Dhaka , Wednesday, 4 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ কালিয়াকৈরে শ্রমিকের আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত স্পেনের ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ ইয়ামালের বাবার স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার স্বর্ণের চাহিদায় ভাটা, কমল বার ও কয়েন কেনার পূর্বাভাস শুধু ‘স্যরি’ বললেই কি মুছে যায় মনের কষ্ট? ‘ও আমাকে মা-বাবার চেয়েও বেশি বোঝে’ সরাইলে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারীসহ ৮ জন আহত, এলাকায় আতঙ্ক কালিয়াকৈরে তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সাথে সাতার কাটতে গিয়ে নিখোজ গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি রূপগঞ্জে গৃহবধূকে কুপিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রূপগঞ্জে সিম গ্রুপের পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ টেকনাফের সাগরে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাতের আঘাতে ১ জেলে নিহত! নবপ্রজন্মের মাঝে ইসলামের সৌন্দর্য ও শাশ্বত জীবনদর্শন তুলে ধরতে হবে – ইসলামী যুবসমাজ দুর্গাপুরে নাঈমুরের সাফল্যের হেট্রিক : টানা তিন পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে নতুন ইতিহাস মধুপুরে পর্নোগ্রাফি ও ইয়াবা কারবারের অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, মোবাইল-ল্যাপটপ উদ্ধার পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ‎গাইবান্ধায় এলজিইডির বাস্তবায়নে খানাখন্দের রাস্তা ফিরে পেল প্রাণ ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দীর্ঘদিন পর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক লন্ডনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কারি শিল্পের জয়গান: সেরা রেস্তোরাঁ ও শেফদের বিসিএ সম্মাননা অনুষ্ঠিত মাদারীপুর সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বামী হত্যার পর অনিশ্চয়তায় দুই সন্তান, পাশে দাঁড়ালেন ডেপুটি স্পিকার; ল্যাবএইডে চাকরি পেলেন সাংবাদিক আলিফ ফকিরের স্ত্রী সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে অগ্রণী ভূমিকা, শিক্ষা ও সমাজসেবায় প্রশংসিত মোঃ কাউছার ভূঁইয়া

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026
  • 93 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।