Dhaka , Thursday, 23 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক গড়তে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দুর্গম পাহাড়ে চিকিৎসা সেবায় যেনো কোনো ত্রুটি না হয়:- নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী জরাজীর্ণ টিনের ঘরে পাঠদান, বিনা বেতনে পড়াচ্ছেন শিক্ষকরা মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬’এর উদ্বোধন রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও বেগমগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা – বগুড়ায় কুপিয়ে-পিটিয়ে হত্যা, দিনের আলোতেই নৃশংসতা শিকার রকি ০৩ জন পেশাদার মাদক কারবারির পরিহিত স্যান্ডেল হতে ৩২৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম শহরকে ভালোবাসতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না”:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ রোধে ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি পূর্বাচলে মাদক ব্যবসায়ী ও প্লট খেকোদের বিরুদ্ধে সোচ্চার বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মানববন্ধন, বিক্ষোভ পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন জঙ্গল সলিমপুরের ত্রাস ‘নলা কাসেম’ বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার মধুপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন রূপগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ান অপহরণ মামলায় গ্রেফতার ৫ জরাজীর্ণ টিনের ঘরেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম, বিনা বেতনে পড়াচ্ছেন শিক্ষকরা রূপগঞ্জে ভায়েলা-মিয়াবাড়ি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ৩২ বছরেও সরকারীকরণ হয়নি দারোয়ানের কক্ষে বিদেশি মদের আস্তানা, আটক ১ রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৬ ঘণ্টার অভিযানে অপহৃত রুস্তম আলী উদ্ধার কালীগঞ্জে জ্বালানি কার্ড যাচাইয়ে ইউএনও’র কড়াকড়ি: বিভ্রান্তি কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পাইকগাছায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী কর্মসূচি: মতবিনিময়, পরিদর্শন ও রোভার মুট উদ্বোধন বাংলাদেশি শ্রমিকের ঘামে টিকছে পর্তুগালের কৃষি ; খরা-শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় প্রযুক্তি নির্ভরতা বৃদ্ধি শ্রীমঙ্গলে রক্তদান সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা ডেমরায় পাম্প থেকে তেল সরিয়ে ড্রামে করে যাচ্ছে কালোবাজারে লালদিঘীতে বলি খেলার প্রতিকৃতি সম্বলিত ম্যুরাল উদ্বোধন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন “চন্দনাইশে ব্রাকের ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকে বিনামূল্যে গবাদিপশু চিকিৎসা সেবা প্রদান” রূপগঞ্জে ১১৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার রূপগঞ্জে পুলিশের পরিচয়ে সৌদি প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি \ ১৭ লক্ষাধিক টাকা মাল লুট ডিকেএমসি হসপিটাল চিকিৎসা বিষয়ক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

UNHCR স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে: CCNF–এর অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:05:51 pm, Tuesday, 25 November 2025
  • 42 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম, কক্সবাজার:

রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে বলে অভিযোগ করেছে কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি–এনজিও ফোরাম (CCNF)। মঙ্গলবার কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়—২০২৬–২০২৭ সালের জন্য UNHCR যে অংশীদার নির্বাচন করেছে, তা “বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং নীতিবিরোধী”।
২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ককসবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

CCNF আরও জানায়, ২০২৫ সালে UNHCR-এর অংশীদারদের মধ্যে ১৩ শতাংশ ছিল স্থানীয় এনজিও। অথচ নতুন চক্রে এই হার শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে। সংগঠনের দাবি—এই সিদ্ধান্ত UNHCR-এর নিজস্ব “লোকালাইজেশন গাইডলাইন”, “গ্র্যান্ড বার্গেইন ২০১৭” এবং “পার্টনারশিপ পলিসি ২০০৭”–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF অভিযোগ করে, আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিওদের সঙ্গে অংশীদার না হয়ে সরাসরি তহবিল সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য—“INGO–গুলোর তহবিল সংগ্রহের জায়গা কক্সবাজার নয়; তাদের নিজ দেশে গিয়ে এই কাজ করা উচিত।”
সংগঠনটি আরও জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের পর প্রথম সাড়াদানকারী ছিল স্থানীয় জনগণ ও স্থানীয় এনজিওসমূহ। তাদের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের জ্ঞান সবচেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে UNHCR স্থানীয় সক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করছে, যা CCNF “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে।
অবস্থানপত্রে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়কেন্দ্রে স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ করতে হবে এবং এসব নকশা স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
এছাড়া CCNF জানায়, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য অনুমোদিত ৭০০ মিলিয়ন ডলার প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় এনজিওদের কোনো ভূমিকা রাখেনি—যা তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি সতর্ক করে আরও জানায়, উখিয়া–টেকনাফে প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন লিটারেরও বেশি ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন স্থানীয় জনগণের ভবিষ্যৎ পানির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পের পাশের ৩০০ একর নষ্ট জমিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযোগ্য করে তোলার প্রস্তাবও তারা তুলে ধরে।
CCNF-এর প্রধান দাবি UNHCR-এর ২০২৬–২০২৭ অংশীদার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বাতিল ও পুনর্বিবেচনা,বিশ্বব্যাংকের তহবিল ব্যবহারে স্থানীয় এনজিওদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা,রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ,INGOs–দের তহবিল সংগ্রহ নিজ দেশে করা বাধ্যতামূলক করা,কক্সবাজারের বাইরে থেকে আসা এনজিওদের জন্য স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্ব বাধ্যতামূলক করা।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF শেষ বক্তব্যে মন্তব্য করে— “স্থানীয়দের অবমূল্যায়ন মানে স্থানীয় জনগণকে অবমূল্যায়ন। কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রম হবে স্থানীয় নেতৃত্বনির্ভর—এটাই আমাদের দাবি।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক গড়তে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

UNHCR স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে: CCNF–এর অভিযোগ

আপডেট সময় : 07:05:51 pm, Tuesday, 25 November 2025

শওকত আলম, কক্সবাজার:

রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় এনজিওদের সক্ষমতাকে অবজ্ঞা করছে বলে অভিযোগ করেছে কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি–এনজিও ফোরাম (CCNF)। মঙ্গলবার কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়—২০২৬–২০২৭ সালের জন্য UNHCR যে অংশীদার নির্বাচন করেছে, তা “বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং নীতিবিরোধী”।
২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ককসবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

CCNF আরও জানায়, ২০২৫ সালে UNHCR-এর অংশীদারদের মধ্যে ১৩ শতাংশ ছিল স্থানীয় এনজিও। অথচ নতুন চক্রে এই হার শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে। সংগঠনের দাবি—এই সিদ্ধান্ত UNHCR-এর নিজস্ব “লোকালাইজেশন গাইডলাইন”, “গ্র্যান্ড বার্গেইন ২০১৭” এবং “পার্টনারশিপ পলিসি ২০০৭”–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF অভিযোগ করে, আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিওদের সঙ্গে অংশীদার না হয়ে সরাসরি তহবিল সংগ্রহে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য—“INGO–গুলোর তহবিল সংগ্রহের জায়গা কক্সবাজার নয়; তাদের নিজ দেশে গিয়ে এই কাজ করা উচিত।”
সংগঠনটি আরও জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের পর প্রথম সাড়াদানকারী ছিল স্থানীয় জনগণ ও স্থানীয় এনজিওসমূহ। তাদের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের জ্ঞান সবচেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে UNHCR স্থানীয় সক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করছে, যা CCNF “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে।
অবস্থানপত্রে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়কেন্দ্রে স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ করতে হবে এবং এসব নকশা স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
এছাড়া CCNF জানায়, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য অনুমোদিত ৭০০ মিলিয়ন ডলার প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় এনজিওদের কোনো ভূমিকা রাখেনি—যা তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি সতর্ক করে আরও জানায়, উখিয়া–টেকনাফে প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন লিটারেরও বেশি ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন স্থানীয় জনগণের ভবিষ্যৎ পানির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পের পাশের ৩০০ একর নষ্ট জমিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযোগ্য করে তোলার প্রস্তাবও তারা তুলে ধরে।
CCNF-এর প্রধান দাবি UNHCR-এর ২০২৬–২০২৭ অংশীদার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত বাতিল ও পুনর্বিবেচনা,বিশ্বব্যাংকের তহবিল ব্যবহারে স্থানীয় এনজিওদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা,রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী নয়, প্রিফ্যাব্রিকেটেড ঘর নির্মাণ,INGOs–দের তহবিল সংগ্রহ নিজ দেশে করা বাধ্যতামূলক করা,কক্সবাজারের বাইরে থেকে আসা এনজিওদের জন্য স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্ব বাধ্যতামূলক করা।
সংবাদ সম্মেলনে CCNF শেষ বক্তব্যে মন্তব্য করে— “স্থানীয়দের অবমূল্যায়ন মানে স্থানীয় জনগণকে অবমূল্যায়ন। কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রম হবে স্থানীয় নেতৃত্বনির্ভর—এটাই আমাদের দাবি।”