Dhaka , Sunday, 17 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রামুতে শতশত বনভূমির মাঝে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অসহায় মুফিজের একমাত্র ঘর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিবৃতি অকাল ঝড়ে কৃষক-ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত, তবুও গাজীপুরের লিচু ঘিরে সম্ভাবনার স্বপ্ন সুন্দরবনে করিম শরীফ বাহিনীর দুই সদস্য আটক, জিম্মি ৪ জেলে উদ্ধার মেঘনা ভাঙনে উপকূল, জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে কোন অরাজকতা চলবেনা:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকার ১২টা বাজিয়ে গেছে: আবদুস সালাম দুই দিনের সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় ঈদুল আজহা ২৭ মে আহত খেলোয়াড়কে আর্থিক সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাইলেন মধুপুরের ওসি ফজলুল হক রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৭টি পাসপোর্টসহ সীমান্তে আটক সাবেক পররাষ্ট্র ডিজি সাব্বির কারাগারে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে দিল্লিতে তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪৫ ডিগ্রিতে আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা রাশিয়ায় ইউক্রেনের পালটা ড্রোন হামলা, নিহত ৪ ঈদুল আজহা কবে জানাল আফগানিস্তান ইসলামের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করছে জামায়াত: রাশেদ খান এবার অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের সব ঘটনার তদন্ত চেয়ে রিট উন্নয়নের মহাযজ্ঞে পাল্টে যাচ্ছে পাইকগাছা পৌরসভার যোগাযোগ ব্যবস্থা হরমুজ ইস্যুতে চীনের অবস্থানকে সমর্থন করবে রাশিয়া ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে? মোটরসাইকেল মালিক-চালকদের ওপর কর চান না বিরোধী দলীয় নেতা চট্টগ্রামে র‌্যাবের পৃথক অভিযান, জাল নোটসহ গ্রেফতার ৩ ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির ঝটিকা অভিযান: বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দড়ি ছাড়াই ঘুরে বেড়ায় ১৩শ কেজির ‘নেইমার’ ড. ইউনূসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে সদর হাসপাতা‌লের বর্জ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:12:36 am, Saturday, 19 October 2024
  • 95 বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে সদর হাসপাতা‌লের বর্জ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।।

জসীমউদ্দীন ইতি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

   

যত্রতত্র ভা‌বে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে ঠাকুরগাঁও জেনা‌রেল হাসপাতালের চিকিৎসা বর্জ্য। সাধারণ বর্জ্য স‌ঙ্গে জীবাণুযুক্ত তুলো- ব্যান্ডেজ বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ সমস্ত পচে গলে মিশে যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে নোংরা দূষিত পানি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে- তেমনি হুমকিতে পড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আর অসচেতনতায় এমন অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী।

ত‌বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বল‌ছেন- গত ক‌য়েক মাস ধরে স্থানীয় পৌরসভা নিয়‌মিত বর্জ্য অপসারণ না রাখায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পেছনে গি‌য়ে দেখা যায়, কয়েক ফুট দূরে ঘেষা বর্জ্যের স্তুপ। তার উত্তর পা‌শে র‌য়ে‌ছে নার্সিং ইনস্টিটিউট। এর মা‌ঝে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে হাজারো রোগীর চি‌কিৎসা বর্জ্য। এ সব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত সুই- সিরিঞ্জ- তুলো-অব্যবহৃত ওষুধ ও রোগীদের রক্ত- গজ-ব্যান্ডেজ।

শিশু ওয়া‌র্ডের নজরুল ইসলাম না‌মে এক ‌রোগীর অ‌ভিভাবক ব‌লেন, খোলা জায়গা ফেলে রাখা এ সব প্রাণঘাতী চিকিৎসা বর্জ্য অনেক ক্ষ‌তিকর।

আমরা যারা রোগীর লোক আছি আমাদের জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তার কথা শেষ না হ‌তে রশিদা বেগম না‌মে আ‌রেক রোগীর স্বজন ব‌লেন, আবর্জনা গুলো পচে বিকট দুর্গন্ধ ছড়ি‌য়ে হাসপাতালে ওয়ার্ড পর্যন্ত চলে আসে। এসব দুর্গন্ধ সহ্য করা য‌ায়না- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এসব দেখা উচিত ‌।

নার্সিং ইনস্টিটিউট কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান- বর্জ্যের দুর্গন্ধে তারা ক্লাস কর‌তে পা‌রেন না। এমন‌কি ভাত খে‌তে গে‌লেও ব‌মি আ‌সে।

শিপু আক্তার না‌মে এক না‌র্সিং শিক্ষার্থী ব‌লেন- হো‌স্টেল থে‌কে ক্লা‌সে আসার সময় নাক-মুখ চেপে দ্রুত পার হ‌তে হয়। এটা শুধু এক দিনের ঘটনা নয়- প্রতিদিনই এমন দুর্গন্ধ কার‌নে এভা‌বে পার হ‌তে হয়।

