Dhaka , Friday, 6 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চন্দনাইশে দোহাজারীতে অবৈধ রোহিঙ্গা কলোনীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৪৫ জন নারী পুরুষ আটক বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দেশ দুর্নীতিতে ৫বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম আগামীকাল শুক্রবার ঝালকাঠি আসছেন জামায়াত আমির, অর্ধলক্ষাধিক মানুষের জনসমাগমের প্রস্তুতি আশুলিয়ায় ৭ হত্যার ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল রায়: ৬ মৃত্যুদণ্ড, ৮ সাজা তুরাগ নদে শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসন: বিষাক্ত পানিতে দুর্বল মাছ, সহজ শিকারে জেলেদের হিড়িক মধুপুরে বিএনপির এমপি প্রার্থী স্বপন ফকিরের গণমিছিল নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ চারজন আটক নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় গণজোয়ার। কেউ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে—মাও: আবুল কালাম আজাদ পাইকগাছা-কয়রায় জেলা ওলামা দলের ধানের শীষের জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ফ্রান্স দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলরের সাথে মতবিনিময়কালে ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে গারোদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. কাফি বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী’র ছালেহ্ আহমেদ এর শেষ বিদায়” নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান:- বেতার–টেলিভিশন ও সংস্কৃতির কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ ২ দুস্কৃতিকারী আটক রূপগঞ্জের চাইল্ড হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ॥ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রূপগঞ্জে ৯টি স্পটে বিএনপি প্রার্থীর পথসভা ও গণসংযোগ রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দুই প্রার্থীর যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই সদস্য সচিব আটক আমাকে ভোট দিলে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দেব, রামগঞ্জে ধানের শীষের প্রার্থী, সেলিম  কালীগঞ্জে র‍্যাবের চেকপোস্ট: মোটরসাইকেলের ট্যাংকিতে লুকানো ২০০ বোতল মাদকসহ কারবারি গ্রেপ্তার লালমনিরহাটের রাজনীতিতে বড় চমক: আসাদুল হাবিব দুলুর হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মী পাইকগাছায় ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষে প্রশাসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম–৯ আসনে ধানের শীষের পক্ষে ডোর টু ডোর প্রচারণা চবিতে প্রাণনাশের ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় সাংবাদিক, সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: জামায়াত আমির

সুন্দরগঞ্জে ৫০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ সাড়ে তিন হাজার।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:35:30 pm, Wednesday, 1 January 2025
  • 214 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে ৫০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ সাড়ে তিন হাজার।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা-প্রতিনিধি।।
   
   
চলতি শীত মৌসুমে দ্বিতীয় দফায় গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশা- কন কনে ঠান্ডা- হিমেল হাওয়া ও শৈত প্রবাহের কারনে অসহায় ও ছিন্নমুল পরিবারগুলো কাবু হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আটটি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের ভাসমান পরিবারগুলো ঠান্ডায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। স্থবির হয়ে পড়েছে সকল কার্যক্রম। ঘন কুয়াশা এবং ঠান্ডায় অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী- ব্যবসায়ীরা যথা নিয়মে কর্মস্থলে যেতে পারছে না। যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। ঠান্ডার কারণে নানাবিধ রোগব্যধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ওষুধের দোকানগুলো রোগির ভিড় লক্ষা করা গেছে।  
         
উপজেলা সমাজসেবা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসসূত্রে জানা গেছে- উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৫০ হাজার ছিন্নমুল পরিবার রয়েছে। নিম্ন আয়ের এই পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে অসহনীয় ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের পরিমান একেবারেই অপ্রতুল। চলতি মৌসুমে সরকারি ভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ জন অসহায় শীতার্তদের মাঝে। দিনমজুররা এবং চরের ছিন্নমুল পরিবারগুলো খড় কুঁটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণ করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধা-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’রা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। 
       
কাপাসিয়া চরের আকবর আলী বলেন, “ঠান্ডাত হ্যামরা মরি গৈইনো বাহে। কেডা হ্যামাক ঠান্ডার কাপড় দিবে । ভোট আইলে সবাই এটা দিবে- সেটা দিবে কইয়া ভোট নিয়ে যায়, এখন হ্যামরা ঠান্ডাত মরি কারো দেখা পাও না। আজ কইদিন থাকি আগুন জ্বলেয়া ছাওয়াল পোয়াল বাড়িওয়ালীকে নিয়ে কষ্ট করি রাত দিন পার করছি। হ্যামার ঘরে খুব কষ্ট হইছে।
       
দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের হক আলী বলেন- ঠান্ডার কারণে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে খড় কুঁঠো জ্বালিয়ে হাত-পা গরম করতে হয়। এভাবে চলতে থাকলে কাজকর্ম ছেড়ে দিতে হবে। সরকারিভাবে এখন কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাইনি।
         
হরিপুর ডাঙ্গার চরের মো. সোলেমান আলী বলেন- গত ৪ দিনের ঠান্ডায় চরের মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বয়বৃদ্ধা- শিশু ও গর্ভবতি মা’দের নিদারুন কষ্ট হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাই নাই। ঠান্ডার কারনে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। অনেকে বাড়ির মধ্যে খড় কুটো জ্বালিয়ে বসবাস করছে। 
       
