
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় সব ধরনের প্রস্তুতি রাখার কথা জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংঘাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।
ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাভেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ম্যাথিউ শ্মিডট বলেন, কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের আশঙ্কা কম হলেও এ নিয়ে কানাডার প্রস্তুতি দুই দেশের সম্পর্কের পরিবর্তিত বাস্তবতা তুলে ধরছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত শুরু হলে সামরিক শক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে থাকবে। কানাডার কৌশলগত অবস্থানগুলো দ্রুত চাপে পড়তে পারে এবং দেশটির বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধে ভিন্ন কৌশল নিতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কানাডা ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মতো মিত্রদের সহায়তা চাইতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে কানাডা নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর আকার বাড়ানোর পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক নাগরিক-সৈনিক যুক্ত করার পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে।
তবে বিশ্লেষক শ্মিডট মনে করেন, কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে জটিল হবে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও যৌথ প্রশিক্ষণের বিষয়টিও এতে গুরুত্বপূর্ণ।
তার মতে, সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও কৌশলগত অবস্থানের দিকে নজর দিতে পারে। তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।


























