Dhaka , Thursday, 5 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক মাদক সেবনের দায়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলী আহম্মেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও বহিষ্কার কুড়িগ্রামে ১১৭০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা ‘এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ আমি’: মেঘনা আলম পাইকগাছায় নাশকতা, জুয়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪ বি‌লে‌তের মা‌টি‌তে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননা ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষককে বিদায় সংবর্ধনা:: সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, পুলিশের গাড়িতে আগুন, ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সিলেট টেস্টে ব্যাটিং অর্ডারে রদবদলের ইঙ্গিত, তিনে নামতে পারেন অধিনায়ক ১৯ বছরেই এমবাপ্পেকে টপকে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল অস্ত্রের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’: সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন খাগড়াছড়িতে ৫৫তম পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত, ‘গিরিস্বপ্ন ২০২৬’-এর মোড়ক উন্মোচন রূপগঞ্জ পূর্বাচলের ৩০০ ফুটে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি \ চালকসহ তিন জন গ্রেফতার সীতাকুণ্ডে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণে সচিবকে ডিসির চিঠি, ২৪ ঘণ্টায় নানা পদক্ষেপ আসামে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন ৪ হাজার বাঙালি মুসলিম ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতের আহ্বান জিএম কাদেরের জয়পুরহাটে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান একনেক সভায় বিসিসির জন্য ৭০১ কোটি টাকা অনুমোদন : অবহেলিত থেকে গেল দক্ষিণাঞ্চল মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে নির্মিত হবে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সাভারে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০ ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ কালিয়াকৈরে শ্রমিকের আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্টের ভু-সম্পত্তি ও মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র সংঘাত, সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:33:08 pm, Thursday, 12 March 2026
  • 116 বার পড়া হয়েছে
মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ,
সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন নং: ১৪২৮৫/১৯৮৬ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত তাফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদরাসা ও তদসংলগ্ন, ভূ-সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ১১ই মার্চ ২০২৬ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়? সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফজলুল করিম, সাধারণ সম্পাদক, দারুল ইহসান ট্রাস্ট, ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ, প্রধান উপদেষ্টা, মোঃ জাকির হোসেন, এসেট ম্যানেজার প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ। তিনি বলেন, Faith Based Education এর প্রবক্তা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ এবং ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফ ১৯৮৬ সালে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নং ১৪২৮৫, তাং ১৮/১২/১৯৮৬ ইং দলিল মূলে দারুল ইহসান ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত দলিল মূলে তিনি ৮.