ইনস্টিটিউটের হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট নু‌রে আলম সি‌দ্দি‌কি ব‌লেন, অ‌ফিস ক‌ক্ষের পা‌শে বর্জ্যের দুর্গন্ধ। যার কার‌ণে জানালা খোলা জায়না। দুর্গন্ধের কার‌ণে সব সময় মাস্ক পড়ে থাক‌তে হয়।

ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ অঞ্জনা রানী রায় ব‌লেন, বর্জ্য স্তু‌পের পা‌শে শিক্ষার্থী‌দের ক্লাস রুম ও হো‌স্টেল আ‌ছে। রুম থে‌কে বের হ‌লে চারপাশ ভরে যায় অসহনীয় দুর্গন্ধে। এ সব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধের সঙ্গে সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে মারাত্মক সব জীবাণু, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। অঞ্জনা রানী আরও ব‌লেন- যখন বৃষ্টি হয় তখন রক্তমাখা ময়লা পানি রাস্তা দি‌য়ে প্রবা‌হিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা এ পানির উপর হে‌টে ক্লা‌সে আ‌সে। এ‌তে শিক্ষার্থী‌দের দীর্ঘ মেয়াদী স্কিন ডিজিজ ও শ্বাসকষ্ট হওয়ার শঙ্কা র‌য়ে‌ছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়- হাসপাতালের প‌শ্চিম দি‌কে একটি ইনসাইনেরেটর -চিকিৎসাবর্জ্য বিনষ্ট করার চুল্লি- রয়েছে। ওই স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার নিয়ম থাকলেও- দীর্ঘদিন ধরে তা নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় তার পা‌শে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা-আবর্জনা ও হাসপাতা‌লের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এর ম‌ধ্যে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা কর্তৃক হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিলেও তাদের কর্মকাণ্ড চলছে দায়সারাভাবে। পৌর কর্তৃপক্ষ কিছুদিন আগেও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ করতো। তবে গত একমাসের বেশি সময় ধরে পৌরসভার গা‌ড়ি নিয়‌মিত বর্জ্য নিতে না আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রা‌কিবুজ্জ‌ামান ব‌লেন- যেখান থে‌কে ময়লা গু‌লো ডা‌ম্পিং করা হ‌চ্ছে তা অপসারন করা আমা‌দের জন্য ক‌ঠিন হ‌য়ে পড়‌ছে। কারণ টয়‌লে‌টের স্লা‌বের উপর ময়লা গু‌লো ফেলা হ‌চ্ছে। এরপর ছোট গ‌লি‌তে বড় গাড়ী ঢুক‌ছেনা। এ বিষয়‌টি হাসপাতাল কর্তৃপ‌ক্ষের স‌ঙ্গে বারংবার আ‌লোচনা ক‌রে ময়লা ফেলার জন্য একটি জায়গা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনা‌রেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম ব‌লেন- হাসপাতালের বজ্যের্র শৃঙ্খলা আনতে আধুনিক ও ধোয়া বিহীন ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপিত হচ্ছে। ধোঁয়া বিহীন এ চুল্লিতে মুহূর্তে ছাই হয়ে যাবে যেকোনো ধরনের সংক্রামক বর্জ্য। এতে হাসপাতালে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে দাবি হাসপাতা‌ল‌টির এ তত্ত্বাবধায়কের।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে শতশত বনভূমির মাঝে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অসহায় মুফিজের একমাত্র ঘর

ঠাকুরগাঁওয়ে সদর হাসপাতা‌লের বর্জ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।।

আপডেট সময় : 10:12:36 am, Saturday, 19 October 2024

জসীমউদ্দীন ইতি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

   

যত্রতত্র ভা‌বে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে ঠাকুরগাঁও জেনা‌রেল হাসপাতালের চিকিৎসা বর্জ্য। সাধারণ বর্জ্য স‌ঙ্গে জীবাণুযুক্ত তুলো- ব্যান্ডেজ বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ সমস্ত পচে গলে মিশে যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে নোংরা দূষিত পানি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে- তেমনি হুমকিতে পড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আর অসচেতনতায় এমন অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী।

ত‌বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বল‌ছেন- গত ক‌য়েক মাস ধরে স্থানীয় পৌরসভা নিয়‌মিত বর্জ্য অপসারণ না রাখায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পেছনে গি‌য়ে দেখা যায়, কয়েক ফুট দূরে ঘেষা বর্জ্যের স্তুপ। তার উত্তর পা‌শে র‌য়ে‌ছে নার্সিং ইনস্টিটিউট। এর মা‌ঝে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে হাজারো রোগীর চি‌কিৎসা বর্জ্য। এ সব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত সুই- সিরিঞ্জ- তুলো-অব্যবহৃত ওষুধ ও রোগীদের রক্ত- গজ-ব্যান্ডেজ।

