Dhaka , Monday, 27 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বাকলিয়া এক্সেস রোডে কলেজ শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের কয়রায় মাদরাসার অনুদানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঘোড়াশালে পল্লীবিদ্যুতের প্রহরীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার-যন্ত্রাংশ লুট,পাঁচটি গ্রাম অন্ধকারে বিএইচআরএফ’র আবেদনে ভারতীয় নাগরিক’কে নিরাপদ হেজাজতে দিলেন বিজ্ঞ মহানগর আদালত চট্টগ্রাম চবির বাংলা বিভাগের আয়োজনে ‘বাংলা বিজ্ঞানসাহিত্যের নন্দিত ভুবন’ শীর্ষক অশোক বড়ুয়া পঞ্চম স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠিত  সড়কের পাশে বালুর স্তুপ, বেপরোয়া ট্রাক চাপায় সিএনজি যাত্রীর মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী দেলোয়ার ইয়াবাসহ ধরা পড়ল ডিবির জালে ঝালকাঠির রাজাপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইটবোঝাই ট্রলি খাদে পড়ে হেল্পার নিহত লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করছে ১৫ বিজিবি: মোগলহাটে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ রাউজানে বাবলু হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারনামীয় ০২ আসামী গ্রেফতার পূর্ব শত্রুতার জেরে নৃশংসভাবে যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন। নেত্রকোণায় এমপি মাছুম মোস্তফার গাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় ব্যয় নয়, মানুষের জীবনই অগ্রাধিকার: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নদী ভাঙ্গন নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়, আমরা রাজনীতি করতে আসিনি: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে সিএসএসের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ইশিকার স্বপ্ন হারাবে না টাকার অভাবে রাঙ্গামাটির বরকলে পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত গড়লেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পতেঙ্গায় বিরোধপূর্ণ জমি দখলের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে জব্বারের বলি খেলার ১১৭ তম আসর পরিদর্শনে সিএমপি কমিশনার.. রূপগঞ্জে বালু নদীর উপর কেওডালা সেতুর নির্মান কাজের উদ্বোধন সিদ্দিরগঞ্জ থানায় পুলিশ সদস্যের হৃদরোগে মৃত্যু নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার চবির প্রাঙ্গণে জ্ঞানের আলোকশিখা, কেন্দ্রীয় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন নদীর ঘাটে লুকানো ২৭’শ লিটার ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পাইকগাছায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং হবে চট্টগ্রামের সবচেয়ে নান্দনিক আবাসিক প্রকল্প :- প্রকৌশলী নুরুল করিম, সিডিএ চেয়ারম্যান রূপগঞ্জের লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা ও বিদেশী মুদ্রাসহ মালামাল লুট শ্রীপুরে ব্যবসার পাওনা টাকা চাওয়ায় পার্টনারদের মারধরে যুবক অপূর্ব বাছাড়ের আত্মহত্যা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসের অর্থ বাণিজ্য, বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ ইটভাটায় পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রেসক্লাব পাইকগাছার ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নিষেধাজ্ঞার পরে এখন আমরা ভালো মাছ পাচ্ছি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:27:07 am, Monday, 6 November 2023
  • 215 বার পড়া হয়েছে

নিষেধাজ্ঞার পরে এখন আমরা ভালো মাছ পাচ্ছি।।

স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।। 