৬৩ একর জমি ট্রাস্টের নামে দান করেন। উক্ত ট্রাস্টের আওতায় তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় “দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে অধিষ্টিত হন। অতঃপর তাঁর মৃত্যুর পর তন্বিয় ভ্রাতা জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর ইন্তেকালের পর বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম. এ হামিদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ব্যক্তিগত কারনে পদত্যাগ করায় ২৬ সদস্যের বোর্ড অব ট্রাস্টীর সভার সিদ্ধান্তক্রমে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ না দেয়া পর্যন্ত DIT- এর তৎকালীন ম্যানেজিং ট্রাস্টি মরহুম অধ্যাপক সৈয়দ আলী আশরাফ এর ভ্রাতা সৈয়দ আলী নকী বিগত ২৮/১২/২০০৫ তারিখে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি দায়িত্ব পালনকালীণ সময়ে ট্রাস্টের নিয়োজিত আইনজীবী জনাব মোহাম্মদ ফয়জুল কবীর ও অন্যান্য কুচক্রীমহলের প্ররোচনায় প্রলুব্ধ হয়ে ২০০৬ সালে দারুল ইহসান ট্রাস্টের অধিকাংশ ট্রাস্টি সদস্যদের অগোচরে (২৬ জনের মধ্যে ৯ জন) ও অজ্ঞাতে তঞ্চকতামূলক ভাবে রেজিষ্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফামর্স (RJSC) এর অফিসে একই নামে আরেকটি দারুল ইহসান ট্রাস্ট (এস-৫৫৪২, তাং ০২/০৪/২০০৬) নামে ডুপ্লিকেট ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। উল্লেখ্য যে মূল দারুল ইহসান ট্রাস্ট (১৯৮৬) এর সিডিউল ল্যান্ড হিসেবে সাভারস্থ গনকবাড়ী, আশুলিয়ায় ৮.৬৩ একর জমি সহ মোট ১০ একর ৪৪ শতক জমি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ২০০৬ সালে তঞ্চকতা মূলে রেজিষ্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্ট (২০০৬) এর সিডিউলভুক্ত কোন সম্পত্তি নেই। অধিকন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রেজিষ্টার জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফার্মস কার্যালয় থেকে ইস্যুকৃত পৃথক দুটি পত্রে সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা আদেশে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সাথে ২০০৬ সালে রেজিস্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্টের (এস-৫৫৪২) এর কোনরূপ সম্পর্ক নেই এবং আরও বলা হয়েছে যে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্বের ন্যায় ১৯৮৬ সালে সাভার সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। উল্লেখ থাকে যে, অত্র ট্রাস্টের (দারুল ইহসান টাস্ট ১৪২৮৫/১৯৮৬) আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯/৮/১৯৯৩ তারিখের শিম/শাঃ১৫(১)/১০ এম-২২/৮৯/১০৩-শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পত্রে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সুচারুভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ, প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দৌজা চৌধুরী এবং প্রফেসর ডঃ ইয়াজুদ্দীন আহমেদ যথাক্রমে তিনটি সমাবর্তনে উপস্থিত হয়ে (প্রথম সমাবর্তন- ১৩ মার্চ ১৯৯৭, দ্বিতীয় সমাবর্তন- ২৭ মার্চ ২০০২ ও তৃতীয় সমাবর্তন ২১ ডিসেম্বর ২০০৩) ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান করেন। কিন্তু ২০০৬ সালে পাল্টা ট্রাস্ট গঠন হওয়ার পর থেকে তারা অসৎ উদ্দেশ্যে ও দুরভিসন্ধিমূলক ভাবে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাম ভাঙ্গিয়ে ঢাকা শহরের মিরপুর, উত্তরা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলায় আউটার ক্যাম্পাস স্থাপন করে মূলত সার্টিফিকেট বিক্রির ব্যবসা খুলে বসেন। ফলশ্রুতিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বহু সংখ্যক মামলা পাল্টা মামলার উদ্ভব হয়। এর জেরে ২০১৬ সালে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৩টি রীট মামলা একত্রে শুনানী করে ১৩/০৪/২০১৬