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, সরকারি ভাবে এ পর্যন্ত ৩০০ পিচ কম্বল পাওয়া গেছে। তাঁর ইউনিয়নে ছিন্নমুল মানুষের সংখ্যা কমপক্ষে ৬ হাজার। শীতার্ত মানুষের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে চেয়ারম্যান ও নেম্বারদের। শীতে যে ভাবে জেঁকে বসেছে, তাতে করে শীতবস্ত্রের চাহিদা মেটাতে না পারলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তিনি প্রশাসনের নিকট অতিদ্রুত চাহিদা মোতাবেক শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
       
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন গত ৩ দিন ধরে ধরে প্রচন্ড ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। সরকারি ভাবে চলতি বছর ৩ হাজার ৪০০ শীতবস্ত্র কম্বল পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের চেয়ে শীতবস্ত্রের পরিমান অনেক কম।
 উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. রাকিবুর ইসলাম বলেন, প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে হাপানি, এ্যজমা, নিমোনিয়া, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশিসহ নানাবিধ রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসের তুলনায় রোগীর সংখ্যা তুলনামুলক হারে বেড়ে গেছে। মুলত ঠান্ডর কারণে এসব রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু, ও প্রসূতি মা’রা বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে দোহাজারীতে অবৈধ রোহিঙ্গা কলোনীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৪৫ জন নারী পুরুষ আটক

সুন্দরগঞ্জে ৫০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ সাড়ে তিন হাজার।।

আপডেট সময় : 12:35:30 pm, Wednesday, 1 January 2025
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা-প্রতিনিধি।।
   
   
চলতি শীত মৌসুমে দ্বিতীয় দফায় গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশা- কন কনে ঠান্ডা- হিমেল হাওয়া ও শৈত প্রবাহের কারনে অসহায় ও ছিন্নমুল পরিবারগুলো কাবু হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আটটি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের ভাসমান পরিবারগুলো ঠান্ডায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। স্থবির হয়ে পড়েছে সকল কার্যক্রম। ঘন কুয়াশা এবং ঠান্ডায় অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী- ব্যবসায়ীরা যথা নিয়মে কর্মস্থলে যেতে পারছে না। যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। ঠান্ডার কারণে নানাবিধ রোগব্যধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ওষুধের দোকানগুলো রোগির ভিড় লক্ষা করা গেছে।  
         
উপজেলা সমাজসেবা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসসূত্রে জানা গেছে- উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৫০ হাজার ছিন্নমুল পরিবার রয়েছে। নিম্ন আয়ের এই পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে অসহনীয় ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের পরিমান একেবারেই অপ্রতুল। চলতি মৌসুমে সরকারি ভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ জন অসহায় শীতার্তদের মাঝে। দিনমজুররা এবং চরের ছিন্নমুল পরিবারগুলো খড় কুঁটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণ করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধা-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’রা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। 
       
কাপাসিয়া চরের আকবর আলী বলেন, “ঠান্ডাত হ্যামরা মরি গৈইনো বাহে। কেডা হ্যামাক ঠান্ডার কাপড় দিবে । ভোট আইলে সবাই এটা দিবে- সেটা দিবে কইয়া ভোট নিয়ে যায়, এখন হ্যামরা ঠান্ডাত মরি কারো দেখা পাও না। আজ কইদিন থাকি আগুন জ্বলেয়া ছাওয়াল পোয়াল বাড়িওয়ালীকে নিয়ে কষ্ট করি রাত দিন পার করছি। হ্যামার ঘরে খুব কষ্ট হইছে।
       
দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের হক আলী বলেন- ঠান্ডার কারণে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে খড় কুঁঠো জ্বালিয়ে হাত-পা গরম করতে হয়। এভাবে চলতে থাকলে কাজকর্ম ছেড়ে দিতে হবে। সরকারিভাবে এখন কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাইনি।
         
হরিপুর ডাঙ্গার চরের মো. সোলেমান আলী বলেন- গত ৪ দিনের ঠান্ডায় চরের মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বয়বৃদ্ধা- শিশু ও গর্ভবতি মা’দের নিদারুন কষ্ট হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাই নাই। ঠান্ডার কারনে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। অনেকে বাড়ির মধ্যে খড় কুটো জ্বালিয়ে বসবাস করছে। 
       
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, সরকারি ভাবে এ পর্যন্ত ৩০০ পিচ কম্বল পাওয়া গেছে। তাঁর ইউনিয়নে ছিন্নমুল মানুষের সংখ্যা কমপক্ষে ৬ হাজার। শীতার্ত মানুষের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে চেয়ারম্যান ও নেম্বারদের। শীতে যে ভাবে জেঁকে বসেছে, তাতে করে শীতবস্ত্রের চাহিদা মেটাতে না পারলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তিনি প্রশাসনের নিকট অতিদ্রুত চাহিদা মোতাবেক শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
       
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন গত ৩ দিন ধরে ধরে প্রচন্ড ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। সরকারি ভাবে চলতি বছর ৩ হাজার ৪০০ শীতবস্ত্র কম্বল পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের চেয়ে শীতবস্ত্রের পরিমান অনেক কম।
 উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. রাকিবুর ইসলাম বলেন, প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে হাপানি, এ্যজমা, নিমোনিয়া, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশিসহ নানাবিধ রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসের তুলনায় রোগীর সংখ্যা তুলনামুলক হারে বেড়ে গেছে। মুলত ঠান্ডর কারণে এসব রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু, ও প্রসূতি মা’রা বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।