইইতে লোকাল কাউন্সিল মেম্বার নির্বাচিত হয় এবং আইইবির প্রতিটি উন্নয়নে যে দায়িত্ব পেয়েছেন সেটা দক্ষতার সাথে পালন করেন।

চুয়েট ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সিরাজুল ইসলাম ইসলামের মাল্টি ন্যাশনালের লুব্রিকেন্টস কোম্পানি “FUCHS Lubricant German AG, Bangladesh’ এর খুবই লোভনীয় এবং প্রতিষ্ঠিত চাকরি কোম্পানির গাড়ি সুবিধাসহ এরিয়া ম্যানেজারের ছেড়ে কেন বিদেশে পাড়ি জমালেন?এই বিষয়ে তিনি বলেন,
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৭ বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসে কাটানোর কষ্ট ছিল,
দেশে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত করতেগিয়ে এলজিআরডি বর্তমান এক্সসিএন জাহাঙ্গীর কে নিয়ে জামাত শিবির এর সাথে মারামারি হয়, আমি চট্টগ্রাম শহরে থাকতাম ক্যাম্পাসে নয়, তখন এলাকার লোকজন ও ক্যাম্পাসের ছাত্ররা যৌতভাবে সন্ত্রাসী জামাত শিবির ছাত্রদলের জাহাঙ্গীরের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদের মুখে জামাত শিবির ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে দীর্ঘ দুইমাস
চুয়েট বন্ধ ঘোষণা করে, এবং সংসদ নির্বাচন নিয়ে পূর্বের একটি মারামারি সেই ঘটনার জেরে চুয়েট রেজিস্ট্রার ডক্টর ওমর ইমাম বাদী হয়ে আমার নামে মিথ্যা মামলা করেন, তদন্ত কমিটি আমার মাস্টার ভর্তি ফরম বাতিল করার জন্য বিভিন্ন রকমের পরিকল্পনা করেন তৎকালীন পরিচালক প্রফেসর মোজাম্মেল হক স্যার। আমি রাজনৈতিক ভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়ার কারণে মাস্টার্স ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হই অবশ্যই এতে আরো কিছু অব্যক্ত কাহিনি আছে। এই মামলাকে হাতিয়ার বানিয়ে ডক্টর ওমর ইমাম ও প্রফেসর মোজাম্মেল স্যার আমার ছাত্র জীবনে ইতি টানায় ক্যাম্পাসে। কিন্তু মামলা নিষ্পত্তি করতে অসহযোগিতা করেছিল ডক্টর ওমর ইমাম, তখন কিন্তু আমার গড়া ছাত্র সংসদ সহযোগিতা করলে অর্থাৎ মোজাম্মেল স্যার ও ওমর ইমাম স্যার চাঁপ দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করাটা কোন ব্যাপার ছিল না। চুয়েট প্রসাশন পক্ষ থেকে মামলা হয়েছিল বলেই বিএনপি সরকারের আমলেও মামলা নিষ্পত্তি করতে পারিনি কারণ মামলা রাজনৈতিক হলেও বাদী ছিল চুয়েট প্রশাসন, চুয়েট এর রেজিস্ট্রার ডক্টর ওমর ইমাম হলো মামলার বাদী, সে একজন প্রচন্ড রকমের বদমেজাজি মানুষ, তাকে হাজার বার চেষ্টা করেও চট্টগ্রাম কোর্টে আনতে পারিনি। তাই মামলা নিষ্পত্তি করতে ৭ বছর হাজিরা দিতে দিতে অতিষ্ঠ, পরে ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগে সরকার গঠন করে তখন আমার জন্য দেশে থাকা একটা কঠিন চেলেঞ্জ। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৫ দিনের ভিজিট ভিসায় দুবাই যায়, এবং চাকরি খুঁজতে থাকি, আল্লাহর অশেষ রহমত একটা জর্দানী মাল্টিন্যাশনালের কোম্পানিতে চট্টগ্রাম বিআইটির এক বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় Bin Ham Electro-Mechanical Ent. LLC কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং জয়েন করে রেসিডেন্স ভিসা পেয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জীবন যাত্রা শুরু করি। তারপর সাবেক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মীর নাসির সাহেবের পিএস শ্রদ্ধা ভাজন আমিনুল ইসলাম এর মাধ্যমে তৎকালীন পিপি এডভোকেট কফিলউদ্দীন এর সহায়তায় আমার এই চুয়েটের মিথ্যা মামলা পরিচালনা করে দীর্ঘ ৭/৮ বছর পর বিদেশ অবস্থান রত অবস্থা বিশাল অংকের টাকা পয়সা খরচ করে আমার নামের মিথ্যা মামলা নিষ্পত্তি করি।

দীর্ঘদিন ১৫ বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে চুয়েট ছাত্রদল সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিক হয়ে একাধিক প্রবাসী সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সহযোগিতায় ভুমিকা রাখেন।
১.সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ মিলিয়ন রেমিট্যান্স যোদ্ধার অধিকার বাস্তবায়নের জন্য ঐদেশের রেজিস্ট্রার সংগঠন “এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ” সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটিতে নির্বাচন করে প্রথমে অফিস সহকারী পোস্ট, দ্বিতীয়ত সাংগঠনিক সম্পাদক পোস্ট, তৃতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পোস্টে নির্বাচনে জয়ী হয়ে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
২.প্রথমে এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে প্রতিষ্টিত করে সমগ্র ইউএইতে সংগঠনের অফিসে শেখ জাহিদ ও প্রতিটি স্টেট প্রধানের ছবির সাথে মহান নেতা শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি ঝুলানোর জন্য রাষ্ট্রিয় অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করেন। ৩. সকল অবৈধ লেবার কে বৈধ করার জন্য ইউএই সরকারের কাছে বিভিন্ন সময় আবেদন করে এ্যাম্বাসির সহযোগিতা সকল বাংলাদেশী শ্রমিকদের দেশে পাঠানো অর্থ সহযোগিতা, আকামা ও পাসপোর্ট তৈরী করে দেয়া, চাকুরী ও ভিসার ব্যবস্হা করা, ত্রাণ দেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড ও দেশী ও ঐ দেশের সরকারি দিবস গুলোতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলা প্রোগ্রাম করা, বৈশাখী মেলা পরিচালনা করেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিএনপিতে প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলামের ভুমিকা,
১.সংযুক্ত আরব আমিরাত আবুধাবি স্ট্যাট সাধারণ সম্পাদক, আবুধাবি বিএনপি
সভাপতি, আবুধাবি বিএনপি
এই পোস্ট দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
বিগত অন্তবর্তীকালিন সরকারের আমলে দেশে আসার পর জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিক হয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার জন্য এবং ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং নির্বাচনের সর্বোচ্চ ভোট জয়ী করার লক্ষ্যে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স চট্টগ্রাম বিভাগ ও ঢাকায় নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের মেম্বার থেকে চট্টগ্রামের ১৬ টি আসনে অত্যম্ত দক্ষতার সাথে সকল প্রকৌশলীদের নিয়ে নির্বাচনী ভোট কালেকশনের জন্য দ্বারে দ্বারে ভোট ভিক্ষা চেয়ে চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে নিরংকুশ বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার চট্টগ্রাম বিভাগকে গ্রুপিং মুক্ত করে সংগঠন কে শক্তিশালী করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে তিনি এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স চট্টগ্রাম বিভাগের এ্যাব কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে দায়িত্ব নিয়ে সংগঠন কে মজবুত করার ভুমিকা থাকবেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য যে কোন ডাকে নিজেকে উজার করে দিয়ে দলের জন্য কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


























