Dhaka , Monday, 27 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চায়না অর্থায়নে নির্মিত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বায়েজিদ বোস্তামী থানার অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ চিহিৃত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন’র ২ সহযোগী গ্রেফতার চট্টগ্রামের ‎আনোয়ারায় ‘সিইআইজেড’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মাদারীপুরে মৃত্যুফাঁদ খ্যাত সেই সড়কের মেরামতের কাজ শুরু দক্ষিণ মিঠাছড়ির সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্রাকচালককে অপহরণ ও কুপিয়ে ছিনতাই মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ট্রাক-সিএনজির সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু প্রফেসর ড. রামদুলাল রায়ের আরোগ্য কামনায় গীতা পাঠ ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জের দুইশত পরিবার আবারো উচ্ছেদ আতঙ্কে \ অনাবাসিক জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি নগরীর আমবাগান বস্তিতে মিললো থানা লুটের জোড়া অস্ত্র দূর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি সীতাকুণ্ডে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে মিনিবাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু বছরের পর বছর গ্যাস সংকটে জর্জরিত আশুলিয়ার শ্রীপুর — বিল দিচ্ছেন, গ্যাস পাচ্ছেন না; চরম দুর্ভোগে হাজারো পরিবার রামুতে ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল মাদক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কাশেম র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার মাদারীপুর পৌরসভায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কর্মশালা। মাদারীপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় দুই প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রামে ০৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হরমুজে তেলের ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ সৌদিতে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১.৫৫ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নরসিংদী শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ১৯ বছরেই বহুমাত্রিক সাফল্যের গল্প: কথাসাহিত্যিক, কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট ও উদ্যোক্তা মেহেদি হাসান রাসেল ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চান তাসনুভা তিশা, কিন্তু কেন?

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদেরপথসভা অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:09:48 pm, Saturday, 6 June 2026
  • 44 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে, শুক্রবার বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ মিটুল দাশগুপ্ত এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা নুরুল হুদা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব মাস্টার অজিত শীল, মোহাম্মদ জানে আলম, অশোক চক্রবর্তী, কমল বড়ুয়া, সজল দাশ এবং নয়ন ধর।
বক্তারা বলেন, প্রকৃতি মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ প্রভাব আজ শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা জাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি সমগ্র পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবজাতি, বন্যপ্রাণী, পাখি এবং সামুদ্রিক প্রাণী—সবাই আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। তাই নতুন প্রজন্মকে পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে এখনো নির্বিচারে পাখি শিকার ও হত্যা করা হচ্ছে এবং পাখিকে বাজারের পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। পরিবেশবিধ্বংসী এসব কর্মকাণ্ড রোধে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ। তবে শুধু নতুন চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে বৃক্ষরোপণ আর অন্যদিকে নির্বিচারে বৃক্ষনিধন—এই দুই কার্যক্রম কখনো একসঙ্গে চলতে পারে না। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ কেটে ফেলার ক্ষতি বহু বছরেও পূরণ করা সম্ভব নয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে একটি দেশের মোট আয়তনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। অথচ সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৬ শতাংশ এবং বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণায় এ হার ৯ শতাংশেরও কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাস্তার পাশের গাছ ব্যক্তিগত মালিকানার দাবি করে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। অথচ রাস্তার ধারের গাছ মাটির ক্ষয়রোধ করে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়, পাখির আবাসস্থল তৈরি করে, শব্দ ও তাপদূষণ হ্রাস করে এবং মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই এসব গাছ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
বক্তারা বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব বহন করে। কিন্তু বাস্তবে এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এখনও অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে।
তারা আরও বলেন, মানুষের জীবনের জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য, আর সেই অক্সিজেনের প্রধান উৎস হলো বৃক্ষ, লতাগুল্ম ও জলজ উদ্ভিদ। বিজ্ঞান যত উন্নতই হোক না কেন, প্রকৃতির মতো অবিরাম ও সহজ উপায়ে অক্সিজেন উৎপাদনের বিকল্প এখনো সৃষ্টি করতে পারেনি।
নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় পানি, বিদ্যুৎ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পার্কিংয়ের পাশাপাশি সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণের বিষয়টিও বাধ্যতামূলক করা উচিত। ভবনে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যার অনুপাতে বৃক্ষরোপণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান সংরক্ষণ এবং উপযুক্ত প্রজাতির গাছ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
পথসভা থেকে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশের বিপুল পরিমাণ বনভূমি অবৈধ দখলদারদের কবলে রয়েছে। বনভূমি দখল, জলাশয় ভরাট, পাখি নিধন এবং নির্বিচারে বৃক্ষ কর্তনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণকে উন্নয়নের প্রতিবন্ধক নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
সভা থেকে পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণ, বনভূমি উদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চায়না অর্থায়নে নির্মিত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদেরপথসভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : 01:09:48 pm, Saturday, 6 June 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে, শুক্রবার বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ মিটুল দাশগুপ্ত এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা নুরুল হুদা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব মাস্টার অজিত শীল, মোহাম্মদ জানে আলম, অশোক চক্রবর্তী, কমল বড়ুয়া, সজল দাশ এবং নয়ন ধর।
বক্তারা বলেন, প্রকৃতি মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ প্রভাব আজ শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা জাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি সমগ্র পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবজাতি, বন্যপ্রাণী, পাখি এবং সামুদ্রিক প্রাণী—সবাই আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। তাই নতুন প্রজন্মকে পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে এখনো নির্বিচারে পাখি শিকার ও হত্যা করা হচ্ছে এবং পাখিকে বাজারের পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। পরিবেশবিধ্বংসী এসব কর্মকাণ্ড রোধে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ। তবে শুধু নতুন চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে বৃক্ষরোপণ আর অন্যদিকে নির্বিচারে বৃক্ষনিধন—এই দুই কার্যক্রম কখনো একসঙ্গে চলতে পারে না। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ কেটে ফেলার ক্ষতি বহু বছরেও পূরণ করা সম্ভব নয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে একটি দেশের মোট আয়তনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। অথচ সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৬ শতাংশ এবং বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণায় এ হার ৯ শতাংশেরও কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাস্তার পাশের গাছ ব্যক্তিগত মালিকানার দাবি করে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। অথচ রাস্তার ধারের গাছ মাটির ক্ষয়রোধ করে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়, পাখির আবাসস্থল তৈরি করে, শব্দ ও তাপদূষণ হ্রাস করে এবং মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই এসব গাছ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
বক্তারা বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব বহন করে। কিন্তু বাস্তবে এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এখনও অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে।
তারা আরও বলেন, মানুষের জীবনের জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য, আর সেই অক্সিজেনের প্রধান উৎস হলো বৃক্ষ, লতাগুল্ম ও জলজ উদ্ভিদ। বিজ্ঞান যত উন্নতই হোক না কেন, প্রকৃতির মতো অবিরাম ও সহজ উপায়ে অক্সিজেন উৎপাদনের বিকল্প এখনো সৃষ্টি করতে পারেনি।
নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় পানি, বিদ্যুৎ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পার্কিংয়ের পাশাপাশি সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণের বিষয়টিও বাধ্যতামূলক করা উচিত। ভবনে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যার অনুপাতে বৃক্ষরোপণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান সংরক্ষণ এবং উপযুক্ত প্রজাতির গাছ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
পথসভা থেকে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশের বিপুল পরিমাণ বনভূমি অবৈধ দখলদারদের কবলে রয়েছে। বনভূমি দখল, জলাশয় ভরাট, পাখি নিধন এবং নির্বিচারে বৃক্ষ কর্তনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণকে উন্নয়নের প্রতিবন্ধক নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
সভা থেকে পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান বৃক্ষ সংরক্ষণ, বনভূমি উদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।