
অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার
মুক্তিপণের টাকা দিয়েও নরসিংদীর স্কুল ছাএ অনয় কে মরতে হলো। অনয় নিখোঁজের পর অজ্ঞাত নাম্বার থেকে তাকে অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। তাদের কথামত মুক্তিপণের এক লাখ টাকাও দেয়া হয় অপহরণকারীদের।আড়িয়াল নদী থেকে অনয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়- ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় অনয় চন্দ্র মোদক মাটিয়াল পাঁড়া নিজ বাড়ি থেকে শিক্ষা উপকরণ কিনতে বেলাব বাজারে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে ওই দিন রাতেই বেলাব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ১৬ জানুয়ারী সাধারণ ডায়েরিটি মামলায় রপান্তরিত হয়।
এদিকে অনয় নিখোঁজের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিখোঁজ হওয়া নিয়ে লেখালেখির পর অজ্ঞাত নাম্বার থেকে অনয়ের পরিবারের নাম্বারে ফোন করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণও চাওয়া হয়। তাদের কথামত বিকাশের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দেয়া হয় । পরে পুলিশ অপহরণকারীদের মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিং করে তাদের অবস্থান দেখতে পায় বরিশালের ভোলায়।
এদিকে রোববার বিকালে নিখোঁজ অনয়ের গ্রামের পাশের গ্রাম বেলাব উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের দীঘলদিকান্দি এলাকার আড়িয়াল নদীতে একটি ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ- পিবিআই- সিআইডি- ডিবির সদস্যরা। অনয়ের পরিবারের দাবি এটি হত্যাকান্ড। তারা অনয় হত্যার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- মীর মাহবুবুর রহমান গনমধ্যমকে জানান -নদীতে ভাসমান মরদেহের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজের স্বজনরা ধারনা করছেন এটি অনয়ের মরদেহ। মরদেহটি বিকৃত হওয়ায় নিশ্চিত করে পরিচয় বলা যাচ্ছে না। মরদেহের সুরতহাল ও ডিএনএ পরীক্ষার পর জানা যাবে এটি অনয়ের মরদেহ কী না।
বেলাব থানা পুলিশের একটি দল বরিশালের ভোলায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

























