
মাসুদ রানা মনি, রামগঞ্জ লক্ষ্মীপুর,
বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে কাঁচাবাজারে সবজির দাম সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে গেছে, গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া টমেটো এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শশা ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা, শিম ৮০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গার দাম ৭০ গত সপ্তাহে যা কেজিপ্রতি ছিল ৪০ টাকা। করলা ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা এবং লাউ ৪০ টাকা জায়গায় ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কম হলেও শশা ৮০ টাকা গাজর ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে মাছ ও মুরগির দামও বেড়েছে। দুই কেজি ওজনের কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, দেড় কেজি ওজনের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা থেকে ৪৭০ টাকা, ২০০ গ্রামের ইলিশ ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ হতে ৩৫০ টাকা সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকা থেকে ৩৭০ টাকায় এবং ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকায়।
বাজার করতে আসা ক্রেতা মো. সাহেদ বলেছেন, ‘প্রতিদিনই বাজারে এসে নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। যে টাকা নিয়ে বাজারে আসি, তাতে প্রয়োজনীয় সবজি কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসার চালানো এখন খুব কষ্টের। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’
সবজি বিক্রেতা মো. মাইনুদ্দিন সবুজ জানান, ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যাপ্ত সবজি বাজারে আসছে না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, সেই প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।
মাছ ব্যবসায়ী ঈমান হোসেনে,দেলোয়ার, লক্ষণ মজুমদার বলেন , বর্ষাকাল হওয়ার পরেও মাছের দাম কমেনি। পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকানে দামের পার্থক্য ৫ থেকে ২০ টাকা। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরবরাহ বাড়লে সবজি ও মাছের দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে আপাতত টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
কঠিন হয়ে যাচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসার চালানো এখন খুব কষ্টের। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’
সবজি বিক্রেতা মো. মাইনুদ্দিন সবুজ জানান, ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যাপ্ত সবজি বাজারে আসছে না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, সেই প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।
মাছ ব্যবসায়ী ঈমান হোসেনে,দেলোয়ার, লক্ষণ মজুমদার বলেন , বর্ষাকাল হওয়ার পরেও মাছের দাম কমেনি। পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকানে দামের পার্থক্য ৫ থেকে ২০ টাকা। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরবরাহ বাড়লে সবজি ও মাছের দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে আপাতত টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।


























