Dhaka , Sunday, 11 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সংস্কৃতিই মানুষে-মানুষে সেতুবন্ধ রচনা করতে পারে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ১২ জানুয়ারির মধ্যেই জামায়াত জোটের চূড়ান্ত আসন বণ্টনের সম্ভাবনা-নাহিদ ইসলাম প্রার্থিতা ফিরে পেলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের মোহাম্মদ আলী পাইকগাছায় পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে নতুন আঙ্গিকে ‘ফেস রিকগনিশন’ প্রযুক্তি চালু মোংলা পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হলেন ইমান হোসেন রিপন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীদের মাঝে কম্বল বিতরণ ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নোয়াখালীতে কৃষকের হাত ভেঙে কুপিয়ে জখম খালেদা জিয়ার দোয়া মিলাদে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপিতে হট্টগোল, মঞ্চ দখল ও হাতাহাতি সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে খাল পাড় থেকে বের হচ্ছে গ্যাস ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে লালমনিরহাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আশুলিয়ায় হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা, আহত এসআই মনিরুল ইসলাম । লালমনিরহাট জেলা তাঁতীদলের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন বিলাসপুর থেকে উদ্ধারকৃত অর্ধশতাধিক ককটেল বোমা নিষ্ক্রিয় করলো বোম ডিসপোজাল ইউনিট পাইকগাছায় সরকারি খাস ও ভিপি জমি পরিদর্শনে এসিল্যান্ড- উচ্ছেদ কার্যক্রম জোরদার চন্দনাইশে বরমা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র নিয়ে অনিয়ম ও দূর্নীতি অভিযোগ রাজাপুরে জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগার পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোংলায় ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু কক্সবাজারে পাহাড় কাটার সময় মাটি চাপায় শ্রমিক নিহত নোয়াখালীতে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঝালকাঠিতে পাঁচটি অবৈধ ইটভাটায় ১১ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হলে ঝালকাঠির দুই আসনে বিজয় নিশ্চিত: বিলকিস জাহান শিরিন বেগমগঞ্জ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র নিয়ে আম্বার গ্রুপ ও পারটেক্স পরিবার ; বারো হাজার কম্বল বিতরণ। ২৩১ প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টন লবণ আমদানির অনুমতি : প্রান্তিক চাষিদের মাথায় হাত বেগমগঞ্জ এ. রহমান স্মৃতি ফাউন্ডেশন মেধা বৃত্তির পুরুষ্কার বিতরনী ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠিত  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে ইউট্যাবের দোয়া কর্মসূচি ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ মধুপুরে গণভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন রূপগঞ্জে র‍্যাবের জালে দুই মাদক সম্রাট উদ্ধার বিপুল পরিমাণ মাদক

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:50:26 pm, Friday, 4 August 2023
  • 155 বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

জগন্নাথপুর

(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জমিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন পেয়ে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।
জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আউশ ধান কাটার ধুম পড়েছে। এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মিরপুর বাজারের পাশের হাওরে উৎপাদিত স্থানীয় হলিয়ারপাড়া গ্রামের কৃষক রুহেল মিয়ার জমির পাকা ধান আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্তন করা হয়েছে। এ সময় নমুনা শস্য কর্তনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কৃষকেরা অংশ গ্রহণ করেন।
এনামুল হক, আছলম উদ্দিন, রহিম আলী, গপেশ দাস, আবদুল কাদির সহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে অনেকে জানান, হাওর বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে জগন্নাথপুর। এ উপজেলায় নিচু জলাভূমির পরিমাণ বেশি। যে কারণে বোরো ধান বেশি আবাদ হয়ে থাকে। তুলনায় উঁচু জমির পরিমাণ কম। তার উপর সকল জমি আবাদ হয় না। বোরো’র পরে রয়েছে আমনের অবস্থান। উপজেলাজুড়ে আমন কমবেশি আবাদ হয়। তবে আউশে কৃষকদের যতো অনীহা। পরিমাণে কম হলেও আউশ আবাদের যতেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও কাঙ্খিত আউশ আবাদ হচ্ছে না। ফলে অধিকাংশ আউশ জমি পতিত থাকে। কারণ হিসেবে তারা জানান, যে সময় আউশ রোপন হয়, তখন তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে পানির অভাবে জমি আবাদ কষ্টকর হয়ে যায়। তার উপর উঁচু জমি হওয়ায় কয়েকবার করে হালচাষ করতে হয়। এতে খরচ ও কষ্ট বেশি হয় থাকে। সেই তুলনায় ফলন হয় কম। এসব নানা কারণে আউশ আবাদে কৃষকরা পিছিয়ে থাকেন।
তবে এবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আউশ আবাদে কৃষকদের নানা ভাবে উৎসাহিত করা হয়। কৃষকদের খরচ কমাতে সরকারি কৃষি প্রণোদনা হিসেবে উন্নতমানের ধানের বীজ, সার সহ অন্যান্য উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। মাঠে ময়দানে গিয়ে জমি আবাদে শিখিয়ে দেয়া হয় নানা কলা-কৌশল ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এতে অনেক অনাবাদি পতিত জমি এবার আবাদের আওতায় এসেছে। সেই সাথে কম খরচে জমি আবাদ করতে পেরেছেন কৃষকরা। অন্য বছরের তুলনায় এবার জমিতে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। কেদার প্রতি কমপক্ষে ১২ থেকে ১৩ মণ ধান পেয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। রুহেল মিয়া সহ অন্যান্য কৃষকরা জানান, এবার কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি সহায়তা ও পরামর্শে জমি আবাদ করে কম খরচে বেশি ধান পাওয়ায় অনেক খুশি হয়েছি। আগামীতে আরো বেশি করে আউশ জমি আবাদ করবো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ৪ আগস্ট শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে আউশ ধান। এবার উপজেলার কলকলিয়া, পাটলি ও মিরপুর ইউনিয়ন এলাকার উঁচু জমিতে আউশ বেশি আবাদ হয়েছে। সরকার কৃষি প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের জমি আবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষকেরাও সরকারি প্রণোদনার সুফল পাচ্ছেন। তাই জমিতে ভালো ধান পেয়ে কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। সবাই আগামীতে আউশ আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। এতে আশা করছি, আগামীতে সকল পতিত জমি আবাদের আওতায় চলে আসবে এবং আউশ আরো জনিপ্রয় হয়ে উঠবে। এবার জগন্নাথপুর উপজেলায় ২২৫১ হেক্টর আউশ জমি আবাদ হয়েছে। এতে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭৭৫ মেট্রিকটন ধান। তবে এবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় কৃষক ভাইদের সাথে আমরাও খুশি হয়েছি

