Dhaka , Tuesday, 21 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মেঘনায় জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ বেতাগীতে সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত কার্টুন শেয়ার ইস্যুতে গ্রেপ্তার অ্যাক্টিভিস্ট হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে ছাত্রশক্তির মানববন্ধন টেকনাফে পাহাড় থেকে তিন যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার “মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নকলমুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে” :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কোচবিহারে লোকসভা ভোট: বুড়িমারী সীমান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে চার দিনের বিরতি কুলাঘাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির কড়াকড়ি: মোটরসাইকেল ফেলে পালাল মাদক পাচারকারীরা লালমনিরহাটে মাদকের প্রতিবাদ করায় নারী লাঞ্ছিত: পাল্টা মামলায় ঘরছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার শ্রীপুরে ক্ষুদে খেলোয়াড়ের মাঝে জার্সি ও প্যান্ট বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা ফতুল্লায় মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু গাজীপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন দুর্গাপুরে ৩ ধর্মের প্রতিনিধি উদ্বোধন করলেন খালখনন কর্মসূচি পাইকগাছায় হাম-রুবেলা টিকাদানের উদ্বোধন; প্রায় ২১ হাজার শিশুকে টিকার লক্ষ্যমাত্রা পাইকগাছায় পানি পরীক্ষা ল্যাবের উদ্বোধন শ্রীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ছাত্রদল নেতার মৃত্যু মনোনয়ন না পেয়েও থেমে নেই—নেতৃত্বের পথে নতুন লক্ষ্য, মেয়র নির্বাচনে চোখ আদিতমারীতে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: বেগুন ক্ষেতের মাটির নিচে মিলল ২০০ বোতল মাদক পলাশে শিক্ষার্থীর ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত উচ্ছেদের পরও নিয়ন্ত্রণহীন দখল—গুলিস্তানে ফের সড়ক-ফুটপাত দখলে হকারদের দাপট হরিপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ডে ৮টি ঘর পুড়ে ছাই, এএসআই সামিউল ইসলামের মানবিক সহায়তা রূপগঞ্জে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও বিধবার ৭দোকানে তালা রূপগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতার কারণে দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে। রূপগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত যাত্রীবাহী বাস জব্দ আড়াইহাজারে সাড়ে তিন বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক সরাইল উপজেলায় রাতের আঁধারে সরকারি ফাইল পাচারচেষ্টা: রিকশাচালক আটক, রহস্য ঘনীভূত ৩ লক্ষ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দিচ্ছে চসিক আগামী ৩মে থেকে সকল জেলা উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি একযোগে চলবে – স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা ও অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা ও কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধায় ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করছে কামারশিল্পীরা —

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:47:01 pm, Thursday, 15 July 2021
  • 219 বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করছে কামারশিল্পীরা ---

 

সুমন কুমার বর্মন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি ।।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাইবান্ধার কামার সম্প্রদায়।
কোরবানির পশু জবাই সংক্রান্ত উপকরণ ছুরি, দা, বটিসহ বিভিন্ন ধারালো জিনিস তৈরিতে এখন ব্যস্ত এ জেলার প্রায় ৩ শতাধিক কামার শিল্পী। এসব ধারালো অস্ত্র চাহিদামতো সরবরাহে কামার শিল্পীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে বিক্রি ততো বেশি হবে বলে জানান তারা। জানা যায়, আশির দশকের শুরু থেকে এখানে ব্যবসা শুরু করেছেন দা, বটি, কাস্তে, ছুরি তৈরির কারিগররা।

আর জবাই করার অন্যতম এসব উপাদান বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানির সময়টাতেই ব্যবহার হয় বেশি। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় তাদের আয়-রোজগারও। সারা বছর তাদের দুর্দিন থাকলেও কোরবানিকে কেন্দ্র করে তাদের সুদিন ফেরে। কিন্তু করোনার কারনে এবার বেচা বিক্রিতে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে তাদের শঙ্কা।

কামারপট্টি গুলো ঘুরে দেখা যায়, পশু কোরবানির নানা উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত কামাররা শিল্পীরা।

