
স্পোর্টস ডেস্ক,
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ব্রাজিল-নরওয়ে লড়াইয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন দুই তারকা ফরোয়ার্ড—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হালান্ড। নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের জার্সিতে মুখোমুখি হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই দুই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়।
ক্লাব ফুটবলে অবশ্য তাদের দ্বৈরথ নতুন নয়। রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছেন তারা। সেই লড়াইয়ে পরিসংখ্যানের দিক থেকে এগিয়ে ভিনিসিয়ুস। আট ম্যাচে তিনি চারটি জয়, দুটি ড্র ও দুটি হার দেখেছেন। একই সঙ্গে করেছেন তিন গোল ও পাঁচ অ্যাসিস্ট, অর্থাৎ সরাসরি অবদান রেখেছেন আটটি গোলে।
অন্যদিকে হালান্ড এই মুখোমুখি লড়াইগুলোতে চার গোল করেছেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচগুলোতে বেশ কয়েকবার ভিনিসিয়ুসের রিয়ালের কাছেই বিদায় নিতে হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটিকে।
২০২২-২৩ মৌসুমের সেমিফাইনালে প্রথম লেগে গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। যদিও ফিরতি লেগে ৪-০ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে ওঠে সিটি। এরপর ২০২৩-২৪ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে সিটিকে বিদায় করে রিয়াল। পরবর্তী মৌসুমগুলোতেও দুই তারকার লড়াইয়ে শেষ হাসি বেশিরভাগ সময়ই হেসেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
চলতি বিশ্বকাপেও দুজনই রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। ভিনিসিয়ুস করেছেন চার গোল, আর হালান্ডের গোলসংখ্যা পাঁচ। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও দুজনই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।
তাই ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচটি শুধু দুই দলের লড়াই নয়, দুই বিশ্বমানের ফরোয়ার্ডের ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের পরীক্ষাও। তবে এই ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপে একজনের পথচলা থেমে যাবে, আর অন্যজন এগিয়ে যাবেন কোয়ার্টার ফাইনালের পথে।


