নিষেধাজ্ঞার পরে এখন আমাদের জালে আল্লাহর রহমতে ইলিশ, পোয়া, পাঙ্গাসসহ নানা প্রজাতির ভালো মাছ পাচ্ছি। এতে আমরা কি যে খুশি তা বলে বোঝাতে পারবো না। আশা করি এভাবে আরও ৬/৭ দিন পেলে আমাদের অতীতে এনজিও থেকে ঋণ নেয়া কিস্তি শোধ হবে, সেই সাথে কমবে আমাদের দীর্ঘ ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞার সময়ের ধার-দেনাসহ অন্যান্য ঋণের বোঝা। সম্ভব হবে নিষেধাজ্ঞার সময় যে ধারদেনা পরিশোধ করে ঘুরে দাঁড়ানো। কারণ নিষেধাজ্ঞার সময় আমরা বড় কষ্ট কাটিয়েছি। সরকার যে চাল আমাদেরকে দিয়েছে, তা দিয়ে আমাদের তিন বেলা ভাত খাওয়া সম্ভব হয়নি। কোনদিন দুই বেলা খেয়েছি কোনদিন তিনবেলা খেয়েছি। আবার কোনদিন এক বেলাও খেয়েছি। এভাবেই খেয়ে না খেয়ে কাটিয়েছি  নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ ২২ দিন। কথা এগুলো বলছিলেন, ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলি এলাকার মেঘনা নদীর জেলে মো. নুরু আলম মাঝি, তৈয়ব মাঝি, হাসান মাঝি ও জাকির মাঝি সহ আরও অনেক জেলেরা।
০৫ নভেম্বর রবিবার সকাল থেকে শুরু ৬ নভেম্বর সোমবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, জেলেরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দলবেঁধে ছুটে যাচ্ছেন। অনেকে নদী থেকে মাছসহ হাসিমুখে ঘাটেও ফিরছেন। ঘাটে সেই মাছ বিক্রি করে আবারও জাল ফেলতে যাচ্ছেন নদীতে।
শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকার মেঘনা নদীর জেলে মো. আনোয়ার মাঝি, স্বপন মাঝি ও সিদ্দিক মাঝি আরও জানান, তারা নিষেধাজ্ঞার পরে পৃথকভাবে চার-পাঁচজন মাঝি নিয়ে নদীতে গিয়ে প্রতিদিনই ভালো পরিমাণ ইলিশ, পাঙাশ ও পোয়া মাছ পাচ্ছেন। প্রতিদিনই তারা ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পারছেন।
ভেদুরিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকার তেঁতুলিয়া নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি, সোহেল মাঝি ও মাসুদ মাঝি জানান, বর্তমানে যে পরিমাণ ইলিশ ও পাঙাশসহ বিভিন্ন মাছ তারা নদীতে গিয়ে পাচ্ছেন এটি যদি আরও পাঁচ-ছয়দিন পাওয়া যায় তাহলে নিষেধাজ্ঞার সময়ের ধারদেনা পরিশোধ হয়ে যাবে।
তুলাতুলি মৎস্যঘাটে মাছ কিনতে আসা ক্রেতা মো. মিজানুর রহমান ও কবির হোসেন জানান, বাজারে মাছের দাম বেশি হওয়ায় তারা মাছ কিনতে ঘাটে এসেছেন। কিন্তু ঘাটেও দাম বেশি। এক কেজি সাইজের ইলিশের হালি সাড়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা আর পাঙাশ চার হাজার থেকে আট হাজার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
তুলাতুলি মৎস্যঘাটের আড়তদার মো. আব্দুল খালেক জানান, নিষেধাজ্ঞার পর জেলেরা নদীতে গিয়ে ইলিশের পাশাপাশি ৫/১২ কেজি ওজনের পাঙাশ পাচ্ছেন। এতে আমাদের ঘাটে বেচা-বিক্রি জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে খুচরা ও পাইকারি ক্রেতারা এসে মাছ কিনছেন। তবে ২২ দিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা, বরিশাল, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন পাইকারি আড়তে মাছ পাঠানোর চাহিদা থাকায় দাম একটু বেশি। কয়েকদিন পর দাম আরেকটু কমবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কামাল আজাদ জানান, জেলেরা বর্তমানে যে পরিমাণ মাছ মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে পাচ্ছেন তাতে তারা খুশি। তবে আগামী কয়েক দিন পর নদীতে আরও বেশি ইলিশ, পাঙাশ ও পোয়াসহ বিভিন্ন মাছ পাওয়া যেতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা যে ধারদেনা করেছেন এবার তা পরিশোধ করে আগামী দিনগুলোর জন্য সঞ্চয়ও করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকলিয়া এক্সেস রোডে কলেজ শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

নিষেধাজ্ঞার পরে এখন আমরা ভালো মাছ পাচ্ছি।।

আপডেট সময় : 10:27:07 am, Monday, 6 November 2023
