Dhaka , Saturday, 11 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নতুন সিনেমার প্রচারে কলকাতায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন জয়া আহসান দেশে ফিরে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন মিশরের ফুটবলাররা সরাইল থানাপুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেপ্তার ৬ জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি ছিল, জুলাইয়ের পরেও ভোট চুরি হয়েছে: নোয়াখালীতে হাসনাত আব্দুল্লাহ নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ হাতিয়ায় জোয়ারের পানি-ভারী বর্ষণে উপকূল বিপর্যস্ত মধুপুরে ইউএনও মোঃ জুবায়ের হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা পাইকগাছায় সড়ক নির্মাণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ; ইউএনওর কাছে আবেদন রাজধানীর পরিবহনে বড় রদবদল: সায়েদাবাদে থাকবে সিটি টার্মিনাল, আন্তজেলা বাস কাঁচপুরে সীতাকুণ্ডের শিশু ইরা হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড রায় “আজকের গৃহীত ছোট ছোট সচেতন পদক্ষেপই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবীর নিশ্চয়তা:- ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন কুতুবপুরে জনি হত্যা: বাকি আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না, সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট, যতবিপর্যয় বৃষ্টির পানি অসুস্থ গ্রাম পুলিশ রনি দেব পাশে মনসুরনগর ইউনিয়ন পরিষদ, চিকিৎসা সহায়তায় ৩০ হাজার টাকা প্রদান সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি: প্রধানমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্বকাপের একটি টিকিট প্যাকেজ প্রায় ৫০ কোটি, মুহূর্তেই সোল্ড আউট রেকর্ডভাঙা মেসির সঙ্গে ফোনকলে যা বললেন ক্লোসা স্পিডের কারণেই পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন, ত্রাণ যথাসময়ে সকলের কাছে পৌঁছাবে :- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এ আই দিয়ে এমপির ভুয়া ছবি প্রকাশ করায় রামগঞ্জে বিএনপি’র প্রতিবাদ সভা খুলনায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে সরকারি অনুদান প্রদান দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন দক্ষিণ মিঠাছড়ির পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে বিএনপি-জামায়াতের প্রতিনিধি দল সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি পালিত রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বিপুল পরিমান নেশাজাতীয় স্ক্যাপ সিরাপসহ ১ জন গ্রেপ্তার, ট্রাক ও অটোরিক্সা জব্দ পাইকগাছায় বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট উপকরণ বিতরণ

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026
  • 18 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনিকে উৎসর্গ করে আদনান সামির ৪ গান

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার

আপডেট সময় : 07:46:28 pm, Friday, 12 June 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

২০১৭ সালের ১৩ জুন, রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। টানা ভারী বর্ষণে সেদিন কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে প্রাণ হারান ১৮ জন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেলেও আজও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত পরিবার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের ১২ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পরদিন ১৩ জুন সকালে একের পর এক পাহাড়ধস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। প্রথম দুঃসংবাদ আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে। সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ধসে নুরনবীসহ একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে একজন সন্তানসম্ভবা নারী ও একটি শিশুও ছিল, ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এরপর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। সেদিনের ভয়াবহ দুর্যোগে কাপ্তাইয়ে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়া করে ফেরে। বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়সংলগ্ন জনপদগুলোতে।
বর্তমানে উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন,
“কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। অতিবৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তারা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসে। এসব মানুষকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন,
“ঢাকাইয়া কলোনিসহ রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো অনেক পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টির সময় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। দুর্যোগের আগেই নিরাপদ স্থানে চলে এলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“২০১৭ সালে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথম খবর পাই চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড়ধসে কয়েকজন মাটিচাপা পড়েছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
তিনি আরও বলেন,

“এখনো অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
পাহাড়ধসের আট বছর পরও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।