
রাশেদ আহমেদ, মৌলভীবাজার,
মৌলভীবাজার প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই)-এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার বছর বয়সী শিশুদের আনন্দমুখর শিক্ষাদান, পাঠকৌশল ও পাঠপদ্ধতি বিষয়ে সাত দিনব্যাপী ‘ফোর প্লাস প্রাক-প্রাথমিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ৫ জুন শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত ৩০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এতে অংশ নিচ্ছেন।
তবে প্রশিক্ষণের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, প্রশিক্ষণ কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলেও প্রশিক্ষণের প্রথম কয়েক দিন এসি চালু রাখা হয়নি। ৫ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত তাপদাহের মধ্যেই তাঁদের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হয়েছে। পরে প্রশিক্ষণার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুন থেকে এসি চালু করা হয় বলে তাঁরা জানান।
প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, শুধু কক্ষের পরিবেশ নয়, খাবারের মান নিয়েও তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাঁদের দাবি, সকালের নাশতা ও চায়ের মান প্রত্যাশার তুলনায় নিম্নমানের ছিল। একই সঙ্গে দুপুরের খাবারের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
জানা গেছে, দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত এ প্রশিক্ষণে আবাসিক ও অনাবাসিক—দুই ধরনের প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের ভাতা (টিএ/ডিএ) থেকে চা-নাশতা ও খাবারের ব্যয় সমন্বয় করা হবে বলে তাঁদের জানানো হয়েছে। এ কারণে প্রশিক্ষণার্থীরা মানসম্মত খাবার ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা করেছিলেন।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মতে, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অনেক। তাই এ ধরনের প্রশিক্ষণে উপযুক্ত পরিবেশ, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা বাড়বে এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
























