Dhaka , Thursday, 2 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে বিশ্বকাপ দেখতে যুবকদের প্রজেক্টর দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী নোয়াখালীতে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ কারবারি গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের মুরাদপুরে দিনদুপুরে যুবককে গুলি করে হত্যা হোটেল সোনারগাঁওয়ে নগর জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় বক্তারা কাউখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৭ জন রূপগঞ্জে সাংগঠনিক আলোচনায় বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ মধুপুরে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন রূপগঞ্জে বেদে পল্লীর ১৮০ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ রূপগঞ্জ পূর্বাচলে সার্বিক নিরাপত্তায় ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র, ২পুলিশ লাইনস, ৩ডিসি অফিসসহ ৪১টি পুলিশবক্স স্থাপনের কার্যক্রম চলছে- আইজিপি স্বরূপে ফিরেছে ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া একাডেমি এইচ এসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত রাজনগরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন, ৩১ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নাসির হত্যা মামলার আসামি শরিফকে আদালতে তোলার সময় বিক্ষোভ, ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর রূপগঞ্জে চাঁদা দাবির অভিযোগে ইউএনও’র সংবাদ সম্মেলন \ অপ-সাংবাদিকতা প্রতিকারের দাবি পাইকগাছা পৌরসভায় বাজেট ঘোষণা: প্রস্তাবিত বাজেট ৫২ কোটি ১৯ লাখ টাকা দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ মাদ্রাসা: জমি ফেরত চেয়ে ইউএনও’র কাছে আবেদন মাদারীপুর সদর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ চট্টগ্রামের কর্নফুলী চ্যানেলে লাইটার জাহাজ ডুবি, ক্রুদের জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’

UNHCR স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে: CCNF–এর অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:05:51 pm, Tuesday, 25 November 2025
  • 58 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম, কক্সবাজার:

রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে বলে অভিযোগ করেছে কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি–এনজিও ফোরাম (CCNF)। মঙ্গলবার কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়—২০২৬–২০২৭ সালের জন্য UNHCR যে অংশীদার নির্বাচন করেছে, তা “বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং নীতিবিরোধী”।
২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ককসবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

CCNF আরও জানায়, ২০২৫ সালে UNHCR-এর অংশীদারদের মধ্যে ১৩ শতাংশ ছিল স্থানীয় এনজিও। অথচ নতুন চক্রে এই হার শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে। সংগঠনের দাবি—এই সিদ্ধান্ত UNHCR-এর নিজস্ব “লোকালাইজেশন গাইডলাইন”, “গ্র্যান্ড বার্গেইন ২০১৭” এবং “পার্টনারশিপ পলিসি ২০০৭”–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF অভিযোগ করে, আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিওদের সঙ্গে অংশীদার না হয়ে সরাসরি তহবিল সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য—“INGO–গুলোর তহবিল সংগ্রহের জায়গা কক্সবাজার নয়; তাদের নিজ দেশে গিয়ে এই কাজ করা উচিত।”
সংগঠনটি আরও জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের পর প্রথম সাড়াদানকারী ছিল স্থানীয় জনগণ ও স্থানীয় এনজিওসমূহ। তাদের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের জ্ঞান সবচেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে UNHCR স্থানীয় সক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করছে, যা CCNF “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে।
অবস্থানপত্রে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়কেন্দ্রে স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ করতে হবে এবং এসব নকশা স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
এছাড়া CCNF জানায়, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য অনুমোদিত ৭০০ মিলিয়ন ডলার প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় এনজিওদের কোনো ভূমিকা রাখেনি—যা তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি সতর্ক করে আরও জানায়, উখিয়া–টেকনাফে প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন লিটারেরও বেশি ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন স্থানীয় জনগণের ভবিষ্যৎ পানির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পের পাশের ৩০০ একর নষ্ট জমিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযোগ্য করে তোলার প্রস্তাবও তারা তুলে ধরে।
CCNF-এর প্রধান দাবি UNHCR-এর ২০২৬–২০২৭ অংশীদার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বাতিল ও পুনর্বিবেচনা,বিশ্বব্যাংকের তহবিল ব্যবহারে স্থানীয় এনজিওদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা,রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ,INGOs–দের তহবিল সংগ্রহ নিজ দেশে করা বাধ্যতামূলক করা,কক্সবাজারের বাইরে থেকে আসা এনজিওদের জন্য স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্ব বাধ্যতামূলক করা।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF শেষ বক্তব্যে মন্তব্য করে— “স্থানীয়দের অবমূল্যায়ন মানে স্থানীয় জনগণকে অবমূল্যায়ন। কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রম হবে স্থানীয় নেতৃত্বনির্ভর—এটাই আমাদের দাবি।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বিশ্বকাপ দেখতে যুবকদের প্রজেক্টর দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী

