Dhaka , Wednesday, 29 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৩০ কক্সবাজারে ডিএসকে’র উদ্যোগে যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নরসিংদী পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ কালীগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যানের বন্ধ কক্ষ থেকে সরকারি সম্পদ উধাও: তোলপাড় রূপগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের বাসি দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশনে অনিয়মের অভিযোগ \ শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ মধুপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, সেই যুবক আটক কালীগঞ্জে র‍্যাবের জালে ৩ মাদক কারবারি: ঘর তল্লাশি করে ৬১১ বোতল মাদক উদ্ধার রূপগঞ্জে ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের ৫ম দিন পালিত রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নিয়ে সিএনজি চালক জান্নাত উল্লাহ সাঈদ আটক : গাড়ি জব্দ লক্ষ্মীপুরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, গভীর নলকূপেও উঠছে না পানি খাগড়াছড়িতে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের ওপর হামলা পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি নেগেটিভলি দেখিনা কখনো: সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ এর আয়োজনে বাছুর প্রদর্শনী প্রতিযোগিতা পাইকগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের ফেজ-আউট সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় চরভদ্রাসনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ- ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল অনুষ্ঠিত। ফরিদপুরে চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে জেলের বড়শিতে ধরা ধরা পড়লো- বিশাল কুমির। আদিতমারীতে র‍্যাবের অভিযান: বসতবাড়ির উঠান থেকে মাদকসহ কারবারি গ্রেপ্তার মধুপুরের শালবন পুনরুদ্ধারে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাবিসাসের সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন নোয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খাল পরিস্কার কর্মসূচি নোয়াখালীতে দুই ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা লালমনিরহাটের মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি গ্রেফতার: গাজীপুরে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান রামগঞ্জে নবাগত ইউ এন ওর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত “এই শহর আমাদের—জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়”: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক

“এই শহর আমাদের—জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়”: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:00:45 pm, Monday, 27 April 2026
  • 11 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৭ এপ্রিল সোমবার, সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচালিত “ক্রাশ প্রোগ্রাম”-এ সরেজমিনে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সকালে প্রথমে তিনি ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জে.এম সেন স্কুলের পেছনে অবস্থিত বান্ডেল খাল এলাকায় চলমান পরিস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে পর্যায়ক্রমে ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বদর খালি খাল (ইসলাম কলোনী) এবং ৩৫নং বক্সিরহাটা ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যম পীতম্বরশাহ এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে নালাগুলোকে কার্যত বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণকে সচেতন না করতে পারলে এই কর্মসূচি শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। এই শহর আমাদের সবার—এ শহরের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। নিজ নিজ দোকান ও বাসার জন্য আলাদা ডাস্টবিন রাখতে হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।” ডাস্টবিন চুরি হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে তদারকির আহ্বান জানান।

এ সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন মেয়র। তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন কর্মীরা শহরের নীরব যোদ্ধা—তাদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম অগ্রাধিকার।” বর্তমানে অনেক কর্মী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশোধন অনুযায়ী মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা পূর্বের ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের হালনাগাদ রেট সিডিউল এবং পরামর্শকের নতুন নকশা অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণকে উল্লেখ করেন মেয়র।

তিনি আরও জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনিতে নির্ধারিত দুটি ভবনের একটি নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় সেটি ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জায়গায় নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে মেয়র বলেন, প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত সেবকদের পুনর্বাসনে সময় লাগায় কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে, যার প্রতিটির আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গফুট। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিকল্পিত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মেয়র আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে নগরীকে পরিষ্কার রাখছেন, তাই তাদের আবাসনসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা চসিকের দায়িত্ব।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী,নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী (রাজনৈতিক) জিয়াউর রহমান জিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৩০

“এই শহর আমাদের—জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়”: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 03:00:45 pm, Monday, 27 April 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৭ এপ্রিল সোমবার, সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচালিত “ক্রাশ প্রোগ্রাম”-এ সরেজমিনে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সকালে প্রথমে তিনি ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জে.এম সেন স্কুলের পেছনে অবস্থিত বান্ডেল খাল এলাকায় চলমান পরিস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে পর্যায়ক্রমে ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বদর খালি খাল (ইসলাম কলোনী) এবং ৩৫নং বক্সিরহাটা ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যম পীতম্বরশাহ এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে নালাগুলোকে কার্যত বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণকে সচেতন না করতে পারলে এই কর্মসূচি শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। এই শহর আমাদের সবার—এ শহরের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। নিজ নিজ দোকান ও বাসার জন্য আলাদা ডাস্টবিন রাখতে হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।” ডাস্টবিন চুরি হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে তদারকির আহ্বান জানান।

এ সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন মেয়র। তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন কর্মীরা শহরের নীরব যোদ্ধা—তাদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম অগ্রাধিকার।” বর্তমানে অনেক কর্মী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশোধন অনুযায়ী মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা পূর্বের ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের হালনাগাদ রেট সিডিউল এবং পরামর্শকের নতুন নকশা অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণকে উল্লেখ করেন মেয়র।

তিনি আরও জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনিতে নির্ধারিত দুটি ভবনের একটি নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় সেটি ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জায়গায় নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে মেয়র বলেন, প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত সেবকদের পুনর্বাসনে সময় লাগায় কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে, যার প্রতিটির আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গফুট। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিকল্পিত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মেয়র আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে নগরীকে পরিষ্কার রাখছেন, তাই তাদের আবাসনসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা চসিকের দায়িত্ব।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী,নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী (রাজনৈতিক) জিয়াউর রহমান জিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।