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কৃতিই মানুষে-মানুষে সেতুবন্ধ রচনা করতে পারে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

আপডেট সময় : 04:50:26 pm, Friday, 4 August 2023

জগন্নাথপুর

(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জমিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন পেয়ে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।
জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আউশ ধান কাটার ধুম পড়েছে। এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মিরপুর বাজারের পাশের হাওরে উৎপাদিত স্থানীয় হলিয়ারপাড়া গ্রামের কৃষক রুহেল মিয়ার জমির পাকা ধান আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্তন করা হয়েছে। এ সময় নমুনা শস্য কর্তনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কৃষকেরা অংশ গ্রহণ করেন।
এনামুল হক, আছলম উদ্দিন, রহিম আলী, গপেশ দাস, আবদুল কাদির সহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে অনেকে জানান, হাওর বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে জগন্নাথপুর। এ উপজেলায় নিচু জলাভূমির পরিমাণ বেশি। যে কারণে বোরো ধান বেশি আবাদ হয়ে থাকে। তুলনায় উঁচু জমির পরিমাণ কম। তার উপর সকল জমি আবাদ হয় না। বোরো’র পরে রয়েছে আমনের অবস্থান। উপজেলাজুড়ে আমন কমবেশি আবাদ হয়। তবে আউশে কৃষকদের যতো অনীহা। পরিমাণে কম হলেও আউশ আবাদের যতেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও কাঙ্খিত আউশ আবাদ হচ্ছে না। ফলে অধিকাংশ আউশ জমি পতিত থাকে। কারণ হিসেবে তারা জানান, যে সময় আউশ রোপন হয়, তখন তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে পানির অভাবে জমি আবাদ কষ্টকর হয়ে যায়। তার উপর উঁচু জমি হওয়ায় কয়েকবার করে হালচাষ করতে হয়। এতে খরচ ও কষ্ট বেশি হয় থাকে। সেই তুলনায় ফলন হয় কম। এসব নানা কারণে আউশ আবাদে কৃষকরা পিছিয়ে থাকেন।
তবে এবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আউশ আবাদে কৃষকদের নানা ভাবে উৎসাহিত করা হয়। কৃষকদের খরচ কমাতে সরকারি কৃষি প্রণোদনা হিসেবে উন্নতমানের ধানের বীজ, সার সহ অন্যান্য উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। মাঠে ময়দানে গিয়ে জমি আবাদে শিখিয়ে দেয়া হয় নানা কলা-কৌশল ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এতে অনেক অনাবাদি পতিত জমি এবার আবাদের আওতায় এসেছে। সেই সাথে কম খরচে জমি আবাদ করতে পেরেছেন কৃষকরা। অন্য বছরের তুলনায় এবার জমিতে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। কেদার প্রতি কমপক্ষে ১২ থেকে ১৩ মণ ধান পেয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। রুহেল মিয়া সহ অন্যান্য কৃষকরা জানান, এবার কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি সহায়তা ও পরামর্শে জমি আবাদ করে কম খরচে বেশি ধান পাওয়ায় অনেক খুশি হয়েছি। আগামীতে আরো বেশি করে আউশ জমি আবাদ করবো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ৪ আগস্ট শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে আউশ ধান। এবার উপজেলার কলকলিয়া, পাটলি ও মিরপুর ইউনিয়ন এলাকার উঁচু জমিতে আউশ বেশি আবাদ হয়েছে। সরকার কৃষি প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের জমি আবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষকেরাও সরকারি প্রণোদনার সুফল পাচ্ছেন। তাই জমিতে ভালো ধান পেয়ে কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। সবাই আগামীতে আউশ আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। এতে আশা করছি, আগামীতে সকল পতিত জমি আবাদের আওতায় চলে আসবে এবং আউশ আরো জনিপ্রয় হয়ে উঠবে। এবার জগন্নাথপুর উপজেলায় ২২৫১ হেক্টর আউশ জমি আবাদ হয়েছে। এতে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭৭৫ মেট্রিকটন ধান। তবে এবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় কৃষক ভাইদের সাথে আমরাও খুশি হয়েছি