Dhaka , Wednesday, 1 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ মধুপুরে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন রূপগঞ্জে বেদে পল্লীর ১৮০ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ রূপগঞ্জ পূর্বাচলে সার্বিক নিরাপত্তায় ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র, ২পুলিশ লাইনস, ৩ডিসি অফিসসহ ৪১টি পুলিশবক্স স্থাপনের কার্যক্রম চলছে- আইজিপি স্বরূপে ফিরেছে ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া একাডেমি এইচ এসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত রাজনগরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন, ৩১ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নাসির হত্যা মামলার আসামি শরিফকে আদালতে তোলার সময় বিক্ষোভ, ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর রূপগঞ্জে চাঁদা দাবির অভিযোগে ইউএনও’র সংবাদ সম্মেলন \ অপ-সাংবাদিকতা প্রতিকারের দাবি পাইকগাছা পৌরসভায় বাজেট ঘোষণা: প্রস্তাবিত বাজেট ৫২ কোটি ১৯ লাখ টাকা দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ মাদ্রাসা: জমি ফেরত চেয়ে ইউএনও’র কাছে আবেদন মাদারীপুর সদর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ চট্টগ্রামের কর্নফুলী চ্যানেলে লাইটার জাহাজ ডুবি, ক্রুদের জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে খুশি করতে মিথ্যা সংবাদ লেখার প্রয়োজন নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নের নিউক্লিয়াস বদলে যাওয়া ভিনি নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার সরাইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান

আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:06:11 pm, Wednesday, 1 July 2026
  • 1 বার পড়া হয়েছে

এম জালাল উদ্দীন, পাইকগাছা (খুলনা):

আষাঢ়ের টানা বৃষ্টি আর থেমে থেমে বর্ষণে উপকূলীয় জনপদ খুলনার পাইকগাছায় বেড়েছে ছাতার ব্যবহার। ঘর থেকে বের হলেই প্রয়োজন হচ্ছে একটি ছাতার। নতুন ছাতা কেনার পাশাপাশি অনেকেই পুরোনো ছাতা মেরামত করে ব্যবহার করছেন। ফলে বর্ষার এই মৌসুমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ছাতা মেরামতের পেশায়। বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পৌর সদরের ছাতা মিস্ত্রি কামাল শেখ।

এদিকে উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় পাইকগাছায় বর্ষা মানেই অনিশ্চিত আবহাওয়া, কালো মেঘ, হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা। সেজন্য বর্ষাকালে ছাতা হয়ে ওঠে মানুষের নিত্যসঙ্গী। এই বাড়তি প্রয়োজনীয়তার কারণে যেমন নতুন ছাতার বিক্রি বাড়ছে, তেমনি কয়েকগুণ বেড়েছে পুরোনো ছাতা মেরামতের চাহিদাও। এতে কর্মব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ছাতা মেরামতের সঙ্গে যুক্ত কারিগররা।

বুধবার(১ জুলাই) সরজমিন ঘুরে ও প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর ধরে ছাতা মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন কামাল শেখ। বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই তার কর্মস্থলে প্রতিদিন ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কেউ ভাঙা শিক ঠিক করাতে, কেউ ছেঁড়া কাপড় সেলাই করাতে, আবার কেউ নষ্ট হাতল কিংবা স্প্রিং পরিবর্তন করতে আসছেন। অল্প খরচে পুরোনো ছাতা আবার ব্যবহার উপযোগী হয়ে যাওয়ায় নতুন ছাতা কেনার পরিবর্তে অনেকেই মেরামতের দিকেই ঝুঁকছেন।

বর্তমানে তিনি পাইকগাছা পৌর সদরের পোস্ট অফিস মোড় সংলগ্ন আশিক পেপার স্টলের পাশে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাতা মেরামতের কাজ করছেন।

