Dhaka , Saturday, 18 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধুপুরে রথযাত্রা, অংশ নিলেন সহস্রাধিক ভক্ত গর্জনিয়ায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবসে ঢাবি ছাত্রশিবিরের ‘লীগ ধর’ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে জুলাই শহীদ দিবস উদযাপন জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ সন্ত্রাসী মিন্টু বাহিনীর প্রধান মিন্টু আটক শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, সরকারের লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসন করা :- বান্দরবানে ভুমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেয়া হবে, ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে: কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’:- ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সাইট পরিদর্শন ইউএনওর উদ্যোগে দুই যুগের সংস্কারহীন সড়কের দুর্ভোগের অবসান; স্বস্তি এলাকাবাসীর রামগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার টানা বৃষ্টিতে রামগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি বিপাকে সাধারণ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর গ্রামে মাদকবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। নিখোঁজের ৮ মাস: তৃপ্তিকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে আহাজারি মায়ের। বঙ্গোপসাগর উপকূলে নৌকাডুবি, ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা নিহত কক্সবাজারে স্কুলছাত্র অপহরণ : রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার বন্যার্তদের সাহায্যার্থে বাঁশখালীতে ড্যাব, চট্টগ্রাম এর খাবার ও ঔষধ বিতরণ জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে চট্টগ্রাম সিএমপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পাচার সাতকানিয়া উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবর পাইকগাছায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত মধুপুরে জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত সম্পদের লোভে ওমান প্রবাসীর ওপর পৈশাচিকতা: ৫ দিন ঘরে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন। জুলাই ঐক্যে ফাটল ধরলে ক্ষতি হবে সবার: পুলিশ সুপার জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ, বাঘাইছড়িতে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের নগরীর মুরাদপুরে ফুটবল ম্যাচ চলাকালে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে চরভদ্রাসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দুই দশক পর রাহুমুক্ত দারুল ইহসান ট্রাস্ট

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:01:30 am, Thursday, 6 February 2025
  • 990 বার পড়া হয়েছে

দুই দশক পর রাহুমুক্ত দারুল ইহসান ট্রাস্ট

মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার

দীর্ঘ দুই দশক পর রাহুমুক্ত হয়েয়ছে দারল ইহসান ট্রাস্ট। সরকারের সবধরনের বিধিবিধান মেনে ১৯৮৬ সালে গঠিত বৈধ ট্রাস্টকে পাশ কাটিয়ে বিগত ২০০৬ সালে একটি কুচক্রী মহল কৌশলে অবৈধভাবে আরেকটি ট্রাস্ট গঠন করে কয়েক শ’ কোটি টাকার সম্পদ দখলে নেয়ার ‘পাঁয়তারা’ করেন সৈয়দ আলী নকি এবং তার সহযোগী অ্যাডভোকেট ফয়জুল কবির ও উসমান গনিদের একটি সিন্ডিকেট। অবশ্য সরকারের আইনে ওই সময়ে ট্রাস্ট আরজেএসসির অধীনে রেজিস্ট্রেশন করার কোনো বাধ্যবাধকতাও ছিল না। ফলে সঙ্গত কারণেই ১৯৮৬ সালের ট্রাস্টি বোর্ড রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজনও ছিল না।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ২০ বছর সাভারের গণকবাড়ি এবং ধানমন্ডির ৯-এ নং রোডের বাসা নং-২১-এর বিপুল অঙ্কের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দখল করে নেন আলী নকির ওই সিন্ডিকেট। ১৯৮৬ সালের গঠিত বৈধ একটি ট্রাস্টকে তারা গোপন রেখে সরকারের সাথে আঁতাত করে একই নামে শুধু ঠিকানা পরিবর্তন করে অবৈধ আরেকটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়। যদিও এই ট্রাস্ট আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করে আদেশও দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলদারদের রাহুমুক্ত হয়েছে দারুল আহসান ট্রাস্ট পরিচালিত ধানমন্ডির আশরাফ চ্যারিটেবল, আছিয়া আশরাফ মহিলা মাদরাসা, গণকবাড়ির একটি হাফেজিয়া মাদরাসা এবং সাভারের শ্রীপুরের কাপড়ের মার্কেট ও তৎসংলগ্ন কাঁচাবাজার ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি। অভিযোগ রয়েছে- ধানমন্ডির ২৯-এ রোডের ২১ নং বাড়ির কিছু অংশ দখল করেছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। নানক তার মেয়ের জন্য এই বাড়িতে দখল করে একটি আলিশান অফিসও তৈরি করে দেন। যদিও তিনি কোনো সময়েই বাড়ি বা অফিসের ভাড়া বাবদ একটি টাকাও কখনোই পরিশোধ করেননি। ৫ আগস্টের পর নানক পালিয়ে গেছেন।

