Dhaka , Friday, 2 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রাড্ডা সেন্টারে হামলার ঘটনায় নাম আসতেই পদত্যাগ করলেন এমপি মিষ্টি সীতাকুণ্ডে শিপ ইয়ার্ড পরিদর্শনে আরিফুল হক চৌধুরী, জাহাজ ভাঙা শিল্পে সরকারি সহায়তার আশ্বাস মন্ত্রীর নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা শ্রমিকদের আবাসন, সন্তানদের শিক্ষা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে চট্টগ্রাম থেকেই কাজ শুরু হবে: আরিফুল হক চৌধুরী মাদকে জিরো টলারেন্স ও অপরাধমুক্ত নানিয়ারচর গড়তে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অঙ্গীকার রাজনগরের ব্যবসায়ীকে ২০০ কোটি টাকার কয়েনের প্রলোভন, বক্স খুলে মিলল সাপ! শিক্ষাই বদলে দিতে পারে জীবনের গতিপথ: ফাহমিদা হক এমপি ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ, মধুপুরে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪; দুই মাদক কারবারির কারাদণ্ড পাইকগাছায় পুশবিরোধী অভিযানে জরিমানা; দেড় লাখ রেণু অবমুক্ত দীঘিনালায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শেষে ৪২ শিক্ষার্থীকে সনদ রামুর কচ্ছপিয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সমাবেশ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত পিডি গফুর’কে অব্যাহতি দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড চীনের মেসি এবার সত্যিই ‘ডক্টর’, মিলছে সম্মানসূচক ডক্টরেট পুঁজিবাজারকে ইনস্টিটিউশনাল ও পেপারলেস করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর যেভাবে ছাত্র রাজনীতি থেকে এমপি হন মিষ্টি এফবিএমএসএর নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন সভাপতি ডা. রশিদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. গোলাম সারোয়ার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে পদত্যাগের প্রশ্নে যা বললেন এমপি মিষ্টি মির্জাপুরে দুর্গা মন্দিরে ৭ প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপন রাসেল আহমেদ সাগর মৌলভীবাজার শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি নির্বাচিত। ব্রাক ইউনিভার্সিটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইজিডির “রকি অ্যাওয়ার্ড”- মাঠপর্যায়ের কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি পদক পেলেন রামুর সাঈদ হোসাইন আকাশ রাউজানে পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদ্‌যাপন নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮ রামুতে সাড়ে তিন মাসে হামের উপসর্গে ২১০ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন পূর্বধলায় পশুর হাট ইজারা নিয়ে সংঘর্ষ: জামায়াতের ২৫ নেতা-কর্মী কারাগারে মধুপুর প্রেসক্লাবের দ্বিতল ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন স্কুল নাকি মাদ্রাসা—ডেমরায় ভিন্নধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ইনস্টিটিউট

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে চবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চিত্র প্রদর্শনী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:07:14 pm, Friday, 18 September 2026
  • 57 বার পড়া হয়েছে
সজল চন্দ্র রায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মহান শিক্ষা দিবস এবং ১৯৬২ সালের ঐতিহাসিক শিক্ষা আন্দোলনের স্মৃতি রক্ষায় চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল’, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা ব্যবস্থা সংকোচনের লক্ষ্যে তৎকালীন শিক্ষা সচিব এস এম শরীফের নেতৃত্বে ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ (যা শরীফ কমিশন নামে পরিচিত) গঠন করেন। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত এই কমিশনের প্রতিবেদনে শিক্ষাকে পণ্যে রূপান্তর, তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স চালু, অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা বাতিল এবং কঠোর ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। শাসকগোষ্ঠীর এই বৈষম্যমূলক ও বাণিজ্যিক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে তৎকালীন ছাত্রসমাজ তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশে হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা ও ওয়াজিউল্লাহসহ কয়েকজন শহীদ হন। শিক্ষার্থীদের সেই মহান আত্মত্যাগের দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর ‘মহান শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া চিত্র প্রদর্শনীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের ইতিহাস, শিক্ষার অধিকার, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার নানা সংকট এবং শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও আলোকচিত্র তুলে ধরা হয়। চিত্র প্রদর্শনীর পর শিক্ষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব এমদাদ উল্লাহ বলেন, “১৯৬২ সালের এই দিনে শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে বাবুল, ওয়াজিউল্লাহসহ আন্দোলনকারীরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দেন। তাঁদের আন্দোলনের মূল দাবি ছিল— শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা জনগণের অধিকার। তাঁদের উচ্চারিত ঐতিহাসিক স্লোগান ‘টাকা যার, শিক্ষা তার/এই নীতি মানি না’ তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সংগ্রামী অবস্থানকে স্পষ্ট করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “অধিকার কেউ হাতে তুলে দেয় না; অধিকার আদায় করে নিতে হয়। আজ শিক্ষাকে মুনাফা অর্জনের পণ্যে পরিণত করার প্রবণতা সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের শিক্ষার অধিকারকে সংকুচিত করছে। তাই শিক্ষার ব্যয় কমানো, বৈষম্য দূর করা এবং সবার জন্য মানসম্মত ও গণমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”
সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য রিশাদ আমীন বর্ণ বলেন, “১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকার সচেতনতা জাগিয়ে তুলতেই আমাদের এই প্রচেষ্টা। মহান শিক্ষা দিবসের শহীদদের স্মরণ করে আমরা একটি বৈষম্যহীন, গণমুখী ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।”
অনুষ্ঠান থেকে বগুড়ায় শিক্ষা আন্দোলন দিবস উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের সময় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে প্রচার-প্রচলনা চালানো একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। এ ধরনের কর্মসূচিতে হামলা ও বাধা প্রদান গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তাঁরা অনতিবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাড্ডা সেন্টারে হামলার ঘটনায় নাম আসতেই পদত্যাগ করলেন এমপি মিষ্টি

