
নিউজ ডেস্ক,
ভিনিসিয়ুস ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদ–এর হয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ম্যাচ-উইনার, কিন্তু ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল–এর জার্সিতে শুরুতে তার পারফরম্যান্স ছিল অনিয়মিত। ৩৯ ম্যাচে ১১ গোল-অ্যাসিস্টের মতো পরিসংখ্যান সেই সময় তাকে পুরোপুরি “নিজের মতো ভিনি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।
এই জায়গাতেই বড় পরিবর্তন আসে কোচ কার্লো আনচেলত্তি–র অধীনে। ক্লাব ও খেলোয়াড় সম্পর্কের সেই পুরোনো আস্থার জায়গাটা জাতীয় দলেও নিয়ে আসেন তিনি। ফলাফল হিসেবে ভিনিসিয়ুসের অবদান নাটকীয়ভাবে বাড়ে—১২ ম্যাচে ৯টি গোল অবদান, যেখানে গোল ও অ্যাসিস্ট দুটোই সমানভাবে এসেছে।
এই পরিবর্তনের পেছনের মূল বিষয়টি পরিসংখ্যান নয়, বরং আত্মবিশ্বাস। ভিনির ক্ষেত্রে বারবার যে প্রশ্নটা ঘুরে এসেছে—“আমি কি যথেষ্ট?”—সেই মানসিক চাপ কাটিয়ে ওঠার গল্পই এখানে কেন্দ্রে।
বিশ্বকাপ মঞ্চেও ভিনি এখন আর “প্রতিশ্রুতির খেলোয়াড়” নন, বরং বাস্তব প্রভাব রাখছেন—যেমন ফিফা বিশ্বকাপ–এ তার গোল ও অ্যাসিস্ট ব্রাজিলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে।
আর সামনের ম্যাচে স্কটল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল–এর বিপক্ষে তার সামনে আছে নতুন আরেকটা পরীক্ষা—যেখানে প্রমাণ করতে হবে, এই “নতুন ভিনি” কোনো সাময়িক ফর্ম নয়, বরং স্থায়ী পরিবর্তনের শুরু।
সব মিলিয়ে লেখার মূল বক্তব্য হলো—ভিনির উন্নতি শুধু টেকনিক বা ফর্মের নয়, বরং আস্থার কারণে হওয়া মানসিক মুক্তির ফল।

