UNHCR স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে: CCNF–এর অভিযোগ

আপডেট সময় : 07:05:51 pm, Tuesday, 25 November 2025

শওকত আলম, কক্সবাজার:

রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে বলে অভিযোগ করেছে কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি–এনজিও ফোরাম (CCNF)। মঙ্গলবার কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়—২০২৬–২০২৭ সালের জন্য UNHCR যে অংশীদার নির্বাচন করেছে, তা “বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং নীতিবিরোধী”।
২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ককসবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

CCNF আরও জানায়, ২০২৫ সালে UNHCR-এর অংশীদারদের মধ্যে ১৩ শতাংশ ছিল স্থানীয় এনজিও। অথচ নতুন চক্রে এই হার শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে। সংগঠনের দাবি—এই সিদ্ধান্ত UNHCR-এর নিজস্ব “লোকালাইজেশন গাইডলাইন”, “গ্র্যান্ড বার্গেইন ২০১৭” এবং “পার্টনারশিপ পলিসি ২০০৭”–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF অভিযোগ করে, আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিওদের সঙ্গে অংশীদার না হয়ে সরাসরি তহবিল সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য—“INGO–গুলোর তহবিল সংগ্রহের জায়গা কক্সবাজার নয়; তাদের নিজ দেশে গিয়ে এই কাজ করা উচিত।”
সংগঠনটি আরও জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের পর প্রথম সাড়াদানকারী ছিল স্থানীয় জনগণ ও স্থানীয় এনজিওসমূহ। তাদের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের জ্ঞান সবচেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে UNHCR স্থানীয় সক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করছে, যা CCNF “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে।
অবস্থানপত্রে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়কেন্দ্রে স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ করতে হবে এবং এসব নকশা স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
এছাড়া CCNF জানায়, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য অনুমোদিত ৭০০ মিলিয়ন ডলার প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় এনজিওদের কোনো ভূমিকা রাখেনি—যা তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি সতর্ক করে আরও জানায়, উখিয়া–টেকনাফে প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন লিটারেরও বেশি ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন স্থানীয় জনগণের ভবিষ্যৎ পানির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পের পাশের ৩০০ একর নষ্ট জমিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযোগ্য করে তোলার প্রস্তাবও তারা তুলে ধরে।
CCNF-এর প্রধান দাবি UNHCR-এর ২০২৬–২০২৭ অংশীদার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বাতিল ও পুনর্বিবেচনা,বিশ্বব্যাংকের তহবিল ব্যবহারে স্থানীয় এনজিওদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা,রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ,INGOs–দের তহবিল সংগ্রহ নিজ দেশে করা বাধ্যতামূলক করা,কক্সবাজারের বাইরে থেকে আসা এনজিওদের জন্য স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্ব বাধ্যতামূলক করা।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF শেষ বক্তব্যে মন্তব্য করে— “স্থানীয়দের অবমূল্যায়ন মানে স্থানীয় জনগণকে অবমূল্যায়ন। কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রম হবে স্থানীয় নেতৃত্বনির্ভর—এটাই আমাদের দাবি।”