Dhaka , Wednesday, 29 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার। মানুষের সেবা করার জন্য বিএনপি ক্ষমতায় আসছে-এমপি খোকন তালুকদার সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ কাউখালীতে জমিজমা ও পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৮ র‍্যাব-৯ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে সিলেটের শাহপরাণে শব্দদূষণ বিধিমালা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১০টি গাড়ির মালিককে জরিমানা রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড বিলাসপুরে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ, প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক বিধ্বস্ত মাধবদীতে দুই কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, ৩ জনকে জরিমানা মধুপুরে টেকী নাগবাড়ী রোডের মীরবাড়ী এলাকায় রাস্তার উদ্বোধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে কমরেড মণি সিংহের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত চলন্ত স্ক্র্যাপবাহী লরিতে আগুন, এক ঘণ্টা যানজট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জুলাই শহীদদের স্বজনদের সঙ্গে সিএমপি’র মতবিনিময় সভা মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল’:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল রামগঞ্জে সরকারি কোষাগারে টাকা ফেরত দিলেন ইউএন সৌদি আরবে নিহত দুই ভাইয়ের দাফন সম্পন্ন ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ সিডি’র, ১৪ হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে টীম স্প্ল্যাশ, পুনর্বাসনে কাজ করছেন অন্যের ব্যথা বুঝতে না পারলে সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ হারায়ে খুঁজি রাজধানীতে টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে নিহত ১ সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা : বিভাগীয় কমিশনার পাইকগাছা পৌরসভার অন্যতম প্রধান সড়কে ভয়াবহ ধস; ঝুঁকিতে হাজারো মানুষের চলাচল, দ্রুত সংস্কারের দাবি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ৮ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অস্ত্র মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোহাম্মাদ হোসেন গ্রেফতার মৃত্যুকে ভয় পাই না, আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম চায়না অর্থায়নে নির্মিত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বায়েজিদ বোস্তামী থানার অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ চিহিৃত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন’র ২ সহযোগী গ্রেফতার চট্টগ্রামের ‎আনোয়ারায় ‘সিইআইজেড’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মাদারীপুরে মৃত্যুফাঁদ খ্যাত সেই সড়কের মেরামতের কাজ শুরু

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026
  • 37 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার।

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।