এ দিকে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দারম্প ইহসান ট্রাস্টের সেটেলার হিসেবে একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন ড. সৈয়দ আলী আশরাফ। তারই

আন্তরিক চেষ্টা এবং ইচ্ছায় ১৯৮৬ সালে গঠন করা হয় দারুল ইহসান ট্রাস্ট। পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৩ সালে দেশের প্রথম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় -১৯৯২ সালের আইন- হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরপর তিন বিশিষ্ট ব্যক্তি -প্রেসিডেন্ট-যথাক্রমে আব্দুর রহমান বিশ্বাস, বিচারপতি সাহাবুদ্দীন, অধ্যাপক বি চৌধুরী- তারা তিনজন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক পৃথক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিতও ছিলেন। পরে অবশ্য সরকারের রোষানলে পড়ে বন্ধ করে দেয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়।

বিভিন্ন সময়ে সাভারের গণকবাড়ির ক্যাম্পাসে পরিদর্শনে এসেছিলেন সৌদি পার্লামেন্টর তৎকালীন স্পিকার ড. ওমর আব্দুল্লাহ নাসিফসহ মিসরের খ্যতিমান শিক্ষাবিদ ড. সাফটি। তারা দু’জনেই সাভারের গণকবাড়িতে বিশ্বমানের মাদরাসা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে সেখানে আরবি ভাষা শিক্ষার ওপর শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য বিষয়েও সহযোগিতা করেছেন।

পরবর্তী সময়ে ড. সৈয়দ আলী আশরাফের ছোট ভাই সৈয়দ আলী নকি কৌশলে একটি সিন্ডিকেট করে আগের স্ট্রাস্টি বোর্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করে গণকবাড়ি ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধভাবে আরো একটি স্ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে সব সম্পদ দখন করে নেন। তবে এখন দেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর অবৈধ নখলদারদের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলার আদেশে ১৯৮৬ সালের মূল স্ট্রাস্টকেই বৈধ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দখলও প্রকৃত স্ট্রাস্টকে বুঝিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর অবৈধ দখলমুক্ত হয়ে প্রকৃত মালিকদের হাতে দারুল ইহসান স্ট্রাস্ট ও এর সম্পত্তি ফেরত পেয়ে শিক্ষাঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখছে দারুল ইহসান স্ট্রাস্ট পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুরে রথযাত্রা, অংশ নিলেন সহস্রাধিক ভক্ত

