Dhaka , Wednesday, 8 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল ফতুল্লায় হত্যা মামলা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় ইমনের বাবাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, গুলি ছুড়ে পালানোর অভিযোগ এমভি নাসরিন দুর্ঘটনার ২৫ বছর ৮ জুলাই “নিরাপদ নৌ দিবস” হিসেবে জাতীয় ঘোষণার দাবী মধুপুরে পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করে নজির স্হাপন করলেন তৃতীয় লিঙ্গের প্রেমা উয়ারী-বটেশ্বরের ঐতিহ্য তুলে ধরতে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন মধুপুরে হেরোইন ও ইয়াবা সহ ২ মাদক কারবারি আটক রামগঞ্জে যুবলীগের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল গ্রেপ্তার রাবিতে পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশন প্রতিনিধিদলের সফর সাভারে হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ রূপগঞ্জে জিন তাড়ানোর নামে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন রূপগঞ্জে শপিংয়ের প্রলোভনে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ ক্যানসারে আক্রান্ত সন্তানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শহীদ জাহিদের মা চসিকের ৩৩০০ পরিচ্ছন্ন শ্রমিকের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ। ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত।  চা দোকানের আড়ালে গাঁজা বিক্রি, দোকানি গ্রেপ্তার প্রকাশ্যে মাদক সেবন, যুবকের ২০ দিনের কারাদণ্ড মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু সম্প্রীতি ও পেশাগত বন্ধন আরও দৃঢ় করতেই নারায়ণগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের বনভোজন ফতুল্লার কারখানায় মেশিনে হাত ঢুকে শ্রমিকের মৃত্যু রূপগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে ৩জনকে কুপিয়ে জখম,থানায় মামলা মধুপুরে অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ উদ্ধার স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে শিশুরা—তবে কী স্বপ্ন হারাচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ? পাইকগাছায় জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন; পৌরসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা মধুপুরে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড মধুপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত চাচাতো বোনকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড

এমভি নাসরিন দুর্ঘটনার ২৫ বছর ৮ জুলাই “নিরাপদ নৌ দিবস” হিসেবে জাতীয় ঘোষণার দাবী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:43:26 pm, Wednesday, 8 July 2026
  • 1 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নদী পথে যেকোনো নৌ দূর্ঘটনা ঘটলেই মনে পড়ে যায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনা। ২০০৩ সালের ৮ জুলাই চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চটি ডুবে যায়। প্রায় ৮ শতর বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহন গন্তব্যস্হলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪০০ জনের থাকলেও কিন্তু সেসময় ৮ শতাধিক উপর যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে শুরু করে। এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনায় সরকারি হিসাবে ১১০ জনের মৃত্যু ও প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও, বেসরকারি ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী ওই দুর্ঘটনায় প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের সলিল সমাধি ঘটে।
এটি বাংলাদেশের নৌযান দুর্ঘটনার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তবে ১৯৮৬ সালেও একবার ৭ শতাধিক উপর জন যাত্রী নিয়ে একই জায়গা ত্রিমোহনীতে লঞ্চডুবের দূর্ঘটনা ঘটে, সেসময় ৬০০ এর অধিক যাত্রীর প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির ঘটনার আজ ২৫ বছর পুণ্য হতে চলছে। বাংলাদেশে বিগত ৫৫ বছরেও নৌপথটি নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেনি বলে জানান, “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ জুলাই তারিখ “নিরাপদ নৌপথ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করার দাবীতে সরকারের প্রতি কয়েকবার স্মারকলিপি ও মন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয় “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন কমিটির”। আলোচনা হয় নৌপথে গতিশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নৌপথের অতিত, বর্তমান ও ভবিষৎ নিয়ে। এ দেশের বহু এলাকায় রেলপথ ও সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধা নেই এখনও| আবার অনেক এলাকায় থাকলেও তা অনেক ঘুরপথ এবং বেশ ঝামেলাপূর্ণ। কোথাও লঞ্চ-স্টীমার এর মতো বড় নৌ-যান চলাচলে উপযোগী নৌপথও নেই। এসব এলাকায় নৌকাই সাচ্ছন্দ্য এবং সর্বাপেক্ষা পছন্দের বাহন। এখানকার
ভৌ-গোলিক প্রকৃতিতে বড় অংশ নিম্নাঞ্চল। সমগ্র দেশজুড়ে প্রবাহিত নদনদী, বিল, হাওর, খাল শিরা-
উপশিরার মত ছড়িয়ে আছে এদেশে।
বাংলাদেশ যেহেতু নদীমাতৃক দেশ, সেক্ষেত্রে নৌপথকে নৌপরিবহন জাতীয় হিসেবে ঘোষণা করারও দাবী জানিয়ে আসছে “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”। বাংলাদেশের উপকুলী বিষয় নিয়ে নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন এর সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে নৌপথ প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থল হিসেবে এর প্রসার ঘটলেও নদীতীরবর্তী এলাকা এবং হাওর অঞ্চলে তেমন প্রসার ঘটেনি। হাওর অঞ্চলে অবস্থা আরো সমস্যা সংকুল। চরম
অব্যবস্থাপনা এমনকি সরকারের কাছেও এ সকল নৌপথ গুরুত্বহীন। যার প্রমাণ নদী ও হাওর অঞ্চলে ট্রলারডুবি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু। যেগুলোকে নদীবন্দর হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও নিয়মিত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে
এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সুদৃঢ়
হয়েছে। এছাড়া দ্বীপাঞ্চলে নৌ․-পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। ইহা সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে আর গতিশীলতা বাড়াতে হবে।
নৌ-শুমারী বিষয়ে চট্টগ্রাম থেকে “কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের” সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ বলেন, নৌ-শুমারী সঠিকভাবে করা হয়না, এখানে একটা গাফিলতি আছে। সরকারের দায়িত্ব থাকা দপ্তর গুলো একটা গা-সারা কর্তব্য পালন করেন। সঠিকভাবে তুলে আনতে নৌ-শুমারী এবং সেটা সরকারি গেজেট আকারে প্রতি বছর প্রকাশ করতে জনসাধারণের সামনে। ঠিক তদরুপ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টিও একটা ধোঁয়াসার মধ্যেই থেকে যায়। আমাদের দাবী সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে তা জনসম্মুখে আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

