Dhaka , Saturday, 8 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা হাসিনা চাইলেই কী দেশে ফিরতে পারবেন? সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিলেটে বাবৌযুপ’র দ্বিতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সিএনজিতে ১১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ১ রূপগঞ্জে বসতভিটায় বালু ফেলার প্রতিবাদে থানার সামনে গণঅভিযোগ ও মানববন্ধন টাঙ্গাইলের মধুপুর শহর অটোরিকশার দখলে মহন গ্রামের একমাত্র সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে ৩০০ পরিবারের মানুষ প্রচলিত আইনের কাঠগড়াতেই নিশ্চিত করা হবে বিগত সব নৃশংসতার বিচার: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা রামগঞ্জে পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু বিচিত্র পেশা কুঁচিয়া ধরা কুঁচিয়া শিকারেই জীবিকা নির্বাহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জে বিএনপির আনন্দ শোভাযাত্রা পিরোজপুরের কঁচা নদীতে ভাসমান অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার সাভারকে ভেঙে কেরানীগঞ্জে যুক্ত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তেঁতুলঝোড়ায় জনতার বিস্ফোরণ সরাইল পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভুয়া পলিশ সদস্যসহ ৩ জন গ্রেফতার নোয়াখালীতে মেঘনার ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, নদীরকূলে এলাকাবাসীর মানববন্ধন রূপগঞ্জের দুই প্রজন্মের দুই সেরা থানা নির্বাহী অফিসার দুর্গাপুরে কালচারাল একাডেমিতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত পাইকগাছায় বাইসাইকেল, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ হাতীবান্ধা ও ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযান: ৩৫৫ বোতল ইস্কাপ সিরাপ ও মোটরসাইকেলের ট্যাংকে লুকানো গাঁজাসহ ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ শ্রীপুরে যুবদল নেতার হামলায় পণ্ড আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সচেতনামূলক সভা যুবদল আহবায়কসহ আহত ৩ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ৩ হাসপাতাল ও ২ স্কুলে চউকের পরিদর্শন, পার্কিং সংকট, নকশা লঙ্ঘন ও অনিয়মে উদ্বেগ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ‘জুলাই বিপ্লব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ফাইনালে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া টিম যৌথ চ্যাম্পিয়ান র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম’র অভিযানে বাইকার গ্যাং কর্তৃক ১ লাখ পিস ইয়াবা পাচারকালে ৬ জন আটক,০৫টি মোটরসাইকেল জব্দ প্রতারণার মামলায় সালমান ও তার বোনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ প্রীতি জিনতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন ব্রেট লি যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোও নিরাপদ থাকবে না: ইরান দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম নাহিদ-আসিফদের ডকুমেন্টারিতে দেখানো উচিত ছিল: মির্জা শামারুহ

হাসিনা চাইলেই কী দেশে ফিরতে পারবেন?

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:02:17 pm, Saturday, 8 August 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

বিবিসি বাংলা,

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের পর তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি আসলেই দেশে ফিরবেন কি না, ফিরলে কবে এবং কীভাবে ফিরবেন—এসব প্রশ্ন এখন সামনে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর গত দুই বছরে বিভিন্ন সময় দেশে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে এবারই প্রথম সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে নিজের দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছে। ২০১৩ সালে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি সই হয় এবং ২০১৬ সালে তা সংশোধন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হলে তাকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে। হত্যা, গুম, বোমা বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসবাদের মতো অপরাধকে শুধু রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগও সীমিত। তবে কোনো মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে সরল বিশ্বাসে করা হয়নি বলে মনে হলে প্রত্যর্পণের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হত্যা, গণহত্যা, গুম ও নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

ফলে তিনি দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো আইনি বাধা না থাকলেও তার বিরুদ্ধে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—শেখ হাসিনার বৈধ পাসপোর্টের পরিস্থিতি এবং দেশে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি। তিনি কোন নথিতে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরবেন, সেটিও বাস্তব পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরো বিষয়টি শুধু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কও সরাসরি জড়িত।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দেশে ফেরার ঘোষণা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। দলটির বহু নেতা-কর্মী বর্তমানে নানা মামলা ও রাজনৈতিক চাপে থাকায় শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য তাদের মধ্যে নতুন করে সক্রিয়তা তৈরি করতে পারে।

আবার কেউ কেউ মনে করছেন, দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকেও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ শেখ হাসিনা ফিরলে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কাও রয়েছে। তার দেশে ফেরা হলে সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ।

সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এখন শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ।

তাই প্রশ্ন এখন একটাই—শেখ হাসিনা কি সত্যিই দেশে ফিরবেন, নাকি দেশে ফেরার এই ঘোষণা তার রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ? উত্তর মিলবে আগামী দিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক developments-এ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

হাসিনা চাইলেই কী দেশে ফিরতে পারবেন?

আপডেট সময় : 04:02:17 pm, Saturday, 8 August 2026

বিবিসি বাংলা,

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের পর তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি আসলেই দেশে ফিরবেন কি না, ফিরলে কবে এবং কীভাবে ফিরবেন—এসব প্রশ্ন এখন সামনে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর গত দুই বছরে বিভিন্ন সময় দেশে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে এবারই প্রথম সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে নিজের দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছে। ২০১৩ সালে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি সই হয় এবং ২০১৬ সালে তা সংশোধন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হলে তাকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে। হত্যা, গুম, বোমা বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসবাদের মতো অপরাধকে শুধু রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগও সীমিত। তবে কোনো মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে সরল বিশ্বাসে করা হয়নি বলে মনে হলে প্রত্যর্পণের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হত্যা, গণহত্যা, গুম ও নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

ফলে তিনি দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো আইনি বাধা না থাকলেও তার বিরুদ্ধে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—শেখ হাসিনার বৈধ পাসপোর্টের পরিস্থিতি এবং দেশে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি। তিনি কোন নথিতে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরবেন, সেটিও বাস্তব পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরো বিষয়টি শুধু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কও সরাসরি জড়িত।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দেশে ফেরার ঘোষণা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। দলটির বহু নেতা-কর্মী বর্তমানে নানা মামলা ও রাজনৈতিক চাপে থাকায় শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য তাদের মধ্যে নতুন করে সক্রিয়তা তৈরি করতে পারে।

আবার কেউ কেউ মনে করছেন, দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকেও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ শেখ হাসিনা ফিরলে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কাও রয়েছে। তার দেশে ফেরা হলে সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ।

সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এখন শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ।

তাই প্রশ্ন এখন একটাই—শেখ হাসিনা কি সত্যিই দেশে ফিরবেন, নাকি দেশে ফেরার এই ঘোষণা তার রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ? উত্তর মিলবে আগামী দিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক developments-এ।