শিশু ওয়া‌র্ডের নজরুল ইসলাম না‌মে এক ‌রোগীর অ‌ভিভাবক ব‌লেন, খোলা জায়গা ফেলে রাখা এ সব প্রাণঘাতী চিকিৎসা বর্জ্য অনেক ক্ষ‌তিকর।

আমরা যারা রোগীর লোক আছি আমাদের জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তার কথা শেষ না হ‌তে রশিদা বেগম না‌মে আ‌রেক রোগীর স্বজন ব‌লেন, আবর্জনা গুলো পচে বিকট দুর্গন্ধ ছড়ি‌য়ে হাসপাতালে ওয়ার্ড পর্যন্ত চলে আসে। এসব দুর্গন্ধ সহ্য করা য‌ায়না- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এসব দেখা উচিত ‌।

নার্সিং ইনস্টিটিউট কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান- বর্জ্যের দুর্গন্ধে তারা ক্লাস কর‌তে পা‌রেন না। এমন‌কি ভাত খে‌তে গে‌লেও ব‌মি আ‌সে।

শিপু আক্তার না‌মে এক না‌র্সিং শিক্ষার্থী ব‌লেন- হো‌স্টেল থে‌কে ক্লা‌সে আসার সময় নাক-মুখ চেপে দ্রুত পার হ‌তে হয়। এটা শুধু এক দিনের ঘটনা নয়- প্রতিদিনই এমন দুর্গন্ধ কার‌নে এভা‌বে পার হ‌তে হয়।

ইনস্টিটিউটের হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট নু‌রে আলম সি‌দ্দি‌কি ব‌লেন, অ‌ফিস ক‌ক্ষের পা‌শে বর্জ্যের দুর্গন্ধ। যার কার‌ণে জানালা খোলা জায়না। দুর্গন্ধের কার‌ণে সব সময় মাস্ক পড়ে থাক‌তে হয়।

ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ অঞ্জনা রানী রায় ব‌লেন, বর্জ্য স্তু‌পের পা‌শে শিক্ষার্থী‌দের ক্লাস রুম ও হো‌স্টেল আ‌ছে। রুম থে‌কে বের হ‌লে চারপাশ ভরে যায় অসহনীয় দুর্গন্ধে। এ সব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধের সঙ্গে সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে মারাত্মক সব জীবাণু, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। অঞ্জনা রানী আরও ব‌লেন- যখন বৃষ্টি হয় তখন রক্তমাখা ময়লা পানি রাস্তা দি‌য়ে প্রবা‌হিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা এ পানির উপর হে‌টে ক্লা‌সে আ‌সে। এ‌তে শিক্ষার্থী‌দের দীর্ঘ মেয়াদী স্কিন ডিজিজ ও শ্বাসকষ্ট হওয়ার শঙ্কা র‌য়ে‌ছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়- হাসপাতালের প‌শ্চিম দি‌কে একটি ইনসাইনেরেটর -চিকিৎসাবর্জ্য বিনষ্ট করার চুল্লি- রয়েছে। ওই স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার নিয়ম থাকলেও- দীর্ঘদিন ধরে তা নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় তার পা‌শে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা-আবর্জনা ও হাসপাতা‌লের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এর ম‌ধ্যে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা কর্তৃক হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিলেও তাদের কর্মকাণ্ড চলছে দায়সারাভাবে। পৌর কর্তৃপক্ষ কিছুদিন আগেও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ করতো। তবে গত একমাসের বেশি সময় ধরে পৌরসভার গা‌ড়ি নিয়‌মিত বর্জ্য নিতে না আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রা‌কিবুজ্জ‌ামান ব‌লেন- যেখান থে‌কে ময়লা গু‌লো ডা‌ম্পিং করা হ‌চ্ছে তা অপসারন করা আমা‌দের জন্য ক‌ঠিন হ‌য়ে পড়‌ছে। কারণ টয়‌লে‌টের স্লা‌বের উপর ময়লা গু‌লো ফেলা হ‌চ্ছে। এরপর ছোট গ‌লি‌তে বড় গাড়ী ঢুক‌ছেনা। এ বিষয়‌টি হাসপাতাল কর্তৃপ‌ক্ষের স‌ঙ্গে বারংবার আ‌লোচনা ক‌রে ময়লা ফেলার জন্য একটি জায়গা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনা‌রেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম ব‌লেন- হাসপাতালের বজ্যের্র শৃঙ্খলা আনতে আধুনিক ও ধোয়া বিহীন ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপিত হচ্ছে। ধোঁয়া বিহীন এ চুল্লিতে মুহূর্তে ছাই হয়ে যাবে যেকোনো ধরনের সংক্রামক বর্জ্য। এতে হাসপাতালে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে দাবি হাসপাতা‌ল‌টির এ তত্ত্বাবধায়কের।