Dhaka , Thursday, 5 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক মাদক সেবনের দায়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলী আহম্মেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও বহিষ্কার কুড়িগ্রামে ১১৭০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা ‘এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ আমি’: মেঘনা আলম পাইকগাছায় নাশকতা, জুয়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪ বি‌লে‌তের মা‌টি‌তে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননা ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষককে বিদায় সংবর্ধনা:: সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, পুলিশের গাড়িতে আগুন, ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সিলেট টেস্টে ব্যাটিং অর্ডারে রদবদলের ইঙ্গিত, তিনে নামতে পারেন অধিনায়ক ১৯ বছরেই এমবাপ্পেকে টপকে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল অস্ত্রের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’: সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন খাগড়াছড়িতে ৫৫তম পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত, ‘গিরিস্বপ্ন ২০২৬’-এর মোড়ক উন্মোচন রূপগঞ্জ পূর্বাচলের ৩০০ ফুটে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি \ চালকসহ তিন জন গ্রেফতার সীতাকুণ্ডে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণে সচিবকে ডিসির চিঠি, ২৪ ঘণ্টায় নানা পদক্ষেপ আসামে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন ৪ হাজার বাঙালি মুসলিম ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতের আহ্বান জিএম কাদেরের জয়পুরহাটে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান একনেক সভায় বিসিসির জন্য ৭০১ কোটি টাকা অনুমোদন : অবহেলিত থেকে গেল দক্ষিণাঞ্চল মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে নির্মিত হবে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সাভারে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০ ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ কালিয়াকৈরে শ্রমিকের আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:18:14 am, Wednesday, 10 July 2024
  • 224 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

তৌহিদ বেলাল
  
কক্সবাজার অফিস।।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের কলাতলি সড়কের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় অসহায় পরিবারের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। দুর্ধর্ষ জালিয়াত এই চক্রটি মালিকপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করতে নানা অপকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আর এতে করে সমাধানের আশায় বুক বেঁধেছেন ভুক্তভোগী রবিউল। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র। বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলির আদর্শ গ্রামে বসবাস করেন তিনি। 
দায়ের করা ওই অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- কক্সবাজার পৌরসভার ঝিলংজা মৌজার বন্দোবস্তি মামলা নং ২১২- ১৯৪৫-৪৬ মূলে বন্দোবস্তি খতিয়ান নং ১২২৪- ২৯২ এর ১.৫০ একর জায়গার মালিক হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মধ্যম বাহারছড়ার আবুল কাশেম ও তার অন্য ভাইবোন। আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়েরা ওই জমি থেকে আনুপাতিকহারে প্রায় ৬ গণ্ডা জায়গার মালিক হন। মালিকপক্ষের দাবি, বর্তমানে ওই জমির বাজারমূল্য প্রায় একশো কোটি টাকা। এখান থেকে রবিউল পাবেন ০.০১৯২ শতক জমি।
ওয়ারিশদের দাবি- আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তাদের অংশের জমি চাচা গিয়াসউদ্দিন জালিয়াতির মাধ্যমে জবরদখল ও অন্যত্র বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন। এ লক্ষে তিনি বিভিন্ন জাল দলিলও বানিয়েছেন।
আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল জানান- তার চাচা গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন জাল দলিল তৈরি করে তাদের অংশসহ পুরো জমিটা ভোগদখলের জোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী ভাড়া ও গণপূর্ত অধিদফতরকে ব্যবহার করে পুরো জমি গ্রাস করার নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া গিয়াসউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা তাদের নিকট থেকে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে বলেও অভিযোগ তাদের। তা না হলে ওই জমিতে রবিউলদের প্রবেশ করতে দেবেনা বলেও প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে।
জানা যায়- বিরোধীয় জমিটির বিষয়ে রয়েছে হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন মামলা ৫৫৭-২০১৯ ও ১৬১৮-২০১৮- যেটি আদার স্যুট ১৪৭-২০১১ হতে উদ্ভূত হয়েছে। উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ওই জমির প্রকৃত মালিক রবিউলদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।
    
রবিউলের দাবি- তারা নির্মাণকাজ করতে গেলে তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন ও তার ছেলেরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাদের অপহরণ- খুন- গুমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে ও নানানভাবে হয়রানি করে আসছে। 
জানা যায়- নিজেদের পৈত্রিক জমি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখল বিষয়ে আইনি প্রতিকার ও নিজেদের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে রবিউল গেল ৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই বিষয়ে তিনি ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকটও লিখিত অভিযোগ দেন। 
জানা গেছে- ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গেল ২৮ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার মুনমুন পাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে -ভূমি- অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেন। 
  
জানা যায়- নিজেদের ওই জমির নামজারি করতে মালিক রবিউল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে নামজারির আবেদন ফি জমা দেন। আবেদনের সঙ্গে তিনি মালিকানার সপক্ষে সকল কাগজপত্র দাখিল করেন। 
    
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, নালিশি ওই জমির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট -এডিএম- আদালতে এমআর মামলা ২০২০-২০২২ দায়ের করা হলেও তাতে গিয়াসউদ্দিন হাজির হননি। এছাড়া সরেজমিনে তদন্ত করে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার -ভূমি- ‘র নিকট থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। কিন্তু চাচা গিয়াসউদ্দিন টাকার জোরে ওই তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে করে নিয়েছেন বলে দাবি রবিউলদের। ফলে এসিল্যান্ডের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এডিএম কোর্টে নারাজি আবেদন জানানো হয়েছে। 
   