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে চবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চিত্র প্রদর্শনী

আপডেট সময় : 09:07:14 pm, Friday, 18 September 2026
সজল চন্দ্র রায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মহান শিক্ষা দিবস এবং ১৯৬২ সালের ঐতিহাসিক শিক্ষা আন্দোলনের স্মৃতি রক্ষায় চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল’, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা ব্যবস্থা সংকোচনের লক্ষ্যে তৎকালীন শিক্ষা সচিব এস এম শরীফের নেতৃত্বে ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ (যা শরীফ কমিশন নামে পরিচিত) গঠন করেন। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত এই কমিশনের প্রতিবেদনে শিক্ষাকে পণ্যে রূপান্তর, তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স চালু, অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা বাতিল এবং কঠোর ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। শাসকগোষ্ঠীর এই বৈষম্যমূলক ও বাণিজ্যিক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে তৎকালীন ছাত্রসমাজ তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশে হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা ও ওয়াজিউল্লাহসহ কয়েকজন শহীদ হন। শিক্ষার্থীদের সেই মহান আত্মত্যাগের দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর ‘মহান শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া চিত্র প্রদর্শনীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের ইতিহাস, শিক্ষার অধিকার, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার নানা সংকট এবং শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও আলোকচিত্র তুলে ধরা হয়। চিত্র প্রদর্শনীর পর শিক্ষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব এমদাদ উল্লাহ বলেন, “১৯৬২ সালের এই দিনে শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে বাবুল, ওয়াজিউল্লাহসহ আন্দোলনকারীরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দেন। তাঁদের আন্দোলনের মূল দাবি ছিল— শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা জনগণের অধিকার। তাঁদের উচ্চারিত ঐতিহাসিক স্লোগান ‘টাকা যার, শিক্ষা তার/এই নীতি মানি না’ তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সংগ্রামী অবস্থানকে স্পষ্ট করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “অধিকার কেউ হাতে তুলে দেয় না; অধিকার আদায় করে নিতে হয়। আজ শিক্ষাকে মুনাফা অর্জনের পণ্যে পরিণত করার প্রবণতা সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের শিক্ষার অধিকারকে সংকুচিত করছে। তাই শিক্ষার ব্যয় কমানো, বৈষম্য দূর করা এবং সবার জন্য মানসম্মত ও গণমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”
সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য রিশাদ আমীন বর্ণ বলেন, “১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকার সচেতনতা জাগিয়ে তুলতেই আমাদের এই প্রচেষ্টা। মহান শিক্ষা দিবসের শহীদদের স্মরণ করে আমরা একটি বৈষম্যহীন, গণমুখী ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।”
অনুষ্ঠান থেকে বগুড়ায় শিক্ষা আন্দোলন দিবস উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের সময় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে প্রচার-প্রচলনা চালানো একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। এ ধরনের কর্মসূচিতে হামলা ও বাধা প্রদান গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তাঁরা অনতিবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।