দারিয়াপুরের মঞ্জা কামারশিল্পী বলেন, আমরা দা, বটি, চাপাতি, ছুরিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করে জেলার বাহিরে সরবরাহ করে থাকি। বর্তমানে প্রতি পিস বটি পাইকারি ৩০০ টাকা, খুচরা ৪০০-৩৫০ টাকা, চাপাতি পাইকারি ৪৫০, খুচরা ৫০০ টাকা, ছুরি সর্বনিম্ন ১২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৭০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে জবাই করার ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বছরে একবারই চাপাতি, ছুরি, বটির চাহিদা বেশি থাকে। এজন্য আগে থেকেই এগুলোর মজুদ করে রাখা হয়।
তবে কামারপট্টির কারিগর অভিযোগ করেন, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারা দিন আগুনের পাশে বসে থাকতে হয়।

তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে গাইবান্ধায় কমে যাচ্ছে কামার সম্প্রদায়। বাধ্য হয়ে পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করছে অনেকে।
খোলাহাটি ইউনিয়নের একাধিক কামারশিল্পী বলেন, সারা বছর আমাদের মোটামুটি বিক্রি হয়। তবে এই সময় বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। তবে উৎপাদন ও প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় লাভ আগের চেয়ে কম হচ্ছে।

কামারশিল্পীদে দাবি সরকারী ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করলে তারা তাদের পৈত্রিক পেশাটাকে টিকিয়ে রাখতে পারবেন বলে তাদের অভিমত।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনায় জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

গাইবান্ধায় ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করছে কামারশিল্পীরা —

আপডেট সময় : 12:47:01 pm, Thursday, 15 July 2021

 

সুমন কুমার বর্মন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি ।।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাইবান্ধার কামার সম্প্রদায়।
কোরবানির পশু জবাই সংক্রান্ত উপকরণ ছুরি, দা, বটিসহ বিভিন্ন ধারালো জিনিস তৈরিতে এখন ব্যস্ত এ জেলার প্রায় ৩ শতাধিক কামার শিল্পী। এসব ধারালো অস্ত্র চাহিদামতো সরবরাহে কামার শিল্পীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে বিক্রি ততো বেশি হবে বলে জানান তারা। জানা যায়, আশির দশকের শুরু থেকে এখানে ব্যবসা শুরু করেছেন দা, বটি, কাস্তে, ছুরি তৈরির কারিগররা।

আর জবাই করার অন্যতম এসব উপাদান বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানির সময়টাতেই ব্যবহার হয় বেশি। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় তাদের আয়-রোজগারও। সারা বছর তাদের দুর্দিন থাকলেও কোরবানিকে কেন্দ্র করে তাদের সুদিন ফেরে। কিন্তু করোনার কারনে এবার বেচা বিক্রিতে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে তাদের শঙ্কা।

কামারপট্টি গুলো ঘুরে দেখা যায়, পশু কোরবানির নানা উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত কামাররা শিল্পীরা।

দারিয়াপুরের মঞ্জা কামারশিল্পী বলেন, আমরা দা, বটি, চাপাতি, ছুরিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করে জেলার বাহিরে সরবরাহ করে থাকি। বর্তমানে প্রতি পিস বটি পাইকারি ৩০০ টাকা, খুচরা ৪০০-৩৫০ টাকা, চাপাতি পাইকারি ৪৫০, খুচরা ৫০০ টাকা, ছুরি সর্বনিম্ন ১২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৭০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে জবাই করার ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বছরে একবারই চাপাতি, ছুরি, বটির চাহিদা বেশি থাকে। এজন্য আগে থেকেই এগুলোর মজুদ করে রাখা হয়।
তবে কামারপট্টির কারিগর অভিযোগ করেন, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারা দিন আগুনের পাশে বসে থাকতে হয়।

তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে গাইবান্ধায় কমে যাচ্ছে কামার সম্প্রদায়। বাধ্য হয়ে পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করছে অনেকে।
খোলাহাটি ইউনিয়নের একাধিক কামারশিল্পী বলেন, সারা বছর আমাদের মোটামুটি বিক্রি হয়। তবে এই সময় বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। তবে উৎপাদন ও প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় লাভ আগের চেয়ে কম হচ্ছে।

কামারশিল্পীদে দাবি সরকারী ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করলে তারা তাদের পৈত্রিক পেশাটাকে টিকিয়ে রাখতে পারবেন বলে তাদের অভিমত।