ভুক্তভোগী রবিউলের দাবি- তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন মোটা অংকের বিনিময়ে আদালতে তার পক্ষের আইনজীবী ও সহকারীদের বশে নিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতারণা করছেন। 
  
রবিউল বলেন- ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে আদেশ দেন’। 
  
এবিষয়ে অভিযুক্ত গিয়াসউদ্দিন বলেন- ‘আমার পিতার ৬ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের সকলেই ওই জমি দলিলমূলে হস্তান্তর করে ফেলেছে। সুতরাং এখন আমরা কেউ আর জমিটির মালিক নই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

আপডেট সময় : 06:18:14 am, Wednesday, 10 July 2024
তৌহিদ বেলাল
  
কক্সবাজার অফিস।।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের কলাতলি সড়কের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় অসহায় পরিবারের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। দুর্ধর্ষ জালিয়াত এই চক্রটি মালিকপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করতে নানা অপকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আর এতে করে সমাধানের আশায় বুক বেঁধেছেন ভুক্তভোগী রবিউল। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র। বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলির আদর্শ গ্রামে বসবাস করেন তিনি। 
দায়ের করা ওই অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- কক্সবাজার পৌরসভার ঝিলংজা মৌজার বন্দোবস্তি মামলা নং ২১২- ১৯৪৫-৪৬ মূলে বন্দোবস্তি খতিয়ান নং ১২২৪- ২৯২ এর ১.৫০ একর জায়গার মালিক হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মধ্যম বাহারছড়ার আবুল কাশেম ও তার অন্য ভাইবোন। আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়েরা ওই জমি থেকে আনুপাতিকহারে প্রায় ৬ গণ্ডা জায়গার মালিক হন। মালিকপক্ষের দাবি, বর্তমানে ওই জমির বাজারমূল্য প্রায় একশো কোটি টাকা। এখান থেকে রবিউল পাবেন ০.০১৯২ শতক জমি।
ওয়ারিশদের দাবি- আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তাদের অংশের জমি চাচা গিয়াসউদ্দিন জালিয়াতির মাধ্যমে জবরদখল ও অন্যত্র বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন। এ লক্ষে তিনি বিভিন্ন জাল দলিলও বানিয়েছেন।
আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল জানান- তার চাচা গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন জাল দলিল তৈরি করে তাদের অংশসহ পুরো জমিটা ভোগদখলের জোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী ভাড়া ও গণপূর্ত অধিদফতরকে ব্যবহার করে পুরো জমি গ্রাস করার নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া গিয়াসউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা তাদের নিকট থেকে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে বলেও অভিযোগ তাদের। তা না হলে ওই জমিতে রবিউলদের প্রবেশ করতে দেবেনা বলেও প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে।
জানা যায়- বিরোধীয় জমিটির বিষয়ে রয়েছে হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন মামলা ৫৫৭-২০১৯ ও ১৬১৮-২০১৮- যেটি আদার স্যুট ১৪৭-২০১১ হতে উদ্ভূত হয়েছে। উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ওই জমির প্রকৃত মালিক রবিউলদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।
    
রবিউলের দাবি- তারা নির্মাণকাজ করতে গেলে তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন ও তার ছেলেরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাদের অপহরণ- খুন- গুমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে ও নানানভাবে হয়রানি করে আসছে। 
জানা যায়- নিজেদের পৈত্রিক জমি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখল বিষয়ে আইনি প্রতিকার ও নিজেদের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে রবিউল গেল ৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই বিষয়ে তিনি ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকটও লিখিত অভিযোগ দেন। 
জানা গেছে- ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গেল ২৮ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার মুনমুন পাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে -ভূমি- অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেন। 
  
জানা যায়- নিজেদের ওই জমির নামজারি করতে মালিক রবিউল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে নামজারির আবেদন ফি জমা দেন। আবেদনের সঙ্গে তিনি মালিকানার সপক্ষে সকল কাগজপত্র দাখিল করেন। 
    
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, নালিশি ওই জমির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট -এডিএম- আদালতে এমআর মামলা ২০২০-২০২২ দায়ের করা হলেও তাতে গিয়াসউদ্দিন হাজির হননি। এছাড়া সরেজমিনে তদন্ত করে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার -ভূমি- ‘র নিকট থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। কিন্তু চাচা গিয়াসউদ্দিন টাকার জোরে ওই তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে করে নিয়েছেন বলে দাবি রবিউলদের। ফলে এসিল্যান্ডের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এডিএম কোর্টে নারাজি আবেদন জানানো হয়েছে। 
   
ভুক্তভোগী রবিউলের দাবি- তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন মোটা অংকের বিনিময়ে আদালতে তার পক্ষের আইনজীবী ও সহকারীদের বশে নিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতারণা করছেন। 
  
রবিউল বলেন- ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে আদেশ দেন’। 
  
এবিষয়ে অভিযুক্ত গিয়াসউদ্দিন বলেন- ‘আমার পিতার ৬ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের সকলেই ওই জমি দলিলমূলে হস্তান্তর করে ফেলেছে। সুতরাং এখন আমরা কেউ আর জমিটির মালিক নই।