Dhaka , Wednesday, 28 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছা হাসপাতালে বৃদ্ধার হারানো টাকা ফিরিয়ে দিলেন হসপিটাল কর্মী নাসিম খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে- ফজলুল হক মিলন, এমপি ‘আমার ক্যারিয়ার ধ্বংসের চেষ্টা করছে কারা?’ প্রশ্ন তানজিন তিশার স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন তাওহিদ ট্রাম্পের চালেই কি ঘুরে দাঁড়ালেন নেতানিয়াহু? নতুন জেলেসুমারির দাবি জেলেদের : অসংখ্য ভুয়া জেলের কারণে বঞ্চিত প্রকৃত জেলেরা “চন্দনাইশে বরকলে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দিনদুপুরে চুরি ও মালামাল লুট” রামুতে টমটমের ধাক্কায় প্রাণ গেল দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহির : স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবিতে সড়ক অবরোধ রামুতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার চন্দনাইশে নবনির্মিত বাসভবন শুভ উদ্বোধন ও আকিকা অনুষ্ঠান সম্পন্ন মধুপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী চট্টগ্রামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত পাইকগাছায় তিন বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩ পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ‘উন্নয়ন অংশীদারিত্ব’ আরও জোরদার হবে: খন্দকার মারুফ মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জের, মাদারীপুরে ৫০ অধিক বাড়িতে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ৷ দিনাজপুরে ৭২ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ট্রাক আটক, চালক গ্রেপ্তার বাউফলে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ময়মনসিংহে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন সাংবাদিকরা দীঘিনালায় ৭ অসহায় পাহাড়ি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাল সেনাবাহিনীর উদ্যোগ নেত্রকোনার মদনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, শিক্ষার্থীদের দেখানো হলো সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার কৌশল গাইবান্ধায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কাউখালীতে ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ইউএনও’র হাত ধোয়ার প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা কাউখালীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী চরভদ্রাসনে আইনশৃঙ্খলা সভা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ও অপরাধ দমনে গুরুত্বারোপ। “আত্মউন্নয়ন নয়, বরং সুবিধাবঞ্চিত গণমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের মূল ব্রত”— হাটহাজারীতে ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে ও দেশের উন্নয়নে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল’র

ময়মনসিংহে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন সাংবাদিকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:04:53 pm, Wednesday, 28 October 2026
  • 6 বার পড়া হয়েছে

মোঃ মিন্টু মিয়া,

ময়মনসিংহ অঞ্চলে গত তিন বছরে পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি ঘিরে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে সাত দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।

আগামী ২ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে জামালপুর জেলা ও ময়মনসিংহ নগরীতেও কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছেন পাঁচ নিহত সাংবাদিক নেত্রকোনার দুর্গাপুরের লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, জামালপুরের বকশীগঞ্জের গোলাম রব্বানী নাদিম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শেলু আকন্দ, গাজীপুরে নিহত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিন এবং ময়মনসিংহ নগরীতে নিহত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী, বিচার কত দূর?
সাংবাদিক হত্যার প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ, হামলাকারীদের পরিচয়, সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।

বিশেষ করে অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক হুমকির মুখে পড়েছিলেন কি না, আগেই নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও ময়মনসিং অঞ্চলে ৪ জেলায় সাংবাদিকরা হুমকির জিডি করলে পুলিশ কি ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন এ ঘটনায় ৩ জন সিনিয়র সাংবাদিক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ১৫ দিনের মধ্যে ৪ জেলায় পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের বিচার কি অবস্থায় আছে এবং কতগুলো জিডি হয়েছে এবং হুমদাতাদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছেন সব ঘটনা তদন্ত কমিটি তুলে নিয়ে আসবে।

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এসব প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং এর আগে হামলার শিকারও হয়েছিলেন। তাঁর হত্যার সঙ্গে পূর্ববর্তী হামলা কিংবা তাঁর সাংবাদিকতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিচারহীনতার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন
সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির মনোভাব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দুর্নীতি ও অপরাধের সংবাদ প্রকাশ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য উদ্‌ঘাটনের কাজও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
তবে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের গ্রেপ্তার, অভিযোগপত্র দাখিল কিংবা বিচার শুরুর তথ্য এক নয়। তাই প্রতিটি মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।

