Dhaka , Thursday, 3 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি উৎসবমুখর আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন শ্রীপুরের গোয়ালদাহ হাট পরিদর্শনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম ‘গোট’ বিতর্কে মেসির পোস্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শিক্ষাসনদ প্রকাশ করুন, মোদিকে চ্যালেঞ্জ ককরোচ জনতা পার্টির দীপকের কালচারাল লীগের রোগ অনেক আগেই ডায়াগনসিস করে গেছেন আবুল মনসুর: ফারুকী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, দেশে আরও বাড়বে চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানউন্নয়ন, মাদক ও বাল্যবিবাহ রোধকল্পে অভিভাবক সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের তারিখ নির্ধারণ কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের নিয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ রামগঞ্জে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন সব জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধিই সরকারের মূল লক্ষ্য:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মধুপুরের গোলাবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ রূপগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ ২৬ মামলার পলাতক আসামী সবুজ গ্রেফতার কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জেনারেটর অকেজো,কলেরা  রোগীর সাথে সাধারণ রোগী, চিকিৎসক সংকটে সরাইলের স্বাস্থ্যসেবা মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বাড়ির ২০ লাখ টাকার ক্ষতি পাইকগাছায় ৪০ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে ৩৩৪ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত রামগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা “হয় মাদক ছাড়ো না হয় এলাকা ছাড়ো “ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে কলমাকান্দার ওলামা ও ইমাম-খতিবদের মতবিনিময় “মাঠে মুখোমুখি পুলিশ ও সাংবাদিক: সিএমপি বনাম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত” চট্টগ্রামে ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে :- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা? যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য

শিক্ষাসনদ প্রকাশ করুন, মোদিকে চ্যালেঞ্জ ককরোচ জনতা পার্টির দীপকের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:07:25 pm, Thursday, 3 September 2026
  • 11 বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।

বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার ডিগ্রি অর্জন নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন তোলা হয়। এর জবাবে দীপক জানিয়েছেন, নিজের সব শিক্ষাগত নথি, এমনকি বৃত্তি পাওয়ার চিঠিও প্রকাশ করতে তিনি প্রস্তুত। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও তার শিক্ষাগত নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দীপকের বক্তব্য, শুধু তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েই কেন প্রশ্ন তোলা হবে? প্রধানমন্ত্রীও যদি নিজের শিক্ষাগত নথি প্রকাশ করেন, তাহলে দুজনের নথি পাশাপাশি দেখলেই বিতর্কের অবসান হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মোদিকে সরাসরি উল্লেখ করে দীপক বলেন, সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি নিজের চোখে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১৪ সালে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সময়ের হিসাব টেনে প্রায় ১২ বছরের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।

এর আগেও মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দীপক। তার দাবি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠানের মতো মোদিকে প্রকাশ্যে তাদের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরে না। তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত অবশ্য আরও আগে। প্রায় এক দশক আগে তৎকালীন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও আম আদমি পার্টি তথ্য অধিকার আইনের আওতায় মোদির শিক্ষাগত নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছিল। তার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েও তখন বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়।

পরে বিজেপির তৎকালীন সভাপতি অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি সংবাদ সম্মেলনে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার নথির অনুলিপি প্রকাশ করেন। বিজেপির দাবি ছিল, মোদি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

কেজরিওয়ালের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বিজেপির পক্ষ থেকে তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

২০২৫ সালের আগস্টে দিল্লি হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, তথ্য অধিকার আইনের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য ব্যক্তিগত তথ্যের আওতাভুক্ত। ফলে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি প্রকাশ করতেই হবে—এমন বাধ্যবাধকতা নেই। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করা হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো বিচারাধীন।

এদিকে অভিজিৎ দীপকের নতুন চ্যালেঞ্জের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে কেমন আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

শিক্ষাসনদ প্রকাশ করুন, মোদিকে চ্যালেঞ্জ ককরোচ জনতা পার্টির দীপকের

আপডেট সময় : 06:07:25 pm, Thursday, 3 September 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।

বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার ডিগ্রি অর্জন নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন তোলা হয়। এর জবাবে দীপক জানিয়েছেন, নিজের সব শিক্ষাগত নথি, এমনকি বৃত্তি পাওয়ার চিঠিও প্রকাশ করতে তিনি প্রস্তুত। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও তার শিক্ষাগত নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দীপকের বক্তব্য, শুধু তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েই কেন প্রশ্ন তোলা হবে? প্রধানমন্ত্রীও যদি নিজের শিক্ষাগত নথি প্রকাশ করেন, তাহলে দুজনের নথি পাশাপাশি দেখলেই বিতর্কের অবসান হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মোদিকে সরাসরি উল্লেখ করে দীপক বলেন, সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি নিজের চোখে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১৪ সালে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সময়ের হিসাব টেনে প্রায় ১২ বছরের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।

এর আগেও মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দীপক। তার দাবি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠানের মতো মোদিকে প্রকাশ্যে তাদের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরে না। তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত অবশ্য আরও আগে। প্রায় এক দশক আগে তৎকালীন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও আম আদমি পার্টি তথ্য অধিকার আইনের আওতায় মোদির শিক্ষাগত নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছিল। তার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েও তখন বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়।

পরে বিজেপির তৎকালীন সভাপতি অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি সংবাদ সম্মেলনে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার নথির অনুলিপি প্রকাশ করেন। বিজেপির দাবি ছিল, মোদি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

কেজরিওয়ালের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বিজেপির পক্ষ থেকে তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

২০২৫ সালের আগস্টে দিল্লি হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, তথ্য অধিকার আইনের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য ব্যক্তিগত তথ্যের আওতাভুক্ত। ফলে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি প্রকাশ করতেই হবে—এমন বাধ্যবাধকতা নেই। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করা হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো বিচারাধীন।

এদিকে অভিজিৎ দীপকের নতুন চ্যালেঞ্জের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।