
এম জালাল, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি,
খুলনার পাইকগাছা থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ৬ লাখ ২০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের উদ্যোগে পুরো টাকা ফেরত পেয়েছেন ভুক্তভোগী মাহাবুর রহমান।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাহাবুর রহমান রাজশাহীর মতিহার থানার আব্দুল মালেক দপ্তরির ছেলে। তিনি গত চার বছর ধরে পাইকগাছায় ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালসের মেডিকেল প্রমোশন অফিসার (এমপিও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। রাজশাহীর মোহনপুরে সোনালী ব্যাংকের মৌগাছী শাখায় তাঁর (২৯০১২২১০২৫১৯৭) ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা তিনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালনা করেন।
গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে হঠাৎ আপডেট চাওয়া হয়। বিষয়টি না বুঝে তিনি আপডেট দেন। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফোনটি পুনরায় চালু হলে সোনালী ব্যাংক থেকে পরপর দুটি লেনদেনের বার্তা পান। পরে ব্যাংক হিসাব যাচাই করে দেখতে পান, তাঁর হিসাব থেকে ৬ লাখ ২০ টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ধারণা, অজ্ঞাতনামা প্রতারক চক্র তাঁর মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করে।
এদিকে এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের দিকনির্দেশনায় এসআই একরামের নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে। পুলিশের তৎপরতা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতারকরা টাকা উত্তোলন করতে ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর ব্যাংক হিসাবে পুরো ৬ লাখ ২০ টাকা ফেরত আসে।
দ্রুত পদক্ষেপে খোয়া যাওয়া টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মাহাবুর রহমান।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পাইকগাছা থানা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”

