এমভি নাসরিন দুর্ঘটনার ২৫ বছর ৮ জুলাই “নিরাপদ নৌ দিবস” হিসেবে জাতীয় ঘোষণার দাবী

আপডেট সময় : 01:43:26 pm, Wednesday, 8 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নদী পথে যেকোনো নৌ দূর্ঘটনা ঘটলেই মনে পড়ে যায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনা। ২০০৩ সালের ৮ জুলাই চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চটি ডুবে যায়। প্রায় ৮ শতর বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহন গন্তব্যস্হলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪০০ জনের থাকলেও কিন্তু সেসময় ৮ শতাধিক উপর যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে শুরু করে। এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনায় সরকারি হিসাবে ১১০ জনের মৃত্যু ও প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও, বেসরকারি ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী ওই দুর্ঘটনায় প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের সলিল সমাধি ঘটে।
এটি বাংলাদেশের নৌযান দুর্ঘটনার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তবে ১৯৮৬ সালেও একবার ৭ শতাধিক উপর জন যাত্রী নিয়ে একই জায়গা ত্রিমোহনীতে লঞ্চডুবের দূর্ঘটনা ঘটে, সেসময় ৬০০ এর অধিক যাত্রীর প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির ঘটনার আজ ২৫ বছর পুণ্য হতে চলছে। বাংলাদেশে বিগত ৫৫ বছরেও নৌপথটি নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেনি বলে জানান, “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ জুলাই তারিখ “নিরাপদ নৌপথ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করার দাবীতে সরকারের প্রতি কয়েকবার স্মারকলিপি ও মন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয় “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন কমিটির”। আলোচনা হয় নৌপথে গতিশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নৌপথের অতিত, বর্তমান ও ভবিষৎ নিয়ে। এ দেশের বহু এলাকায় রেলপথ ও সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধা নেই এখনও| আবার অনেক এলাকায় থাকলেও তা অনেক ঘুরপথ এবং বেশ ঝামেলাপূর্ণ। কোথাও লঞ্চ-স্টীমার এর মতো বড় নৌ-যান চলাচলে উপযোগী নৌপথও নেই। এসব এলাকায় নৌকাই সাচ্ছন্দ্য এবং সর্বাপেক্ষা পছন্দের বাহন। এখানকার
ভৌ-গোলিক প্রকৃতিতে বড় অংশ নিম্নাঞ্চল। সমগ্র দেশজুড়ে প্রবাহিত নদনদী, বিল, হাওর, খাল শিরা-
উপশিরার মত ছড়িয়ে আছে এদেশে।
বাংলাদেশ যেহেতু নদীমাতৃক দেশ, সেক্ষেত্রে নৌপথকে নৌপরিবহন জাতীয় হিসেবে ঘোষণা করারও দাবী জানিয়ে আসছে “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”। বাংলাদেশের উপকুলী বিষয় নিয়ে নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন এর সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে নৌপথ প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থল হিসেবে এর প্রসার ঘটলেও নদীতীরবর্তী এলাকা এবং হাওর অঞ্চলে তেমন প্রসার ঘটেনি। হাওর অঞ্চলে অবস্থা আরো সমস্যা সংকুল। চরম
অব্যবস্থাপনা এমনকি সরকারের কাছেও এ সকল নৌপথ গুরুত্বহীন। যার প্রমাণ নদী ও হাওর অঞ্চলে ট্রলারডুবি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু। যেগুলোকে নদীবন্দর হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও নিয়মিত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে
এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সুদৃঢ়
হয়েছে। এছাড়া দ্বীপাঞ্চলে নৌ․-পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। ইহা সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে আর গতিশীলতা বাড়াতে হবে।
নৌ-শুমারী বিষয়ে চট্টগ্রাম থেকে “কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের” সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ বলেন, নৌ-শুমারী সঠিকভাবে করা হয়না, এখানে একটা গাফিলতি আছে। সরকারের দায়িত্ব থাকা দপ্তর গুলো একটা গা-সারা কর্তব্য পালন করেন। সঠিকভাবে তুলে আনতে নৌ-শুমারী এবং সেটা সরকারি গেজেট আকারে প্রতি বছর প্রকাশ করতে জনসাধারণের সামনে। ঠিক তদরুপ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টিও একটা ধোঁয়াসার মধ্যেই থেকে যায়। আমাদের দাবী সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে তা জনসম্মুখে আনতে হবে।