সালে রায় প্রদানের মাধ্যমে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেন, এবং তদস্থলে ‘বাবফ অষর অংযৎধভ ওংষধসরপ টহরাবৎংরঃ‘ নামে বিকল্প একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরামর্শ দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সনে তঞ্চকতামূলে প্রতিষ্ঠিত দারুল ইহসান ট্রাস্ট (এস-৫৫৪২)-এর বর্তমান কোন কমিটি নেই। রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফার্মস অফিসে উক্ত ট্রাস্টের স্বঘোষিত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফয়জুল কবীর কর্তৃক দাখিলকৃত কমিটির উপর গত ০৫/১২/২০২৪ তারিখে মহামান্য আপিলেট ডিভিশন থেকে প্রথমে ৮ (আট) সপ্তাহের স্থগিতাদেশ (Stay Order) ও পরবর্তীতে গত ১০/১২/২০২৪ তারিখে CIVIL APPEAL NO. 25 OF 2023 মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ (Stay Order) বহাল রয়েছে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা সত্বেও মুহাম্মদ ওসমান গণী নিজেকে দারুল ইহসান ট্রাস্টের (২০০৬) এর সেক্রেটারী দাবি করে এমন কি মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিজেকে দাবি করে অস্ত্র ট্রাস্টের মালিকানাধীন মাদরাসার গেটে সাইনবোর্ড টানিয়ে চরম ধৃষ্টতা ও বেআইনী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে। অতিসম্প্রতি মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফ এর ভাতুষ্পুত্র জনৈক সৈয়দ আলী রাহয়ান ওরফে রুন্মান, পিতা মৃত: সৈয়দ আলী রেজা এবং তার দুষ্কর্মের সহযোগী ও বহিরাগত কিছু ভাড়া করা সন্ত্রাসী যথাক্রমে (১) সানজিদ হোসেন (৪৫), পিতা মৃত সৈয়দ সাকেব হোসেন, সাং- আলোকদিয়া, থানা মাগুরা সদর, মাগুরা, (২) রুবেল, পিতা- অজ্ঞাত, (৩) ইমাম হাসান (৫০), মৃত মোতালেব মন্ডল, বর্তমান সাং করিমপুর, পলাসবাড়ী, থানা আশুলিয়া, (৪) লেমন, পিতা অজ্ঞাত, ও অন্যান্য চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসি সহকারে গত ১০/২/২০২৬ তারিখ আনুমানিক বেলা ১১:০০ ঘটিকার সময় অবৈধ ভাবে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ অনুপ্রবেশ করে এবং উক্ত সন্ত্রাসিরা সেখানে মাদকের আখড়া বানিয়ে মাদক সেবন সহ নানাবিধ অপকর্মের মাধ্যমে মাদ্রাসার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে ও মাদ্রাসা সংলগ্ন মার্কেট/ কাঁচাবাজারের ভাড়াটিয়াদের উপর চড়াও হচ্ছে। তারা ট্রাস্টের লোকজন ও কর্মচারীদের মাদ্রাসায় প্রবেশে বাধা প্রদান ও তদসংলগ্ন, ভু সম্পত্তি তথা দোকানপাটে ভাড়া আদায়ে বাধা প্রদান করিতেছে। এবং তারা নিজেরাই বেআইনী ভাবে দোকানিদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করিতেছে। এবং গত ২৭/২/২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০:০০ টায় ট্রাস্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত এসেট ম্যানেজার-কাম- রেন্ট কালেকশন এজেন্ট জনাব জাকির হোসেন, পিতা মৃত আব্দুল কাদের, গ্রাম: গাজিরচট, উত্তর গাজিরচট আলিয়া মাদ্রাসা, আশুলিয়া, ঢাকা, NID: 1937524278, মোবাইল নং-০১৭১১-২৩৪৯৫০ কে মাদ্রাসা প্রবেশে বাধা প্রদান ও প্রাননাশের হুমকি প্রদর্শন সহ তাঁর নিকট মোটা অংকের টাকা (৫০০০০০/-) দাবী করে অদ্যাবধি উক্ত সন্ত্রাসিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বেআইনী ভাবে অবস্থান করছে। আশুলিয়া থানা পুলিশের পাশা পাশি দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী বর্তমানে ম্যাজিষ্ট্রিরিয়াল ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে সমাজ বিরোধী দূর্বৃত্ত চাঁদাবাজ ও গণশত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে গৌরবজনক ভূমিকা পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক

সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্টের ভু-সম্পত্তি ও মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র সংঘাত, সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো

আপডেট সময় : 02:33:08 pm, Thursday, 12 March 2026
মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ,
সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন নং: ১৪২৮৫/১৯৮৬ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত তাফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদরাসা ও তদসংলগ্ন, ভূ-সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ১১ই মার্চ ২০২৬ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়? সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফজলুল করিম, সাধারণ সম্পাদক, দারুল ইহসান ট্রাস্ট, ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ, প্রধান উপদেষ্টা, মোঃ জাকির হোসেন, এসেট ম্যানেজার প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ। তিনি বলেন, Faith Based Education এর প্রবক্তা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ এবং ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফ ১৯৮৬ সালে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নং ১৪২৮৫, তাং ১৮/১২/১৯৮৬ ইং দলিল মূলে দারুল ইহসান ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত দলিল মূলে তিনি ৮.৬৩ একর জমি ট্রাস্টের নামে দান করেন। উক্ত ট্রাস্টের আওতায় তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় “দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে অধিষ্টিত হন। অতঃপর তাঁর মৃত্যুর পর তন্বিয় ভ্রাতা জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর ইন্তেকালের পর বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম. এ হামিদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ব্যক্তিগত কারনে পদত্যাগ করায় ২৬ সদস্যের বোর্ড অব ট্রাস্টীর সভার সিদ্ধান্তক্রমে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ না দেয়া পর্যন্ত DIT- এর তৎকালীন ম্যানেজিং ট্রাস্টি মরহুম অধ্যাপক সৈয়দ আলী আশরাফ এর ভ্রাতা সৈয়দ আলী নকী বিগত ২৮/১২/২০০৫ তারিখে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি দায়িত্ব পালনকালীণ সময়ে ট্রাস্টের নিয়োজিত আইনজীবী জনাব মোহাম্মদ ফয়জুল কবীর ও অন্যান্য কুচক্রীমহলের প্ররোচনায় প্রলুব্ধ হয়ে ২০০৬ সালে দারুল ইহসান ট্রাস্টের অধিকাংশ ট্রাস্টি সদস্যদের অগোচরে (২৬ জনের মধ্যে ৯ জন) ও অজ্ঞাতে তঞ্চকতামূলক ভাবে রেজিষ্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফামর্স (RJSC) এর অফিসে একই নামে আরেকটি দারুল ইহসান ট্রাস্ট (এস-৫৫৪২, তাং ০২/০৪/২০০৬) নামে ডুপ্লিকেট ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। উল্লেখ্য যে মূল দারুল ইহসান ট্রাস্ট (১৯৮৬) এর সিডিউল ল্যান্ড হিসেবে সাভারস্থ গনকবাড়ী, আশুলিয়ায় ৮.৬৩ একর জমি সহ মোট ১০ একর ৪৪ শতক জমি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ২০০৬ সালে তঞ্চকতা মূলে রেজিষ্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্ট (২০০৬) এর সিডিউলভুক্ত কোন সম্পত্তি নেই। অধিকন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রেজিষ্টার জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফার্মস কার্যালয় থেকে ইস্যুকৃত পৃথক দুটি পত্রে সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা আদেশে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সাথে ২০০৬ সালে রেজিস্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্টের (এস-৫৫৪২) এর কোনরূপ সম্পর্ক নেই এবং আরও বলা হয়েছে যে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্বের ন্যায় ১৯৮৬ সালে সাভার সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত দারুল ইহসান ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। উল্লেখ থাকে যে, অত্র ট্রাস্টের (দারুল ইহসান টাস্ট ১৪২৮৫/১৯৮৬) আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯/৮/১৯৯৩ তারিখের শিম/শাঃ১৫(১)/১০ এম-২২/৮৯/১০৩-শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পত্রে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সুচারুভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ, প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দৌজা চৌধুরী এবং প্রফেসর ডঃ ইয়াজুদ্দীন আহমেদ যথাক্রমে তিনটি সমাবর্তনে উপস্থিত হয়ে (প্রথম সমাবর্তন- ১৩ মার্চ ১৯৯৭, দ্বিতীয় সমাবর্তন- ২৭ মার্চ ২০০২ ও তৃতীয় সমাবর্তন ২১ ডিসেম্বর ২০০৩) ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান করেন। কিন্তু ২০০৬ সালে পাল্টা ট্রাস্ট গঠন হওয়ার পর থেকে তারা অসৎ উদ্দেশ্যে ও দুরভিসন্ধিমূলক ভাবে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাম ভাঙ্গিয়ে ঢাকা শহরের মিরপুর, উত্তরা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলায় আউটার ক্যাম্পাস স্থাপন করে মূলত সার্টিফিকেট বিক্রির ব্যবসা খুলে বসেন। ফলশ্রুতিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বহু সংখ্যক মামলা পাল্টা মামলার উদ্ভব হয়। এর জেরে ২০১৬ সালে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৩টি রীট মামলা একত্রে শুনানী করে ১৩/০৪/২০১৬
