Dhaka , Thursday, 27 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
তবারক না পাওয়া অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ১০০ টাকা দিলেন চবি উপাচার্য নোয়াখালীতে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যর মধ্য দিয়ে দুর্গাপুরে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন রামগঞ্জে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা সেই প্রতারক তরুণী গ্রেফতার সুকেশকাণ্ড নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নোরা ফাতেহি রামগঞ্জের ফরিদ ভূঁইয়া একাডেমিতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্‌যাপন রামগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পোর্ট সিটি সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষর্থীদের ফিল্ড ওয়ার্ক পলাশে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন মঈন খান মা-ছেলের নাচে মুগ্ধতা ছড়াল ইয়ামালের জন্মদিনের পার্টি মেয়েরা মাথায় হিজাব পরে, মনে নয়: হিজাব বিতর্কে ওয়েইসি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল ঝিনাইগাতীতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সিএমপি’র সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) বড়কাপনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও শান্তি মোবারক র‍্যালি কলমাকান্দায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী দিনে বিজয়ী কৃষকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মহানবী (সা.)-এর আদর্শেই মানবিক সমাজ বিনির্মাণের আহ্বান: ভোলায় ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোচনা চট্টগ্রামের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ, অবতরণের পর মৃত ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ মা বাবার ঠাঁই হয়নি ছেলেদের ঘরে জাজিরায় সীরাতুন্নবী উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সীরাত র‍্যালি সমাজ আছে, মানুষ আছে—শুধু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে মানবিকতা? দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান,ডেপুটি স্পিকারের  উদ্যোগে নতুন ঘর পেলেন দরিদ্র হাজং পরিবার কলমাকান্দায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত কলমাকান্দায় হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ৩ দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদের গৌরবজনক অর্জন, রেঞ্জে দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠ কলমাকান্দায় ক্ষোভ: সদ্য রোপণ করা ২০টি চারা গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা নোয়াখালীতে ওলামা মাশায়েখদের সাথে মতবিনিময় সভা করলো জামায়াতে ইসলামী   মোবাইল কেনার টাকা না পেয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

ঠাকুরগাঁওয়ের তৈরী পাপোশ জাপান-রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:46:16 am, Monday, 9 September 2024
  • 199 বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের তৈরী পাপোশ জাপান-রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।।

জসীমউদ্দীন ইতি।।

   

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রত্যন্ত এলাকার আত্মপ্রত্যয়ী এক নারীর নাম রুফিনা হেমব্রম।ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে।একসময় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটত তাঁদের।তবে সুতা ও ঝুট কাপড় দিয়ে পাপোশ তৈরির কাজ শেখার পর তাঁর সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে। রুফিনা বাড়িতে গড়ে তুলেছে পাপোশ তৈরির কারখানা।শুধু রুফিনা হেমব্রম নন,তাঁর মতো ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চাপাতি গ্রামের অধিকাংশ দরিদ্র নারী এখন পাপোশ বানিয়ে সংসারের হাল ধরছেন।সদর উপজেলার চাপাতি গ্রামে রুফিনা হেমব্রম বাড়িতে দেখা যায়- প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নারী-পুরুষ পাপোশ তৈরির কারখানায় কাজ করছে।ভেতরে ঢুকতেই তাঁতের খটখটশব্দ।

কোনো কোনো নারী তাঁতে পাপোশ বুনছেন।কেউ পাপোশ ডিজাইন করছেন।কেউ আবার মেশিনে সুতা থেকে পাপোশের জন্য রশি বুনছেন।রুফিনা হেমব্রম বলেন- অভাব ঘোচাতে একটি সংস্থার মাধ্যমে পাপোশ তৈরির কাজ শেখেন।কয়েক মাস ধরে তিনি পাপোশ তৈরি করে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করছেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনের উপার্জনে বর্তমানে সংসারের অভাব অনেকটা কেটেছে।এদিকে একইভাবে পাপোশ তৈরির কাজে স- পৃক্ত জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাদিহাট জোতপাড়া গ্রামের ফাতেমা বেগম।শুধু নিজে নন- তাঁর হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ওই গ্রামের কয়েক শ পরিবারের বেকার নারীরা।এছাড়া পুরুষও কাজ করেন তাঁর কারখানায়।উদ্যোক্তা হিসেবে অনন্য ভূমিকা রাখায় জাতীয়ভাবে পুরস্কৃতও হয়েছেন ফাতেমা।

২০০৪ সালে শুরু করা ক্ষুদ্র এ শিল্পটি কালের পরিক্রমায় বর্তমান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তবারক না পাওয়া অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ১০০ টাকা দিলেন চবি উপাচার্য

ঠাকুরগাঁওয়ের তৈরী পাপোশ জাপান-রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।।

আপডেট সময় : 10:46:16 am, Monday, 9 September 2024

জসীমউদ্দীন ইতি।।

   

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রত্যন্ত এলাকার আত্মপ্রত্যয়ী এক নারীর নাম রুফিনা হেমব্রম।ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে।একসময় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটত তাঁদের।তবে সুতা ও ঝুট কাপড় দিয়ে পাপোশ তৈরির কাজ শেখার পর তাঁর সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে। রুফিনা বাড়িতে গড়ে তুলেছে পাপোশ তৈরির কারখানা।শুধু রুফিনা হেমব্রম নন,তাঁর মতো ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চাপাতি গ্রামের অধিকাংশ দরিদ্র নারী এখন পাপোশ বানিয়ে সংসারের হাল ধরছেন।সদর উপজেলার চাপাতি গ্রামে রুফিনা হেমব্রম বাড়িতে দেখা যায়- প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নারী-পুরুষ পাপোশ তৈরির কারখানায় কাজ করছে।ভেতরে ঢুকতেই তাঁতের খটখটশব্দ।

কোনো কোনো নারী তাঁতে পাপোশ বুনছেন।কেউ পাপোশ ডিজাইন করছেন।কেউ আবার মেশিনে সুতা থেকে পাপোশের জন্য রশি বুনছেন।রুফিনা হেমব্রম বলেন- অভাব ঘোচাতে একটি সংস্থার মাধ্যমে পাপোশ তৈরির কাজ শেখেন।কয়েক মাস ধরে তিনি পাপোশ তৈরি করে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করছেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনের উপার্জনে বর্তমানে সংসারের অভাব অনেকটা কেটেছে।এদিকে একইভাবে পাপোশ তৈরির কাজে স- পৃক্ত জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাদিহাট জোতপাড়া গ্রামের ফাতেমা বেগম।শুধু নিজে নন- তাঁর হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ওই গ্রামের কয়েক শ পরিবারের বেকার নারীরা।এছাড়া পুরুষও কাজ করেন তাঁর কারখানায়।উদ্যোক্তা হিসেবে অনন্য ভূমিকা রাখায় জাতীয়ভাবে পুরস্কৃতও হয়েছেন ফাতেমা।

২০০৪ সালে শুরু করা ক্ষুদ্র এ শিল্পটি কালের পরিক্রমায় বর্তমান।