Dhaka , Thursday, 3 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জেনারেটর অকেজো,কলেরা  রোগীর সাথে সাধারণ রোগী, চিকিৎসক সংকটে সরাইলের স্বাস্থ্যসেবা মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বাড়ির ২০ লাখ টাকার ক্ষতি পাইকগাছায় ৪০ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে ৩৩৪ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত রামগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা “হয় মাদক ছাড়ো না হয় এলাকা ছাড়ো “ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে কলমাকান্দার ওলামা ও ইমাম-খতিবদের মতবিনিময় “মাঠে মুখোমুখি পুলিশ ও সাংবাদিক: সিএমপি বনাম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত” চট্টগ্রামে ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে :- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা? যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য ভিসা বন্ড থেকে রোহিঙ্গা সংকট—মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বৈঠকে নানা প্রসঙ্গ হাঁটুর নীচে টিকা দেওয়ায় শিশুর পায়ে জটিলতা তদন্তের নির্দেশ দিলেন ইউএনও চার অঙ্গ অচল কুরবান হুইলচেয়ার চাইলেন, গণশুনানিতেই কিনে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান শিশুর বিকাশ উন্নত জাতি গঠনে হাজার দিন যত্ন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকরী ভূমিকার বিকল্প নেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপ ইরানের নির্দেশনা না মেনে হরমুজে চলাচল, মাইন বিস্ফোরণে ধ্বংস ২ জাহাজ শত বছরের খাল প্রশাসনের অভিযানে দখলমুক্তর পরে ফিরে পেলো প্রাণ- ভরাটের মালামাল নিলাম লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, শত ডলার ছুঁইছুঁই সরকারবিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো সময়ে ভারতে যাবেন: চিফ হুইপ আজ আমরা প্রথম গণতন্ত্রের মাকে ছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করছি: আনোয়ার হোসেন মাস্টার জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপির কাজ করে : এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি জোরালো হচ্ছে 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:22:39 pm, Friday, 15 August 2025
  • 143 বার পড়া হয়েছে
তৌহিদ বেলাল,
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবি দিনদিন জোরালো হচ্ছে। সবকটিতে হরহামেশাই ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্রমণে যাওয়ার পথে বৃহস্পতিবার রাতেও সড়কটিতে ঝরেছে টগবগে দুই তরুণের তাজা প্রাণ।
অতি ব্যস্ত মহাসড়কটিতে নিত্য দুর্ঘটনার জন্য বহুল আলোচিত লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় দ্রুত গতির বেপরোয়া ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় দুই বাইক আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত এগারোটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন- কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার সদর ইউনিয়নের আব্দুস শুক্কুরের ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও জালালাবাদ ইউনিয়নের শামসুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৯)। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানায়, পৃথক তিনটি মোটরসাইকেলযোগে বন্ধুরা মিলে বৃহস্পতিবার রাতে রাঙ্গামাটির সাজেকে ভ্রমণের জন্য বের হয়। কক্সবাজারের ঈদগাঁও থেকে রওনা দিয়ে তারা মহাসড়কের চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় পৌঁছালে কক্সবাজারমুখী একটি ডাম্প ট্রাক তাদের বহরে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে রাকিব ও জিহাদ মারাত্মক আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের  দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর বান্দরবানের লামা থানার আজিজনগর ফাঁড়ির একটি টিম ট্রাকটির চালক ও সহযোগীকে আটক করেছে। ঘাতক ট্রাক দোহাজারী হাইওয়ে থানায় জব্দ থাকবে।
বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ও সমুদ্র নগরী কক্সবাজার যাতায়াতের পথে বিপজ্জনক এক ভয়াবহ, আলোচিত নাম চুনতির জাঙ্গালিয়া। হরহামেশাই সেখানে ঘটে দুর্ঘটনা, প্রাণ যায় মানুষের। দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার কারণ হিসেবে উঠে আসে- সড়কের অপ্রশস্ততা, চালকদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া, বিপজ্জনক বাঁক, লবণের পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ার মতো নানান বিষয়। স্থানীয়দের কেউ কেউ আবার এখানে অতিপ্রাকৃতিক শক্তির হাতও দেখেন। তাদের মধ্যে কারও কারও ধারণা- এই এলাকায় পৌঁছালেই ‘অশুভ শক্তি’ ভর করে গাড়িচালকদের ওপর। এখানে পৌঁছাতেই পরিবহন চালকেরা সড়ক দেখতে পান কয়েকটি। এরমধ্যে একটি ধরে এগোতেই নিয়ন্ত্রণ হারান গাড়িচালকেরা। আর তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা।
সর্বশেষ, গেল ঈদুল ফিতরের সময় চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় তিন দিনের ব্যবধানে এই সড়কে মারা যান অন্তত ১৫ জন। ওইসময় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি প্রশস্ত করার দাবি ওঠে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আন্দোলন শুরু হয়। এছাড়া বর্তমান সরকারের একাধিক উপদেষ্টার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করে এবিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদনও জানানো হয়। জোর দাবি জানানো হয়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অনতিবিলম্বে ছয় লেনে উন্নীত করার। কয়েকদিন ধরে চলমান আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে থেমে যায়। এরপরও হরহামেশাই দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তারপরও সডকটি প্রশস্ত করার বিষয়ে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি।
জানা যায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে প্রথম থেকেই সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে সাংবাদিকদের সংগঠন ‘কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব’ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘সেভ দ্য কক্সবাজার’। পরবর্তীতে একই দাবিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আন্দোলনের আলাদা দুটি সংগঠন ‘বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠিত হয়।
কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব’র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবু মুসা মুহাম্মাদ বলেন, ‘দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি রোধে অবিলম্বে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পদক্ষেপ নিতে হবে। নয়তো, এই দাবিতে কক্সবাজার থেকে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে’।
সেভ দ্য কক্সবাজার-এর নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জামশেদ বলেন, ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যেনো এক মৃত্যুফাঁদ। নিরাপদ যাতায়াত, জীবন রক্ষা এবং দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি রোধে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নয়তো মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতেই থাকবে, যার দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে’।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জেনারেটর অকেজো,কলেরা  রোগীর সাথে সাধারণ রোগী, চিকিৎসক সংকটে সরাইলের স্বাস্থ্যসেবা

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি জোরালো হচ্ছে 

আপডেট সময় : 07:22:39 pm, Friday, 15 August 2025
তৌহিদ বেলাল,
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবি দিনদিন জোরালো হচ্ছে। সবকটিতে হরহামেশাই ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্রমণে যাওয়ার পথে বৃহস্পতিবার রাতেও সড়কটিতে ঝরেছে টগবগে দুই তরুণের তাজা প্রাণ।
অতি ব্যস্ত মহাসড়কটিতে নিত্য দুর্ঘটনার জন্য বহুল আলোচিত লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় দ্রুত গতির বেপরোয়া ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় দুই বাইক আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত এগারোটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন- কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার সদর ইউনিয়নের আব্দুস শুক্কুরের ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও জালালাবাদ ইউনিয়নের শামসুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৯)। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানায়, পৃথক তিনটি মোটরসাইকেলযোগে বন্ধুরা মিলে বৃহস্পতিবার রাতে রাঙ্গামাটির সাজেকে ভ্রমণের জন্য বের হয়। কক্সবাজারের ঈদগাঁও থেকে রওনা দিয়ে তারা মহাসড়কের চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় পৌঁছালে কক্সবাজারমুখী একটি ডাম্প ট্রাক তাদের বহরে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে রাকিব ও জিহাদ মারাত্মক আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের  দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর বান্দরবানের লামা থানার আজিজনগর ফাঁড়ির একটি টিম ট্রাকটির চালক ও সহযোগীকে আটক করেছে। ঘাতক ট্রাক দোহাজারী হাইওয়ে থানায় জব্দ থাকবে।
বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ও সমুদ্র নগরী কক্সবাজার যাতায়াতের পথে বিপজ্জনক এক ভয়াবহ, আলোচিত নাম চুনতির জাঙ্গালিয়া। হরহামেশাই সেখানে ঘটে দুর্ঘটনা, প্রাণ যায় মানুষের। দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার কারণ হিসেবে উঠে আসে- সড়কের অপ্রশস্ততা, চালকদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া, বিপজ্জনক বাঁক, লবণের পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ার মতো নানান বিষয়। স্থানীয়দের কেউ কেউ আবার এখানে অতিপ্রাকৃতিক শক্তির হাতও দেখেন। তাদের মধ্যে কারও কারও ধারণা- এই এলাকায় পৌঁছালেই ‘অশুভ শক্তি’ ভর করে গাড়িচালকদের ওপর। এখানে পৌঁছাতেই পরিবহন চালকেরা সড়ক দেখতে পান কয়েকটি। এরমধ্যে একটি ধরে এগোতেই নিয়ন্ত্রণ হারান গাড়িচালকেরা। আর তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা।
সর্বশেষ, গেল ঈদুল ফিতরের সময় চুনতির জাঙ্গালিয়া এলাকায় তিন দিনের ব্যবধানে এই সড়কে মারা যান অন্তত ১৫ জন। ওইসময় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি প্রশস্ত করার দাবি ওঠে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আন্দোলন শুরু হয়। এছাড়া বর্তমান সরকারের একাধিক উপদেষ্টার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করে এবিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদনও জানানো হয়। জোর দাবি জানানো হয়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অনতিবিলম্বে ছয় লেনে উন্নীত করার। কয়েকদিন ধরে চলমান আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে থেমে যায়। এরপরও হরহামেশাই দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তারপরও সডকটি প্রশস্ত করার বিষয়ে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি।
জানা যায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে প্রথম থেকেই সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে সাংবাদিকদের সংগঠন ‘কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব’ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘সেভ দ্য কক্সবাজার’। পরবর্তীতে একই দাবিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আন্দোলনের আলাদা দুটি সংগঠন ‘বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠিত হয়।
কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব’র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবু মুসা মুহাম্মাদ বলেন, ‘দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি রোধে অবিলম্বে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পদক্ষেপ নিতে হবে। নয়তো, এই দাবিতে কক্সবাজার থেকে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে’।
সেভ দ্য কক্সবাজার-এর নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জামশেদ বলেন, ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যেনো এক মৃত্যুফাঁদ। নিরাপদ যাতায়াত, জীবন রক্ষা এবং দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি রোধে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নয়তো মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতেই থাকবে, যার দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে’।