Dhaka , Monday, 20 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা ও অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা ও কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামের ‘ফুসফুস’খ্যাত সিআরবি রক্ষায় দিনভর উত্তাল জনতা সবার আগে বাংলাদেশ, দেশের স্বার্থকে সমুন্নত রেখে কাজ করতে হবে:- চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রথম হজ্ব ফ্লাইটের উদ্বোধনকালে ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট, আহত-৪ ছায়া সংসদ বিতর্কে স্ট্যামফোর্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চুরির রহস্য উদঘাটন: চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ পাইকগাছায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমাতে চসিকের খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু মধুপুরে শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসায় ২৩ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি বেগম জিয়া কর্তৃক ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা প্রকল্প রামগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে চাঞ্চল্যকর ইটভাটা শ্রমিক মিন্টু হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার লালমনিরহাটে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে উদ্যোগ: টিকা পাবে দেড় লাখ শিশু শ্রীপুর থানা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ, ঝালকাঠিতে বেড়েছে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নলছিটি হদুয়া আইডিয়াল একাডেমিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ অভিযানে প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কুড়িগ্রামে র‍্যাবের বড় সাফল্য: শোবার ঘরের খাটের নিচে মিলল ৭৬ কেজি গাঁজা, আটক ১ র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র‍্যাব-৬, খুলনা এর যৌথ অভিযানে চকবাজারে’র চাঞ্চল্যকর সাজিদ হত্যার পলাতক আসামি সহযোগীসহ গ্রেফতার সিএমপি’র ডিবি(উত্তর) বিভাগের অভিযানে ০১টি ৭.৬৫ মডেলের বিদেশি পিস্তলসহ আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম এভিয়েশন ক্লাবের পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মধুপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরে ড্রামে তেল বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিকদের উপর হামলা মধুপুরে অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থার সম্মাননা প্রদান বর্ণাঢ্য আয়োজনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন চট্টগ্রামের মেয়েদের বিশেষ গুণ আছে – এমপি হুমাম পত্নী সামানজার খান বন্দরে চাঁদা না পেয়ে দুইজনকে কুপিয়ে আহত নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:53:18 pm, Tuesday, 21 December 2021
  • 239 বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধি।।

নওগাঁর ধামইরহাট থানার ফার্সিপাড়া গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনে শহীদ হন অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ও ইউনুছ আলী মন্ডল। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের হোগলবাড়িতে। এরমধ্যে এ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের। তাদের কবরটি অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ফার্সিপাড়ার বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়াসহ কবরটি বাঁধায়ের দাবী জানানো হয়েছে।

১৯৭১ সালে ১০ মে ভারতের পতিরাম ইউথ ক্যাম্প ও মধুপুর ক্যাম্প হতে যথাক্রমে ২১ ও ২৮ দিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভারতের শিলিগুড়ি জেলার পানিঘাটায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে তরঙ্গপুর থেকে অস্ত্র গ্রহণ করে, ভারতের মারাটা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন রায় সিংহের নেতৃত্বে ই,পি, আর আনছার মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত বহু সংখ্যক সৈন্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশের সময় বাংলাদেশের ফার্সিপাড়া নামক স্থানে পাক- বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে আবর্তীন হয়। রক্তক্ষয় সংঘর্ষে বহু সংখ্যক পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। সেই সময় সম্মুখ যুদ্ধে বেশ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ইউনুস আলী মন্ডল শহীদ হন। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তাকে ফার্সিপাড়াতেই কবর দেয়া হয়। সেখানে তার কবর বাঁধানো আছে। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে জেলা ইউনিট কমান্ড, অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক, আইনজীবি ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিততে ওই কবরে স্মৃতি স্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। পরে শহীদ আব্দুল জব্বারকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায় । যথারীতি শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে শহীদ আব্দুল জব্বারের পরিবারের সদস্যরা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মন্ডলের।

স্থানীয় ব্যক্তি মাজেদুল ইসলাম বলেন, এক কবরে দুইজন শহীদকে সমাহিত করা হয়েছে। কবরটি আমার সম্পত্তির ওপর আছে। বেশ কয়েক বছর আগে কবরটি তারা ব্যক্তিগত ভাবে বাঁধাই করেছেন। তবে কবরটি অরক্ষিত ও জরাজীর্ন ভাবে আছে। শহীদদের স্বজনদের বাড়ি অনেক দুরে হওয়ায় আমরা যতটুকু পারি হেফাজতে রাখার চেষ্টা করি। সরকারে কাছে দাবী কবরটি সংরক্ষণ করা হোক।

শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক চেষ্টার পরও বাবার নাম শহীদদের তালিকাভুক্ত করতে পারিনি। ২০১৭ ও ২০২০ সালে উপজেলায় যাচাই-বাছাইয়ের পর বাবার নাম ‘ক’ তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর গত ৪ মার্চে বগুড়া সার্কিট হাউজে সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির পরামর্শক্রমে পুনরায় বাবার কাগজপত্রাদি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাচাই বাছাই অন্তে গেজেটভুক্তি করার জন্য আবেদন করেছি। বাবাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানাচ্ছি।

ধামইরহাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার অফির উদ্দিন বলেন, ওই দুইজনকে শহীদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে তাদের কবরে স্মৃতিস্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। দুইজনের মধ্যে একজনকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু ইউনুছ আলী মন্ডলের স্বীকৃতি মেলেনি। সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে দাবী ইউনুছ আলী মন্ডলকে শহীদের মর্যাদা ও স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গনপতি রায় বলেন, শুনেছি ফার্সিপাড়ায় একটি শহীদদের কবর আছে। তবে তাদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। মুক্তিযোদ্ধাদের শহীদের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

 

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা ও অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

আপডেট সময় : 03:53:18 pm, Tuesday, 21 December 2021

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধি।।

নওগাঁর ধামইরহাট থানার ফার্সিপাড়া গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনে শহীদ হন অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ও ইউনুছ আলী মন্ডল। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের হোগলবাড়িতে। এরমধ্যে এ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের। তাদের কবরটি অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ফার্সিপাড়ার বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়াসহ কবরটি বাঁধায়ের দাবী জানানো হয়েছে।

১৯৭১ সালে ১০ মে ভারতের পতিরাম ইউথ ক্যাম্প ও মধুপুর ক্যাম্প হতে যথাক্রমে ২১ ও ২৮ দিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভারতের শিলিগুড়ি জেলার পানিঘাটায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে তরঙ্গপুর থেকে অস্ত্র গ্রহণ করে, ভারতের মারাটা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন রায় সিংহের নেতৃত্বে ই,পি, আর আনছার মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত বহু সংখ্যক সৈন্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশের সময় বাংলাদেশের ফার্সিপাড়া নামক স্থানে পাক- বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে আবর্তীন হয়। রক্তক্ষয় সংঘর্ষে বহু সংখ্যক পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। সেই সময় সম্মুখ যুদ্ধে বেশ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ইউনুস আলী মন্ডল শহীদ হন। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তাকে ফার্সিপাড়াতেই কবর দেয়া হয়। সেখানে তার কবর বাঁধানো আছে। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে জেলা ইউনিট কমান্ড, অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক, আইনজীবি ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিততে ওই কবরে স্মৃতি স্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। পরে শহীদ আব্দুল জব্বারকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায় । যথারীতি শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে শহীদ আব্দুল জব্বারের পরিবারের সদস্যরা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মন্ডলের।

স্থানীয় ব্যক্তি মাজেদুল ইসলাম বলেন, এক কবরে দুইজন শহীদকে সমাহিত করা হয়েছে। কবরটি আমার সম্পত্তির ওপর আছে। বেশ কয়েক বছর আগে কবরটি তারা ব্যক্তিগত ভাবে বাঁধাই করেছেন। তবে কবরটি অরক্ষিত ও জরাজীর্ন ভাবে আছে। শহীদদের স্বজনদের বাড়ি অনেক দুরে হওয়ায় আমরা যতটুকু পারি হেফাজতে রাখার চেষ্টা করি। সরকারে কাছে দাবী কবরটি সংরক্ষণ করা হোক।

শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক চেষ্টার পরও বাবার নাম শহীদদের তালিকাভুক্ত করতে পারিনি। ২০১৭ ও ২০২০ সালে উপজেলায় যাচাই-বাছাইয়ের পর বাবার নাম ‘ক’ তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর গত ৪ মার্চে বগুড়া সার্কিট হাউজে সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির পরামর্শক্রমে পুনরায় বাবার কাগজপত্রাদি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাচাই বাছাই অন্তে গেজেটভুক্তি করার জন্য আবেদন করেছি। বাবাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানাচ্ছি।

ধামইরহাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার অফির উদ্দিন বলেন, ওই দুইজনকে শহীদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে তাদের কবরে স্মৃতিস্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। দুইজনের মধ্যে একজনকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু ইউনুছ আলী মন্ডলের স্বীকৃতি মেলেনি। সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে দাবী ইউনুছ আলী মন্ডলকে শহীদের মর্যাদা ও স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গনপতি রায় বলেন, শুনেছি ফার্সিপাড়ায় একটি শহীদদের কবর আছে। তবে তাদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। মুক্তিযোদ্ধাদের শহীদের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।