Dhaka , Wednesday, 22 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন মাদারীপুরে র‌্যাবের হাতে জাল টাকা ও টাকা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া রোধ ও পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে নারায়ণগঞ্জে সমন্বয়ক সভা ফুটবল সমর্থকদের উস্কানিকে কেন্দ্র করে ফতুল্লায় সংঘর্ষ, বাড়িঘরে ভাঙচুর নারায়ণগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, নতুন কমিটি ঘোষণা মধুপুরের কোনাবাড়ি গ্রামের ১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা মধুপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে বাসিন্দারা লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহে স্বামীকে ফাঁসালেন স্ত্রী রামগঞ্জে বাপ ডেকেও নিস্তার না পাওয়া স্ত্রীর বীরপুরুষ এখন পুলিশের খাঁচায় বন্দি পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি পরিবার ও বিদ্যালয় থেকেই শুরু করতে হবে- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি শহীদ ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদ স্মরণে আলোচনা সভায় ডা. শাহাদাত হোসেন মেঘনা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুল ছাএের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতিতে ‘এক্সক্লুসিভ লিংকডইন সেশন’ অনুষ্ঠিত জিয়াউল আহসানের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ির ৮তলা বাড়িতে দুদকের অভিযান পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ শিশু আয়নী হত্যা মামলার রায়ে একমাত্র আসামী রুবেলের মৃত্যুদন্ড চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরের যানজট কমাতে হাসপাতালগুলোর নকশা ও পার্কিংয়ে কড়া নজর সিডিএ’র চট্টগ্রামে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সীতাকুণ্ডে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে বাধার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে STP Association-এর প্রতিবাদ পূবাইলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সরাইলে জিহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস রূপগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধ নিহত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাইকগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:56:17 am, Thursday, 4 July 2024
  • 130 বার পড়া হয়েছে

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

ইবি প্রতিনিধি।।
  
  
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের -ইবি- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১৮২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে বরাদ্দকৃত বাজেটের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। বাজেটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৫ হাজার টাকা- যা মোট বাজেটের ৭৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে বরাবরের মতোই উপেক্ষা করা হয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে। এতে বরাদ্দ রয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মূল বাজেটের ১.৫২ শতাংশ।
অর্থ ও হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে- অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ১৭৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন -ইউজিসি-। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে আসবে ৯ কোটি ৭২ লাখ। বাজেটে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ৬৬ দশমিক ২২ শতাংশ। আর পেনশন বাবদ ২১ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এছাড়া অবসর ভাতাভোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বাবদ ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। সবমিলিয়ে বাজেটের ৭৮.০৪ শতাংশ ব্যয় হবে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ- পেনশন ও বিশেষ সুবিধা প্রদানে।
অন্যদিকে বাজেটে গুরুত্ব পায়নি গবেষণা-উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো। গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তায় ৩৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৯ শতাংশ। এছাড়া ছাত্রকল্যাণ তহবিল বাবদ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এছাড়া বাজেটে পণ্য ও সেবা -সাধারণ ও মেরামত- ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। যন্ত্রপাতি অনুদান খাতে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। যানবাহন বাবদ ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুদান বাবদ ৩৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। অন্যান্য মূলধন অনুদান বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ।
এদিকে এবারের বাজেটেও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো বরাবরের মতো অবহেলিত বলে মনে করছেন বাজেট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন তারা।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন- বাজেটের সিংহভাগই ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বাতা ও পেনশন বাবদ। অন্যদিকে বাজেটে শিক্ষার্র্থী সংশ্লিষ্ট খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চাহিদা কোনোভাবেই পূরণ সম্ভব নয়।
অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, চাহিদা দেওয়ার সময় আমরা মূল বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ২৫ শতাংশ গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে দিয়ে থাকি। কিন্তু ইউজিসি না দিলে তো আমাদের কিছু করার নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে বলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফি থেকেই আসে। সেটাতো আর চাইলেই প্রশাসন বাড়াতে পারে না।
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ বলেন- বাজেট প্রণয়ণ একটি গতানুগতিক কাজ। বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলবে তার খরচের একটা আর্থিক হিসাবমাত্র। আর সেটা অনুমোদন করে ইউজিসি। একটি রাষ্ট্রের বাজেটের মধ্যে যেমন বিভিন্ন উদ্ভাবনী দিক থাকে এটা সেরকম না। এখানে প্রশাসনের ক্রিয়েটিভ কিছু করার নেই। চাইলেই তারা একটা কিছু করতে পারবে না। গবেষণা খাতে চাইলেই তো আর সরকার দিয়ে দিবে না। তবে গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিৎ। চাহিদা দেওয়ার সময় অবশ্যই আরও বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। দেওয়া না দেওয়া সরকারের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

আপডেট সময় : 11:56:17 am, Thursday, 4 July 2024
ইবি প্রতিনিধি।।
  
  
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের -ইবি- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১৮২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে বরাদ্দকৃত বাজেটের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। বাজেটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৫ হাজার টাকা- যা মোট বাজেটের ৭৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে বরাবরের মতোই উপেক্ষা করা হয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে। এতে বরাদ্দ রয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মূল বাজেটের ১.৫২ শতাংশ।
অর্থ ও হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে- অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ১৭৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন -ইউজিসি-। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে আসবে ৯ কোটি ৭২ লাখ। বাজেটে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ৬৬ দশমিক ২২ শতাংশ। আর পেনশন বাবদ ২১ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এছাড়া অবসর ভাতাভোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বাবদ ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। সবমিলিয়ে বাজেটের ৭৮.০৪ শতাংশ ব্যয় হবে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ- পেনশন ও বিশেষ সুবিধা প্রদানে।
অন্যদিকে বাজেটে গুরুত্ব পায়নি গবেষণা-উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো। গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তায় ৩৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৯ শতাংশ। এছাড়া ছাত্রকল্যাণ তহবিল বাবদ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এছাড়া বাজেটে পণ্য ও সেবা -সাধারণ ও মেরামত- ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। যন্ত্রপাতি অনুদান খাতে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। যানবাহন বাবদ ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুদান বাবদ ৩৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। অন্যান্য মূলধন অনুদান বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ।
এদিকে এবারের বাজেটেও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো বরাবরের মতো অবহেলিত বলে মনে করছেন বাজেট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন তারা।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন- বাজেটের সিংহভাগই ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বাতা ও পেনশন বাবদ। অন্যদিকে বাজেটে শিক্ষার্র্থী সংশ্লিষ্ট খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চাহিদা কোনোভাবেই পূরণ সম্ভব নয়।
অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, চাহিদা দেওয়ার সময় আমরা মূল বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ২৫ শতাংশ গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে দিয়ে থাকি। কিন্তু ইউজিসি না দিলে তো আমাদের কিছু করার নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে বলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফি থেকেই আসে। সেটাতো আর চাইলেই প্রশাসন বাড়াতে পারে না।
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ বলেন- বাজেট প্রণয়ণ একটি গতানুগতিক কাজ। বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলবে তার খরচের একটা আর্থিক হিসাবমাত্র। আর সেটা অনুমোদন করে ইউজিসি। একটি রাষ্ট্রের বাজেটের মধ্যে যেমন বিভিন্ন উদ্ভাবনী দিক থাকে এটা সেরকম না। এখানে প্রশাসনের ক্রিয়েটিভ কিছু করার নেই। চাইলেই তারা একটা কিছু করতে পারবে না। গবেষণা খাতে চাইলেই তো আর সরকার দিয়ে দিবে না। তবে গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিৎ। চাহিদা দেওয়ার সময় অবশ্যই আরও বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। দেওয়া না দেওয়া সরকারের বিষয়।