দুই দশক পর রাহুমুক্ত দারুল ইহসান ট্রাস্ট

আপডেট সময় : 11:01:30 am, Thursday, 6 February 2025

মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার

দীর্ঘ দুই দশক পর রাহুমুক্ত হয়েয়ছে দারল ইহসান ট্রাস্ট। সরকারের সবধরনের বিধিবিধান মেনে ১৯৮৬ সালে গঠিত বৈধ ট্রাস্টকে পাশ কাটিয়ে বিগত ২০০৬ সালে একটি কুচক্রী মহল কৌশলে অবৈধভাবে আরেকটি ট্রাস্ট গঠন করে কয়েক শ’ কোটি টাকার সম্পদ দখলে নেয়ার ‘পাঁয়তারা’ করেন সৈয়দ আলী নকি এবং তার সহযোগী অ্যাডভোকেট ফয়জুল কবির ও উসমান গনিদের একটি সিন্ডিকেট। অবশ্য সরকারের আইনে ওই সময়ে ট্রাস্ট আরজেএসসির অধীনে রেজিস্ট্রেশন করার কোনো বাধ্যবাধকতাও ছিল না। ফলে সঙ্গত কারণেই ১৯৮৬ সালের ট্রাস্টি বোর্ড রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজনও ছিল না।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ২০ বছর সাভারের গণকবাড়ি এবং ধানমন্ডির ৯-এ নং রোডের বাসা নং-২১-এর বিপুল অঙ্কের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দখল করে নেন আলী নকির ওই সিন্ডিকেট। ১৯৮৬ সালের গঠিত বৈধ একটি ট্রাস্টকে তারা গোপন রেখে সরকারের সাথে আঁতাত করে একই নামে শুধু ঠিকানা পরিবর্তন করে অবৈধ আরেকটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়। যদিও এই ট্রাস্ট আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করে আদেশও দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলদারদের রাহুমুক্ত হয়েছে দারুল আহসান ট্রাস্ট পরিচালিত ধানমন্ডির আশরাফ চ্যারিটেবল, আছিয়া আশরাফ মহিলা মাদরাসা, গণকবাড়ির একটি হাফেজিয়া মাদরাসা এবং সাভারের শ্রীপুরের কাপড়ের মার্কেট ও তৎসংলগ্ন কাঁচাবাজার ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি। অভিযোগ রয়েছে- ধানমন্ডির ২৯-এ রোডের ২১ নং বাড়ির কিছু অংশ দখল করেছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। নানক তার মেয়ের জন্য এই বাড়িতে দখল করে একটি আলিশান অফিসও তৈরি করে দেন। যদিও তিনি কোনো সময়েই বাড়ি বা অফিসের ভাড়া বাবদ একটি টাকাও কখনোই পরিশোধ করেননি। ৫ আগস্টের পর নানক পালিয়ে গেছেন।

এ দিকে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দারম্প ইহসান ট্রাস্টের সেটেলার হিসেবে একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন ড. সৈয়দ আলী আশরাফ। তারই

আন্তরিক চেষ্টা এবং ইচ্ছায় ১৯৮৬ সালে গঠন করা হয় দারুল ইহসান ট্রাস্ট। পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৩ সালে দেশের প্রথম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় -১৯৯২ সালের আইন- হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরপর তিন বিশিষ্ট ব্যক্তি -প্রেসিডেন্ট-যথাক্রমে আব্দুর রহমান বিশ্বাস, বিচারপতি সাহাবুদ্দীন, অধ্যাপক বি চৌধুরী- তারা তিনজন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক পৃথক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিতও ছিলেন। পরে অবশ্য সরকারের রোষানলে পড়ে বন্ধ করে দেয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়।

বিভিন্ন সময়ে সাভারের গণকবাড়ির ক্যাম্পাসে পরিদর্শনে এসেছিলেন সৌদি পার্লামেন্টর তৎকালীন স্পিকার ড. ওমর আব্দুল্লাহ নাসিফসহ মিসরের খ্যতিমান শিক্ষাবিদ ড. সাফটি। তারা দু’জনেই সাভারের গণকবাড়িতে বিশ্বমানের মাদরাসা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে সেখানে আরবি ভাষা শিক্ষার ওপর শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য বিষয়েও সহযোগিতা করেছেন।

পরবর্তী সময়ে ড. সৈয়দ আলী আশরাফের ছোট ভাই সৈয়দ আলী নকি কৌশলে একটি সিন্ডিকেট করে আগের স্ট্রাস্টি বোর্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করে গণকবাড়ি ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধভাবে আরো একটি স্ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে সব সম্পদ দখন করে নেন। তবে এখন দেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর অবৈধ নখলদারদের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলার আদেশে ১৯৮৬ সালের মূল স্ট্রাস্টকেই বৈধ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দখলও প্রকৃত স্ট্রাস্টকে বুঝিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর অবৈধ দখলমুক্ত হয়ে প্রকৃত মালিকদের হাতে দারুল ইহসান স্ট্রাস্ট ও এর সম্পত্তি ফেরত পেয়ে শিক্ষাঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখছে দারুল ইহসান স্ট্রাস্ট পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।