
স্পোর্টস ডেস্ক,
উত্তর আমেরিকায় চলমান ফিফা বিশ্বকাপ–কে ঘিরে ইরানের সঙ্গে করা আচরণকে “কালো অধ্যায়” বলে মন্তব্য করেছেন ইরান ফুটবল ফেডারেশন–এর শীর্ষ কর্মকর্তা ও সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোমবেনি।
তিনি অভিযোগ করেন, ভ্রমণ ও প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে ইরান জাতীয় ফুটবল দল–এর প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার মতে, এই ধরনের সীমাবদ্ধতা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ফুটবলের চেতনার পরিপন্থী।
ইরানের দল বর্তমানে তাদের অনুশীলন ক্যাম্প তিহুয়ানা–তে পরিচালনা করছে। তারা অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় নিয়ে কড়াকড়ির কারণে প্রতিপক্ষ দলগুলোর তুলনায় তারা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। বিশেষ করে বেলজিয়ামের মতো দলগুলো ম্যাচের দুই দিন আগে ভেন্যুতে পৌঁছাতে পারলেও ইরানকে কেবল ম্যাচের আগের দিন প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস–এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরানকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তারা “ম্যাচ-মাইনাস-ওয়ান” নীতির আওতায় প্রবেশ করবে।
তবে ইরান ফুটবল কর্মকর্তারা এটিকে বৈষম্যমূলক বলে দাবি করছেন এবং ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দাখিল করেছেন। তাদের বক্তব্য, ফিফা–র নিয়ম অনুযায়ী ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে দলগুলোকে আগেভাগে ভেন্যুতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ প্রয়োগ করা হয়নি।
ইরানি কর্মকর্তা মোমবেনি বলেন, যারা ফিফার নিয়ম যথাযথভাবে মানতে পারে না, তাদের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা উচিত নয়—এ ধরনের পরিস্থিতি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি “দুঃখজনক দৃষ্টান্ত” হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ফলে ভ্রমণ, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে টুর্নামেন্ট ঘিরে বিতর্কও বাড়ছে।
























