Dhaka , Friday, 26 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে খুশি করতে মিথ্যা সংবাদ লেখার প্রয়োজন নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নের নিউক্লিয়াস বদলে যাওয়া ভিনি নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার সরাইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান সাতকানিয়ার আমিলাইশে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে আগুন নন্দিনী হত্যার বিচার হবে দ্রুততম সময়ে, ফলিমারীতে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলুর ঘোষণা ক্যাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বিশেষ অভিযান বিপুল পরিমাণ অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ রূপগঞ্জের অপহৃত ব্যবসায়ী ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি রূপগঞ্জ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রূপগঞ্জে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ রূপগঞ্জে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধারের দাবিতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন খুনিয়াপালংয়ের ছাদিরকাঠার সড়ক বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী, দুর্ভোগে পথচারীরা

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:55:16 pm, Tuesday, 24 February 2026
  • 34 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

রাষ্ট্রীয় শোক পালনের দিন আনন্দঘন ভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, জাতীয় প্রজ্ঞাপন জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক যথাযথভাবে পালন করেনি।বরং অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,যা রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি অবমাননার শামিল।

অভিযোগ অনুযায়ী,৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়।সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে শোক কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।দেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কালো ব্যাজ ধারণ,শোকবার্তা প্রকাশ,বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।কিন্তু কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ ধরনের দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে,সেদিন না ছিল কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিস,না শোক ব্যানার,না শিক্ষক কর্মচারীদের গায়ে কালো ব্যাজ।বরং সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের নেতৃত্বে বনভোজন ও খাবারের আয়োজন করা হয়।এতে অংশ নেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সমালোচকদের দাবি,এটি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল নয়, বরং প্রশাসনিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।সেখানে এমন আয়োজন দায়িত্বহীনতা এবং নৈতিক ব্যর্থতার পরিচায়ক। বিশেষ করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত শোক দিবসে এমন আয়োজন আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে অনেকেই বেগম খালেদা জিয়া এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন।তাদের বক্তব্য,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত কর্মসূচি পালনে উদাসীনতা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে,ব্যাপক সমালোচনার পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর একটি শোক ব্যানার টানানো হয়।সংশ্লিষ্টদের মতে,এটি ছিল জনরোষ প্রশমনের প্রয়াস মাত্র।আন্তরিক শোক প্রকাশের প্রতিফলন সেখানে ছিল না।

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তারা অধ্যক্ষের ভূমিকা যাচাই,প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। তাদের মতে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের স্থান নয়,এটি নৈতিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় চেতনা লালনের ক্ষেত্র।সেখানে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা অগ্রহণযোগ্য।

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা পূর্ববর্তী সভাতেও রাষ্ট্রীয় শোকের কোনো প্রতিফলন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা নিয়ে।অনেকেই বলছেন, নিয়মরক্ষার মতো আড়ালে দোয়া মোনাজাত করে দায় এড়ানো যায় না।রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা কোনো বিকল্প বিষয় নয়,এটি বাধ্যতামূলক কর্তব্য।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এমন দায়িত্বহীনতা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। অন্যথায় এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদী আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

আপডেট সময় : 12:55:16 pm, Tuesday, 24 February 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

রাষ্ট্রীয় শোক পালনের দিন আনন্দঘন ভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, জাতীয় প্রজ্ঞাপন জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক যথাযথভাবে পালন করেনি।বরং অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,যা রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি অবমাননার শামিল।

অভিযোগ অনুযায়ী,৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়।সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে শোক কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।দেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কালো ব্যাজ ধারণ,শোকবার্তা প্রকাশ,বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।কিন্তু কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ ধরনের দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে,সেদিন না ছিল কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিস,না শোক ব্যানার,না শিক্ষক কর্মচারীদের গায়ে কালো ব্যাজ।বরং সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের নেতৃত্বে বনভোজন ও খাবারের আয়োজন করা হয়।এতে অংশ নেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সমালোচকদের দাবি,এটি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল নয়, বরং প্রশাসনিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।সেখানে এমন আয়োজন দায়িত্বহীনতা এবং নৈতিক ব্যর্থতার পরিচায়ক। বিশেষ করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত শোক দিবসে এমন আয়োজন আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে অনেকেই বেগম খালেদা জিয়া এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন।তাদের বক্তব্য,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত কর্মসূচি পালনে উদাসীনতা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে,ব্যাপক সমালোচনার পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর একটি শোক ব্যানার টানানো হয়।সংশ্লিষ্টদের মতে,এটি ছিল জনরোষ প্রশমনের প্রয়াস মাত্র।আন্তরিক শোক প্রকাশের প্রতিফলন সেখানে ছিল না।

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তারা অধ্যক্ষের ভূমিকা যাচাই,প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। তাদের মতে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের স্থান নয়,এটি নৈতিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় চেতনা লালনের ক্ষেত্র।সেখানে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা অগ্রহণযোগ্য।

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা পূর্ববর্তী সভাতেও রাষ্ট্রীয় শোকের কোনো প্রতিফলন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা নিয়ে।অনেকেই বলছেন, নিয়মরক্ষার মতো আড়ালে দোয়া মোনাজাত করে দায় এড়ানো যায় না।রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা কোনো বিকল্প বিষয় নয়,এটি বাধ্যতামূলক কর্তব্য।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এমন দায়িত্বহীনতা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। অন্যথায় এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদী আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।