কামাল শেখ বলেন, বর্ষাকালই আমাদের কাজের মূল সময়। বছরের অন্য সময় কাজ কম থাকে। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হলেই কাজের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫টি ছাতা মেরামত করি। এতে দৈনিক প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। তিনি আরো বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছাতা মেরামত করতে আসেন মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে ছাতা এখন আর শুধু একটি ব্যবহার্য সামগ্রী নয়, বরং দৈনন্দিন চলাচলের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়মিত ছাতা ব্যবহার করছেন। ফলে পুরোনো ছাতা মেরামতের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আষাঢ়ের অবিরাম বৃষ্টিধারা যেমন প্রকৃতিকে সজীব করে তোলে, তেমনি ছাতা মিস্ত্রি কামাল শেখের মতো ক্ষুদ্র পেশাজীবীদের জীবনেও নিয়ে আসে কর্মব্যস্ততা ও বাড়তি আয়ের সুযোগ। বছরের এই কয়েকটি বর্ষার মাসই তাদের জীবিকার অন্যতম প্রধান ভরসা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম

আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম

আপডেট সময় : 05:06:11 pm, Wednesday, 1 July 2026

এম জালাল উদ্দীন, পাইকগাছা (খুলনা):

আষাঢ়ের টানা বৃষ্টি আর থেমে থেমে বর্ষণে উপকূলীয় জনপদ খুলনার পাইকগাছায় বেড়েছে ছাতার ব্যবহার। ঘর থেকে বের হলেই প্রয়োজন হচ্ছে একটি ছাতার। নতুন ছাতা কেনার পাশাপাশি অনেকেই পুরোনো ছাতা মেরামত করে ব্যবহার করছেন। ফলে বর্ষার এই মৌসুমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ছাতা মেরামতের পেশায়। বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পৌর সদরের ছাতা মিস্ত্রি কামাল শেখ।

এদিকে উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় পাইকগাছায় বর্ষা মানেই অনিশ্চিত আবহাওয়া, কালো মেঘ, হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা। সেজন্য বর্ষাকালে ছাতা হয়ে ওঠে মানুষের নিত্যসঙ্গী। এই বাড়তি প্রয়োজনীয়তার কারণে যেমন নতুন ছাতার বিক্রি বাড়ছে, তেমনি কয়েকগুণ বেড়েছে পুরোনো ছাতা মেরামতের চাহিদাও। এতে কর্মব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ছাতা মেরামতের সঙ্গে যুক্ত কারিগররা।

বুধবার(১ জুলাই) সরজমিন ঘুরে ও প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর ধরে ছাতা মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন কামাল শেখ। বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই তার কর্মস্থলে প্রতিদিন ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কেউ ভাঙা শিক ঠিক করাতে, কেউ ছেঁড়া কাপড় সেলাই করাতে, আবার কেউ নষ্ট হাতল কিংবা স্প্রিং পরিবর্তন করতে আসছেন। অল্প খরচে পুরোনো ছাতা আবার ব্যবহার উপযোগী হয়ে যাওয়ায় নতুন ছাতা কেনার পরিবর্তে অনেকেই মেরামতের দিকেই ঝুঁকছেন।

বর্তমানে তিনি পাইকগাছা পৌর সদরের পোস্ট অফিস মোড় সংলগ্ন আশিক পেপার স্টলের পাশে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাতা মেরামতের কাজ করছেন।

কামাল শেখ বলেন, বর্ষাকালই আমাদের কাজের মূল সময়। বছরের অন্য সময় কাজ কম থাকে। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হলেই কাজের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫টি ছাতা মেরামত করি। এতে দৈনিক প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। তিনি আরো বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছাতা মেরামত করতে আসেন মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে ছাতা এখন আর শুধু একটি ব্যবহার্য সামগ্রী নয়, বরং দৈনন্দিন চলাচলের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়মিত ছাতা ব্যবহার করছেন। ফলে পুরোনো ছাতা মেরামতের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আষাঢ়ের অবিরাম বৃষ্টিধারা যেমন প্রকৃতিকে সজীব করে তোলে, তেমনি ছাতা মিস্ত্রি কামাল শেখের মতো ক্ষুদ্র পেশাজীবীদের জীবনেও নিয়ে আসে কর্মব্যস্ততা ও বাড়তি আয়ের সুযোগ। বছরের এই কয়েকটি বর্ষার মাসই তাদের জীবিকার অন্যতম প্রধান ভরসা।