Dhaka , Tuesday, 4 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছা-কয়রাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো-এমপি ফাহমিদা হক মতলব উত্তরে থামছেই না চুরি, এক রাতে উধাও আরও ৪ ট্রান্সফরমার বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল আশা সিমেন্ট গাজীপুরে রোটারি ক্লাব অব ভাওয়ালের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নোয়াখালীতে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোচালকের মৃত্যু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার  ইবিতে শহীদ আনাসের লেখা চিঠির স্মৃতিফলক উন্মোচন এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের সঙ্গে রামু ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কাউখালীতে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কাউখালীতে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ বস্তুনিষ্ঠতাই সঠিক সাংবাদিকতার মানদণ্ড: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হলেই জুলাই শহীদদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রে বড় আঘাত; আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগীসহ গ্রেফতার ০২, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত, রান্নার চুলা নিভু নিভু টক্সিকে যশ–কিয়ারার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব হুমা কুরেশির ভারতীয় দলে ডাক পাওয়া কে এই আকিব নবি জ্বালানির দাম বাড়তেই যুক্তরাজ্যে চুরির হিড়িক, প্রতিদিন উধাও ৩ কোটি টাকার তেল জনতাসহ সরকারি সব ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতির দাবি বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি; চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চন্দনাইশে মাদকসহ আটক দুই তরুণকে রাজনৈতিক মামলায় চালান ​পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান: মাদক ও যানবাহনসহ গ্রেফতার ১, পলাতকদের খোঁজে তৎপরতা মধুপুরের ব্যস্ততম সাথী সিনেমা হল সড়ক এখন মরণফাঁদ, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামু গর্জনিয়াতে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করলেন ইউএনও জিল্লুর রহমান রামুতে ইট প্রস্তুতকারক সমিতির নতুন কমিটি গঠন; সভাপতি রফিক, সম্পাদক জামাল লোহাগাড়ায় সাদিয়া-ইভার প্রাইভেটকারে গোপন চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার ইয়াবা; আটক ৪ রূপগঞ্জের নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে নতুন অধ্যক্ষের যোগদান

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:55:16 pm, Tuesday, 24 February 2026
  • 61 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

রাষ্ট্রীয় শোক পালনের দিন আনন্দঘন ভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, জাতীয় প্রজ্ঞাপন জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক যথাযথভাবে পালন করেনি।বরং অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,যা রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি অবমাননার শামিল।

অভিযোগ অনুযায়ী,৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়।সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে শোক কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।দেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কালো ব্যাজ ধারণ,শোকবার্তা প্রকাশ,বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।কিন্তু কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ ধরনের দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে,সেদিন না ছিল কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিস,না শোক ব্যানার,না শিক্ষক কর্মচারীদের গায়ে কালো ব্যাজ।বরং সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের নেতৃত্বে বনভোজন ও খাবারের আয়োজন করা হয়।এতে অংশ নেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সমালোচকদের দাবি,এটি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল নয়, বরং প্রশাসনিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।সেখানে এমন আয়োজন দায়িত্বহীনতা এবং নৈতিক ব্যর্থতার পরিচায়ক। বিশেষ করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত শোক দিবসে এমন আয়োজন আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে অনেকেই বেগম খালেদা জিয়া এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন।তাদের বক্তব্য,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত কর্মসূচি পালনে উদাসীনতা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে,ব্যাপক সমালোচনার পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর একটি শোক ব্যানার টানানো হয়।সংশ্লিষ্টদের মতে,এটি ছিল জনরোষ প্রশমনের প্রয়াস মাত্র।আন্তরিক শোক প্রকাশের প্রতিফলন সেখানে ছিল না।

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তারা অধ্যক্ষের ভূমিকা যাচাই,প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। তাদের মতে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের স্থান নয়,এটি নৈতিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় চেতনা লালনের ক্ষেত্র।সেখানে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা অগ্রহণযোগ্য।

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা পূর্ববর্তী সভাতেও রাষ্ট্রীয় শোকের কোনো প্রতিফলন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা নিয়ে।অনেকেই বলছেন, নিয়মরক্ষার মতো আড়ালে দোয়া মোনাজাত করে দায় এড়ানো যায় না।রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা কোনো বিকল্প বিষয় নয়,এটি বাধ্যতামূলক কর্তব্য।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এমন দায়িত্বহীনতা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। অন্যথায় এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদী আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছা-কয়রাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো-এমপি ফাহমিদা হক

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

আপডেট সময় : 12:55:16 pm, Tuesday, 24 February 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

রাষ্ট্রীয় শোক পালনের দিন আনন্দঘন ভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, জাতীয় প্রজ্ঞাপন জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক যথাযথভাবে পালন করেনি।বরং অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,যা রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি অবমাননার শামিল।

অভিযোগ অনুযায়ী,৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়।সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে শোক কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।দেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কালো ব্যাজ ধারণ,শোকবার্তা প্রকাশ,বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।কিন্তু কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ ধরনের দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে,সেদিন না ছিল কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিস,না শোক ব্যানার,না শিক্ষক কর্মচারীদের গায়ে কালো ব্যাজ।বরং সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের নেতৃত্বে বনভোজন ও খাবারের আয়োজন করা হয়।এতে অংশ নেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সমালোচকদের দাবি,এটি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল নয়, বরং প্রশাসনিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।সেখানে এমন আয়োজন দায়িত্বহীনতা এবং নৈতিক ব্যর্থতার পরিচায়ক। বিশেষ করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত শোক দিবসে এমন আয়োজন আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে অনেকেই বেগম খালেদা জিয়া এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন।তাদের বক্তব্য,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘোষিত কর্মসূচি পালনে উদাসীনতা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে,ব্যাপক সমালোচনার পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর একটি শোক ব্যানার টানানো হয়।সংশ্লিষ্টদের মতে,এটি ছিল জনরোষ প্রশমনের প্রয়াস মাত্র।আন্তরিক শোক প্রকাশের প্রতিফলন সেখানে ছিল না।

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তারা অধ্যক্ষের ভূমিকা যাচাই,প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। তাদের মতে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের স্থান নয়,এটি নৈতিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় চেতনা লালনের ক্ষেত্র।সেখানে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা অগ্রহণযোগ্য।

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা পূর্ববর্তী সভাতেও রাষ্ট্রীয় শোকের কোনো প্রতিফলন না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা নিয়ে।অনেকেই বলছেন, নিয়মরক্ষার মতো আড়ালে দোয়া মোনাজাত করে দায় এড়ানো যায় না।রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন মানা কোনো বিকল্প বিষয় নয়,এটি বাধ্যতামূলক কর্তব্য।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এমন দায়িত্বহীনতা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। অন্যথায় এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদী আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।