
দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় স্বর্ণের দামে সামান্য পতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) পরবর্তী সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত পেতে আগামী সপ্তাহের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২০ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার দরও ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৯ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়।
অ্যাকটিভট্রেডসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বলেন, জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এতে ফেডের কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণের আশঙ্কা বাড়ছে। তেলের দামও বেড়েছে, যা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।
ফেডের আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তবে সিএমইর ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচকের (পিসিই) তথ্য থেকেও ফেডের ভবিষ্যৎ নীতির বিষয়ে ধারণা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমতে পারে।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ১৯৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে প্লাটিনামের দাম ০.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৪৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১১০ দশমিক ০৬ ডলারে নেমেছে।


