সালে রায় প্রদানের মাধ্যমে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেন, এবং তদস্থলে ‘বাবফ অষর অংযৎধভ ওংষধসরপ টহরাবৎংরঃ‘ নামে বিকল্প একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরামর্শ দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সনে তঞ্চকতামূলে প্রতিষ্ঠিত দারুল ইহসান ট্রাস্ট (এস-৫৫৪২)-এর বর্তমান কোন কমিটি নেই। রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এ্যান্ড ফার্মস অফিসে উক্ত ট্রাস্টের স্বঘোষিত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফয়জুল কবীর কর্তৃক দাখিলকৃত কমিটির উপর গত ০৫/১২/২০২৪ তারিখে মহামান্য আপিলেট ডিভিশন থেকে প্রথমে ৮ (আট) সপ্তাহের স্থগিতাদেশ (Stay Order) ও পরবর্তীতে গত ১০/১২/২০২৪ তারিখে CIVIL APPEAL NO. 25 OF 2023 মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ (Stay Order) বহাল রয়েছে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা সত্বেও মুহাম্মদ ওসমান গণী নিজেকে দারুল ইহসান ট্রাস্টের (২০০৬) এর সেক্রেটারী দাবি করে এমন কি মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিজেকে দাবি করে অস্ত্র ট্রাস্টের মালিকানাধীন মাদরাসার গেটে সাইনবোর্ড টানিয়ে চরম ধৃষ্টতা ও বেআইনী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে। অতিসম্প্রতি মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফ এর ভাতুষ্পুত্র জনৈক সৈয়দ আলী রাহয়ান ওরফে রুন্মান, পিতা মৃত: সৈয়দ আলী রেজা এবং তার দুষ্কর্মের সহযোগী ও বহিরাগত কিছু ভাড়া করা সন্ত্রাসী যথাক্রমে (১) সানজিদ হোসেন (৪৫), পিতা মৃত সৈয়দ সাকেব হোসেন, সাং- আলোকদিয়া, থানা মাগুরা সদর, মাগুরা, (২) রুবেল, পিতা- অজ্ঞাত, (৩) ইমাম হাসান (৫০), মৃত মোতালেব মন্ডল, বর্তমান সাং করিমপুর, পলাসবাড়ী, থানা আশুলিয়া, (৪) লেমন, পিতা অজ্ঞাত, ও অন্যান্য চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসি সহকারে গত ১০/২/২০২৬ তারিখ আনুমানিক বেলা ১১:০০ ঘটিকার সময় অবৈধ ভাবে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ অনুপ্রবেশ করে এবং উক্ত সন্ত্রাসিরা সেখানে মাদকের আখড়া বানিয়ে মাদক সেবন সহ নানাবিধ অপকর্মের মাধ্যমে মাদ্রাসার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে ও মাদ্রাসা সংলগ্ন মার্কেট/ কাঁচাবাজারের ভাড়াটিয়াদের উপর চড়াও হচ্ছে। তারা ট্রাস্টের লোকজন ও কর্মচারীদের মাদ্রাসায় প্রবেশে বাধা প্রদান ও তদসংলগ্ন, ভু সম্পত্তি তথা দোকানপাটে ভাড়া আদায়ে বাধা প্রদান করিতেছে। এবং তারা নিজেরাই বেআইনী ভাবে দোকানিদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করিতেছে। এবং গত ২৭/২/২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০:০০ টায় ট্রাস্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত এসেট ম্যানেজার-কাম- রেন্ট কালেকশন এজেন্ট জনাব জাকির হোসেন, পিতা মৃত আব্দুল কাদের, গ্রাম: গাজিরচট, উত্তর গাজিরচট আলিয়া মাদ্রাসা, আশুলিয়া, ঢাকা, NID: 1937524278, মোবাইল নং-০১৭১১-২৩৪৯৫০ কে মাদ্রাসা প্রবেশে বাধা প্রদান ও প্রাননাশের হুমকি প্রদর্শন সহ তাঁর নিকট মোটা অংকের টাকা (৫০০০০০/-) দাবী করে অদ্যাবধি উক্ত সন্ত্রাসিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বেআইনী ভাবে অবস্থান করছে। আশুলিয়া থানা পুলিশের পাশা পাশি দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী বর্তমানে ম্যাজিষ্ট্রিরিয়াল ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে সমাজ বিরোধী দূর্বৃত্ত চাঁদাবাজ ও গণশত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে গৌরবজনক ভূমিকা পালন করছেন।