স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।। 
নিষেধাজ্ঞার পরে এখন আমাদের জালে আল্লাহর রহমতে ইলিশ, পোয়া, পাঙ্গাসসহ নানা প্রজাতির ভালো মাছ পাচ্ছি। এতে আমরা কি যে খুশি তা বলে বোঝাতে পারবো না। আশা করি এভাবে আরও ৬/৭ দিন পেলে আমাদের অতীতে এনজিও থেকে ঋণ নেয়া কিস্তি শোধ হবে, সেই সাথে কমবে আমাদের দীর্ঘ ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞার সময়ের ধার-দেনাসহ অন্যান্য ঋণের বোঝা। সম্ভব হবে নিষেধাজ্ঞার সময় যে ধারদেনা পরিশোধ করে ঘুরে দাঁড়ানো। কারণ নিষেধাজ্ঞার সময় আমরা বড় কষ্ট কাটিয়েছি। সরকার যে চাল আমাদেরকে দিয়েছে, তা দিয়ে আমাদের তিন বেলা ভাত খাওয়া সম্ভব হয়নি। কোনদিন দুই বেলা খেয়েছি কোনদিন তিনবেলা খেয়েছি। আবার কোনদিন এক বেলাও খেয়েছি। এভাবেই খেয়ে না খেয়ে কাটিয়েছি  নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ ২২ দিন। কথা এগুলো বলছিলেন, ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলি এলাকার মেঘনা নদীর জেলে মো. নুরু আলম মাঝি, তৈয়ব মাঝি, হাসান মাঝি ও জাকির মাঝি সহ আরও অনেক জেলেরা।
০৫ নভেম্বর রবিবার সকাল থেকে শুরু ৬ নভেম্বর সোমবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, জেলেরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দলবেঁধে ছুটে যাচ্ছেন। অনেকে নদী থেকে মাছসহ হাসিমুখে ঘাটেও ফিরছেন। ঘাটে সেই মাছ বিক্রি করে আবারও জাল ফেলতে যাচ্ছেন নদীতে।
শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকার মেঘনা নদীর জেলে মো. আনোয়ার মাঝি, স্বপন মাঝি ও সিদ্দিক মাঝি আরও জানান, তারা নিষেধাজ্ঞার পরে পৃথকভাবে চার-পাঁচজন মাঝি নিয়ে নদীতে গিয়ে প্রতিদিনই ভালো পরিমাণ ইলিশ, পাঙাশ ও পোয়া মাছ পাচ্ছেন। প্রতিদিনই তারা ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পারছেন।
ভেদুরিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকার তেঁতুলিয়া নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি, সোহেল মাঝি ও মাসুদ মাঝি জানান, বর্তমানে যে পরিমাণ ইলিশ ও পাঙাশসহ বিভিন্ন মাছ তারা নদীতে গিয়ে পাচ্ছেন এটি যদি আরও পাঁচ-ছয়দিন পাওয়া যায় তাহলে নিষেধাজ্ঞার সময়ের ধারদেনা পরিশোধ হয়ে যাবে।
তুলাতুলি মৎস্যঘাটে মাছ কিনতে আসা ক্রেতা মো. মিজানুর রহমান ও কবির হোসেন জানান, বাজারে মাছের দাম বেশি হওয়ায় তারা মাছ কিনতে ঘাটে এসেছেন। কিন্তু ঘাটেও দাম বেশি। এক কেজি সাইজের ইলিশের হালি সাড়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা আর পাঙাশ চার হাজার থেকে আট হাজার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
তুলাতুলি মৎস্যঘাটের আড়তদার মো. আব্দুল খালেক জানান, নিষেধাজ্ঞার পর জেলেরা নদীতে গিয়ে ইলিশের পাশাপাশি ৫/১২ কেজি ওজনের পাঙাশ পাচ্ছেন। এতে আমাদের ঘাটে বেচা-বিক্রি জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে খুচরা ও পাইকারি ক্রেতারা এসে মাছ কিনছেন। তবে ২২ দিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা, বরিশাল, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন পাইকারি আড়তে মাছ পাঠানোর চাহিদা থাকায় দাম একটু বেশি। কয়েকদিন পর দাম আরেকটু কমবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কামাল আজাদ জানান, জেলেরা বর্তমানে যে পরিমাণ মাছ মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে পাচ্ছেন তাতে তারা খুশি। তবে আগামী কয়েক দিন পর নদীতে আরও বেশি ইলিশ, পাঙাশ ও পোয়াসহ বিভিন্ন মাছ পাওয়া যেতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা যে ধারদেনা করেছেন এবার তা পরিশোধ করে আগামী দিনগুলোর জন্য সঞ্চয়ও করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা।