Dhaka , Wednesday, 16 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
স্টোকসের নজরে পিটারসেনের চেয়েও এগিয়ে আছেন ব্রুক গাজায় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে প্রায় দুই হাজার ভবন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ তরুণ উদ্ভাবকদের মেধায় নতুন সম্ভাবনা, শেষ হলো বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু সিদ্ধিরগঞ্জে লিথি গার্মেন্টস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের অবস্থান নারায়ণগঞ্জে সজিব হত্যার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন বায়ুদূষণের দায়ে নারায়ণগঞ্জে দুই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা মাদারীপুরে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন ২০ দিনব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার সদর উপজেলার নবগঠিত কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা কক্সবাজারে দুধ-পানিতে চেতনানাশক মিশিয়ে স্বর্ণালংকার ও মোবাইল চুরির অভিযোগ, গৃহকর্মী আটক নগরীর আকবরশাহ্ থানায় হারানো ১০ মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর পাইকগাছায় স্বাস্থ্যসেবায় গতিশীলতা আনতে সমন্বয় সভা চন্দনাইশ থানায় সাফল্যের স্বীকৃতি, বিশেষ পুরস্কার পেলেন ওসি দিদারুল রূপগঞ্জে কৃষকদলের খসড়া কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদ জেলা কৃষক দলের সংবাদ সম্মেলন সিডিএর ভবিষ্যৎ প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগের আগ্রহ মাতারবাড়ী বন্দরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও টেকসই নগর উন্নয়নেও অংশীদারত্বের সম্ভাবনা স্বার্থের চর্চা ভুলে বিবেকের চর্চা করুন: ডিসি জাহিদ পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলে পানিবন্দী মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তা নিয়ে এমপি সাঈদ আসলাম পাইকগাছায় মাপে চাল কম দেওয়ায় দুই ডিলারকে জরিমানা ‘ঝাড়ুদারের চাকরি পাওয়ারও যোগ্যতা নেই তোমার’— রাখি সাওয়ান্তকে কঙ্গনা দেশের মাটিতে ৩ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা, মেসি কি খেলবেন? বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর ট্রাম্পের কঠোর নীতি আটকে দিলেন আদালত রাউজান থানা এলাকা হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১ টি দেশীয় তৈরি এলজি শুটার গান ও ০২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ফেডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় স্বর্ণ, বাড়বে দাম? ‘জন্ম বাংলাদেশে, তবুও তাদের মন কেন পাকিস্তান পাকিস্তান করে?’

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা গ্রেপ্তার-৩।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:26:28 am, Saturday, 12 October 2024
  • 140 বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা গ্রেপ্তার-৩।।

নোয়াখালী প্রতিনিধি।।

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানায় হামলা- অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  পরে আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।  

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নাইম হোসেন-২১- ইমাম হোসেন ওরফে ইমন -২২- নাহিদুল ইসলাম -১৬-। তারা সবাই সোনাইমুড়ী উপজেলার বাসিন্দা।  

রোবাবার -১২ অক্টোবর- সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার -এসপি-মো.আবদুল্লাহ আল ফারুক

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- গত বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে সোনাইমুড়ীর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গত ৫ আগস্ট সোনইমুড়ী থানায় হামলা ও নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামি নাইম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে তার মোবাইল ফোনের ডায়াল লিস্ট পর্যালোচনা করে নিহত পুলিশ কনস্টেবল মো.ইব্রাহীমকে হত্যার সাথে জড়িত আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনের হেফাজত থেকে নিহত পুলিশ কনস্টেবলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় একই দিন সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ভাওরকোট এলাকা থেকে আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই সময় তার থেকে একটি টেকনো স্পার্ক মোবাইল জব্দ করা হয়। উক্ত মোবাইল ফোনে ম্যাসেঞ্জারে জনৈক ওমর ফারুক নামক আইডির ব্যক্তির কাছে পাঠানো ইমনের ঘটনার দিন পুলিশ হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক ভয়েস রেকর্ড পাওয়া যায়। এরপর হামমলার ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থেকে পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে হত্যার সাথে জড়িত শিশু নাহিদুল ইসলাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।  

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিশু নাহিদুল জিজ্ঞাসাবাদে জানায় আসামিরা গত ৫ আগস্ট সোনাইমুড়ী থানায় হামলা ও সংঘাতে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে প্রত্যেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গারূপ ধারণ করে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশকে মারধর ও গুলি করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম- হত্যা- অগ্নিসংযোগ- চুরি ও সরকারি মালামালের ক্ষতিসাধানের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। আসামি নাইম হোসেন, ইমন পুলিশের সাথে সংঘাতে জড়িত বলে জানায় শিশু নাহিদুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, সোনাইমুড়ী থানায় আক্রমণ পরবর্তীতে প্রাণ ভয়ে জীবন রক্ষার্থে পলায়নরত পুলিশদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে থানার পিছনে থানার সীমানা প্রাচীরের কাছে অপেক্ষা করে আসামিরা। পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিম নীল রংয়ের পুলিশের  টি-শার্ট পরিহিত অবস্থায় সীমানা প্রাচীরের নীচ দিয়ে টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে বের হওয়ার শিশু নাহিদুল ইসলাম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাধা দেয়। এরপর এইতো পুলিশ বলে মারধর শুরু করে। সাথে সাথেই ইমাম হোসেন ইমন দৌঁড়ে হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। কনস্টেবল ইব্রাহিম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়িলে অপর আসামিরা সকলে একযোগে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পুরো শরীরে আরো উপর্যুপুরি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় এবং মৃত্যুন্মুখ জেনেও আসামি নাইম পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পকেট থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও আইডি কার্ড ও টাকাসহ ম্যানিব্যাগ নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুনরায় আসামিরা এসে উপর্যুপুরি আঘাত করে ইব্রাহিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তাহাকে চার হাত পা ধরে ঝুলিয়ে রাস্তায় নিয়ে টানা হেঁচড়া করে সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করে রেলক্রসিংয়ে কাছাকাছি রেখে উল্লাসে মত্ত হয়।

অপরদিকে- ঘটনার পরবর্তীতে আসামি ইমাম মোবাইল ও টাকা ভাগ চাইলে আসামি নাইম তাকে পরে যোগাযোগের মাধ্যমে দিবে বলে ইমনের মোবাইল নাম্বারে নিজ মোবাইল থেকে কল করে। কিন্তু মোবাইলে ব্যালেন্স না থাকায় আসামি ইমাম হোসেন ইমনের মোবাইলে কল না গেলেও আসামি নাইম হোসেনের উল্লেখিত জব্দকৃত মোবাইলের ডায়াল লিস্টে আসামি ইমনের মোবাইল নাম্বারটি কল লিস্টে থেকেই যায়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার -এসপি- আরও বলেন- গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পরিকল্পিত হত্যার বিষয়টি স্পষ্ট ও প্রাথমিকভাবে স্বাক্ষ্য প্রমাণ  সম্বলিত। আসামিরা আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে।  

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টোকসের নজরে পিটারসেনের চেয়েও এগিয়ে আছেন ব্রুক

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা গ্রেপ্তার-৩।।

আপডেট সময় : 07:26:28 am, Saturday, 12 October 2024

নোয়াখালী প্রতিনিধি।।

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানায় হামলা- অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  পরে আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।  

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নাইম হোসেন-২১- ইমাম হোসেন ওরফে ইমন -২২- নাহিদুল ইসলাম -১৬-। তারা সবাই সোনাইমুড়ী উপজেলার বাসিন্দা।  

রোবাবার -১২ অক্টোবর- সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার -এসপি-মো.আবদুল্লাহ আল ফারুক

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- গত বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে সোনাইমুড়ীর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গত ৫ আগস্ট সোনইমুড়ী থানায় হামলা ও নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামি নাইম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে তার মোবাইল ফোনের ডায়াল লিস্ট পর্যালোচনা করে নিহত পুলিশ কনস্টেবল মো.ইব্রাহীমকে হত্যার সাথে জড়িত আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনের হেফাজত থেকে নিহত পুলিশ কনস্টেবলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় একই দিন সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ভাওরকোট এলাকা থেকে আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই সময় তার থেকে একটি টেকনো স্পার্ক মোবাইল জব্দ করা হয়। উক্ত মোবাইল ফোনে ম্যাসেঞ্জারে জনৈক ওমর ফারুক নামক আইডির ব্যক্তির কাছে পাঠানো ইমনের ঘটনার দিন পুলিশ হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক ভয়েস রেকর্ড পাওয়া যায়। এরপর হামমলার ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থেকে পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে হত্যার সাথে জড়িত শিশু নাহিদুল ইসলাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।  

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিশু নাহিদুল জিজ্ঞাসাবাদে জানায় আসামিরা গত ৫ আগস্ট সোনাইমুড়ী থানায় হামলা ও সংঘাতে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে প্রত্যেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গারূপ ধারণ করে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশকে মারধর ও গুলি করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম- হত্যা- অগ্নিসংযোগ- চুরি ও সরকারি মালামালের ক্ষতিসাধানের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। আসামি নাইম হোসেন, ইমন পুলিশের সাথে সংঘাতে জড়িত বলে জানায় শিশু নাহিদুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, সোনাইমুড়ী থানায় আক্রমণ পরবর্তীতে প্রাণ ভয়ে জীবন রক্ষার্থে পলায়নরত পুলিশদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে থানার পিছনে থানার সীমানা প্রাচীরের কাছে অপেক্ষা করে আসামিরা। পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিম নীল রংয়ের পুলিশের  টি-শার্ট পরিহিত অবস্থায় সীমানা প্রাচীরের নীচ দিয়ে টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে বের হওয়ার শিশু নাহিদুল ইসলাম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাধা দেয়। এরপর এইতো পুলিশ বলে মারধর শুরু করে। সাথে সাথেই ইমাম হোসেন ইমন দৌঁড়ে হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। কনস্টেবল ইব্রাহিম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়িলে অপর আসামিরা সকলে একযোগে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পুরো শরীরে আরো উপর্যুপুরি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় এবং মৃত্যুন্মুখ জেনেও আসামি নাইম পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পকেট থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও আইডি কার্ড ও টাকাসহ ম্যানিব্যাগ নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুনরায় আসামিরা এসে উপর্যুপুরি আঘাত করে ইব্রাহিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তাহাকে চার হাত পা ধরে ঝুলিয়ে রাস্তায় নিয়ে টানা হেঁচড়া করে সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করে রেলক্রসিংয়ে কাছাকাছি রেখে উল্লাসে মত্ত হয়।

অপরদিকে- ঘটনার পরবর্তীতে আসামি ইমাম মোবাইল ও টাকা ভাগ চাইলে আসামি নাইম তাকে পরে যোগাযোগের মাধ্যমে দিবে বলে ইমনের মোবাইল নাম্বারে নিজ মোবাইল থেকে কল করে। কিন্তু মোবাইলে ব্যালেন্স না থাকায় আসামি ইমাম হোসেন ইমনের মোবাইলে কল না গেলেও আসামি নাইম হোসেনের উল্লেখিত জব্দকৃত মোবাইলের ডায়াল লিস্টে আসামি ইমনের মোবাইল নাম্বারটি কল লিস্টে থেকেই যায়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার -এসপি- আরও বলেন- গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পরিকল্পিত হত্যার বিষয়টি স্পষ্ট ও প্রাথমিকভাবে স্বাক্ষ্য প্রমাণ  সম্বলিত। আসামিরা আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে।