
মাকসুদুল হোসেন তুষার,
ইউপি সদস্য প্রার্থিতা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক সাবেক সেনা কর্মকর্তার বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলায় ওই সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ দুই জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় ঘটে এই ঘটনা।
সাওঘাট এলাকার গৃহবধূ মুক্তা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার স্বামী রাইসুল মিল্কি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সার্জন। অবসর পেয়ে সামনে আসন্ন গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য হিসেবে প্রার্থিতা রয়েছেন তার স্বামী রাইসুল মিল্কি। একই ওয়ার্ডে ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক আলমগীর হোসেনও সদস্য প্রার্থী। আর দুইজনেই বিএনপি নেতা। আর এই ইউপির সদস্য প্রার্থীরা নিয়ে দুজনের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুলতা এলাকায় বিএনপি’র শোভাযাত্রা অনুষ্ঠান শেষে গোলাকান্দাইল এলাকায় আলমগীর হোসেনসহ তার লোকজন রাইসুল মিল্কি ও মিলন ভুইয়াকে মারপিট করে। পরে রাতে আলমগীর হোসেনের নির্দেশে তার নিয়োজিত প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন সন্ত্রাসী রাইসুল মিল্কির সাওঘাট এলাকার বসতবাড়িতে রামদা চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে দরজা জানালা আসবাবপত্র ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় ঘরে থাকা নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
এ সশস্ত্র হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্কে সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। খবর পেয়ে ভুলতা ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এ ধরনের ঘটনার একটি অভিযোগ পেয়ে ঘনস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























