
অরবিন্দ রায়,
অসহায়ত্ব, দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তার ও মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন নরসিংদী শিবপুর উপজেলার বিধবা মিলন রানী দাস। মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয় নেই, সংসারে নিত্যদিনের খাবারেরও ছিল চরম সংকট। মিলন রানীর এমন হৃদয়বিদারক জীবন সংগ্রামের চিএ তুলে ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ৷ প্রকাশের পরপরই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
সংবাদ প্রকাশের পর শিবপুর উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন মিলন রাণী দাসের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ খবর নেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন (টিন) এবং ইউএনওর ব্যক্তিগত অর্থায়ন থেকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে বসবাস করে আসা মিলন রাণী দাস প্রশাসনের এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রশাসনের দেওয়া ঢেউটিন এবং এলাকাবাসীর আর্থিক সহযোগিতায় মিলনরাণী দাস এর বসত ঘরটি দ্রুত সংস্কার করা হবে।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন এর মানবিক পদক্ষেপের হাত বাড়িয়ে দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এলাকাবাসীর ।
এলাকাবাসী জানান, সংবাদটি প্রকাশের পর
প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন একইভাবে দাঁড়াবেন এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।

