তিন জেলায় কর্মসূচি, সাত দফায় প্রতিবাদ
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের ঘোষিত কর্মসূচির প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হবে ২ নভেম্বর সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সুবিধার্থে সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় থেকে দুটি বাস ছাড়ার কথা জানিয়েছে আয়োজকরা। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও সাংবাদিকেরা নিজস্ব পরিবহনে অংশ নেবেন।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেছেন, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে। তাঁদের দাবি, প্রতিহিংসা নয় আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

যে দাবিগুলো সামনে আসছে:
আন্দোলন থেকে হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িত ও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুমকির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত এবং ঝুঁকিতে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ দল-মত ও সাংগঠনিক বিভেদ ভুলে সব সাংবাদিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমকর্মীকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ঘোষিত এ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর চাপ তৈরি করতে পারে, তা নির্ভর করবে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর প্রকৃত অগ্রগতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছা হাসপাতালে বৃদ্ধার হারানো টাকা ফিরিয়ে দিলেন হসপিটাল কর্মী নাসিম

ময়মনসিংহে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন সাংবাদিকরা

আপডেট সময় : 07:04:53 pm, Wednesday, 28 October 2026

মোঃ মিন্টু মিয়া,

ময়মনসিংহ অঞ্চলে গত তিন বছরে পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি ঘিরে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে সাত দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।

আগামী ২ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে জামালপুর জেলা ও ময়মনসিংহ নগরীতেও কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছেন পাঁচ নিহত সাংবাদিক নেত্রকোনার দুর্গাপুরের লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, জামালপুরের বকশীগঞ্জের গোলাম রব্বানী নাদিম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শেলু আকন্দ, গাজীপুরে নিহত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিন এবং ময়মনসিংহ নগরীতে নিহত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী, বিচার কত দূর?
সাংবাদিক হত্যার প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ, হামলাকারীদের পরিচয়, সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।

বিশেষ করে অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক হুমকির মুখে পড়েছিলেন কি না, আগেই নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও ময়মনসিং অঞ্চলে ৪ জেলায় সাংবাদিকরা হুমকির জিডি করলে পুলিশ কি ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন এ ঘটনায় ৩ জন সিনিয়র সাংবাদিক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ১৫ দিনের মধ্যে ৪ জেলায় পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের বিচার কি অবস্থায় আছে এবং কতগুলো জিডি হয়েছে এবং হুমদাতাদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছেন সব ঘটনা তদন্ত কমিটি তুলে নিয়ে আসবে।

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এসব প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং এর আগে হামলার শিকারও হয়েছিলেন। তাঁর হত্যার সঙ্গে পূর্ববর্তী হামলা কিংবা তাঁর সাংবাদিকতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিচারহীনতার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন
সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির মনোভাব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দুর্নীতি ও অপরাধের সংবাদ প্রকাশ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য উদ্‌ঘাটনের কাজও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
তবে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের গ্রেপ্তার, অভিযোগপত্র দাখিল কিংবা বিচার শুরুর তথ্য এক নয়। তাই প্রতিটি মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।

তিন জেলায় কর্মসূচি, সাত দফায় প্রতিবাদ
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের ঘোষিত কর্মসূচির প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হবে ২ নভেম্বর সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সুবিধার্থে সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় থেকে দুটি বাস ছাড়ার কথা জানিয়েছে আয়োজকরা। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও সাংবাদিকেরা নিজস্ব পরিবহনে অংশ নেবেন।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেছেন, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে। তাঁদের দাবি, প্রতিহিংসা নয় আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

যে দাবিগুলো সামনে আসছে:
আন্দোলন থেকে হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িত ও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুমকির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত এবং ঝুঁকিতে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ দল-মত ও সাংগঠনিক বিভেদ ভুলে সব সাংবাদিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমকর্মীকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ঘোষিত এ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর চাপ তৈরি করতে পারে, তা নির্ভর করবে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর প্রকৃত অগ্রগতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর।