Dhaka , Tuesday, 3 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রায়পুরে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ হাজার টাকা জরিমানা। দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন পাইকগাছা পৌরসভা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় মৎস্য লীজ ঘের নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে উত্তেজনা গাজীপুরে ইয়াবাসহ ৯ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লুটপাটের শিকার কারখানা মালিকের সংবাদ সম্মেলন পতাকা বিধিমালার তোয়াক্কা নেই লালমনিরহাট খামারবাড়িতে; নিয়ম জানেন না খোদ উপ-পরিচালক! ভঙ্গুর সংযোগ সড়কে মরণফাঁদ: মোগলহাটে ৬৯ লাখ টাকার সেতুতে জনভোগান্তি চরমে রামগঞ্জে সন্ধ্যার পর কোন শিক্ষার্থী বাহিরে থাকতে পারবে না শাহাদাত হোসেন সেলিম এমপি ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে আকাশপথে অচলাবস্থা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ আটকা কয়েক হাজার যাত্রী মির্জাপুরে মাটিবোঝাই ট্রাক ঢুকল ঘরে, চাপা পড়ে ঘুমন্ত বৃদ্ধ নিহত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে: পানি সম্পদ মন্ত্রী হাজীদের কষ্ট দিলে শাস্তি পেতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নরসিংদীসহ সারাদেশে খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে মশাল মিছিল ট্র্যাব এর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৬ আসনের নবনির্বাচিত এমপি কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা এই জনপদ আমাদের সন্তানদের জন্য উপযোগী করে রাখতে হবে- প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা: চবি এলাকায় মসজিদ সংস্কার কার্যক্রম রামগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত “বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী লেসন ভিউ একাডেমি’র শিক্ষার্থীদের সাফল্য অর্জন “ স্যার কে.জি. গুপ্ত : কৃতিত্ব থাকলেও পালন করা হয় না জন্মবার্ষিকী পলিথিন বর্জন ও পরিবেশ রক্ষায় সদর উপজেলা প্রশাসনের পাটের ব্যাগ বিতরণ কর্মসূচি জনগণের ‘দুলু ভাই’-এর নির্দেশে রমজানে বড়বাড়ীতে ‘জনতার বাজার’: অর্ধেক দামে মিলছে দুধ-মাংস সাতকানিয়ায় অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে মধ্যরাতের অভিযান, ২ এস্কেভেটর বিকল সাতকানিয়ায় টপসয়েল কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ট্রাক-এক্সেভেটর জব্দ, জরিমানা ৪০ হাজার আইসিটি খাতে ১০লাখ লোকের কর্মসংস্থান করা হবে: তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঝালকাঠিতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালক নিহত নোয়াখালীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা আমেনা (২০)

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:53:18 pm, Tuesday, 21 December 2021
  • 232 বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধি।।

নওগাঁর ধামইরহাট থানার ফার্সিপাড়া গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনে শহীদ হন অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ও ইউনুছ আলী মন্ডল। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের হোগলবাড়িতে। এরমধ্যে এ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের। তাদের কবরটি অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ফার্সিপাড়ার বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়াসহ কবরটি বাঁধায়ের দাবী জানানো হয়েছে।

১৯৭১ সালে ১০ মে ভারতের পতিরাম ইউথ ক্যাম্প ও মধুপুর ক্যাম্প হতে যথাক্রমে ২১ ও ২৮ দিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভারতের শিলিগুড়ি জেলার পানিঘাটায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে তরঙ্গপুর থেকে অস্ত্র গ্রহণ করে, ভারতের মারাটা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন রায় সিংহের নেতৃত্বে ই,পি, আর আনছার মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত বহু সংখ্যক সৈন্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশের সময় বাংলাদেশের ফার্সিপাড়া নামক স্থানে পাক- বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে আবর্তীন হয়। রক্তক্ষয় সংঘর্ষে বহু সংখ্যক পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। সেই সময় সম্মুখ যুদ্ধে বেশ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ইউনুস আলী মন্ডল শহীদ হন। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তাকে ফার্সিপাড়াতেই কবর দেয়া হয়। সেখানে তার কবর বাঁধানো আছে। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে জেলা ইউনিট কমান্ড, অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক, আইনজীবি ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিততে ওই কবরে স্মৃতি স্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। পরে শহীদ আব্দুল জব্বারকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায় । যথারীতি শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে শহীদ আব্দুল জব্বারের পরিবারের সদস্যরা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মন্ডলের।

স্থানীয় ব্যক্তি মাজেদুল ইসলাম বলেন, এক কবরে দুইজন শহীদকে সমাহিত করা হয়েছে। কবরটি আমার সম্পত্তির ওপর আছে। বেশ কয়েক বছর আগে কবরটি তারা ব্যক্তিগত ভাবে বাঁধাই করেছেন। তবে কবরটি অরক্ষিত ও জরাজীর্ন ভাবে আছে। শহীদদের স্বজনদের বাড়ি অনেক দুরে হওয়ায় আমরা যতটুকু পারি হেফাজতে রাখার চেষ্টা করি। সরকারে কাছে দাবী কবরটি সংরক্ষণ করা হোক।

শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক চেষ্টার পরও বাবার নাম শহীদদের তালিকাভুক্ত করতে পারিনি। ২০১৭ ও ২০২০ সালে উপজেলায় যাচাই-বাছাইয়ের পর বাবার নাম ‘ক’ তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর গত ৪ মার্চে বগুড়া সার্কিট হাউজে সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির পরামর্শক্রমে পুনরায় বাবার কাগজপত্রাদি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাচাই বাছাই অন্তে গেজেটভুক্তি করার জন্য আবেদন করেছি। বাবাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানাচ্ছি।

ধামইরহাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার অফির উদ্দিন বলেন, ওই দুইজনকে শহীদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে তাদের কবরে স্মৃতিস্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। দুইজনের মধ্যে একজনকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু ইউনুছ আলী মন্ডলের স্বীকৃতি মেলেনি। সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে দাবী ইউনুছ আলী মন্ডলকে শহীদের মর্যাদা ও স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গনপতি রায় বলেন, শুনেছি ফার্সিপাড়ায় একটি শহীদদের কবর আছে। তবে তাদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। মুক্তিযোদ্ধাদের শহীদের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

 

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রায়পুরে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ হাজার টাকা জরিমানা।

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মিলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের

আপডেট সময় : 03:53:18 pm, Tuesday, 21 December 2021

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধি।।

নওগাঁর ধামইরহাট থানার ফার্সিপাড়া গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনে শহীদ হন অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ও ইউনুছ আলী মন্ডল। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের হোগলবাড়িতে। এরমধ্যে এ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের। তাদের কবরটি অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ফার্সিপাড়ার বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়াসহ কবরটি বাঁধায়ের দাবী জানানো হয়েছে।

১৯৭১ সালে ১০ মে ভারতের পতিরাম ইউথ ক্যাম্প ও মধুপুর ক্যাম্প হতে যথাক্রমে ২১ ও ২৮ দিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভারতের শিলিগুড়ি জেলার পানিঘাটায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে তরঙ্গপুর থেকে অস্ত্র গ্রহণ করে, ভারতের মারাটা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন রায় সিংহের নেতৃত্বে ই,পি, আর আনছার মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত বহু সংখ্যক সৈন্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশের সময় বাংলাদেশের ফার্সিপাড়া নামক স্থানে পাক- বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে আবর্তীন হয়। রক্তক্ষয় সংঘর্ষে বহু সংখ্যক পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। সেই সময় সম্মুখ যুদ্ধে বেশ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ইউনুস আলী মন্ডল শহীদ হন। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তাকে ফার্সিপাড়াতেই কবর দেয়া হয়। সেখানে তার কবর বাঁধানো আছে। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে জেলা ইউনিট কমান্ড, অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক, আইনজীবি ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিততে ওই কবরে স্মৃতি স্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। পরে শহীদ আব্দুল জব্বারকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায় । যথারীতি শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে শহীদ আব্দুল জব্বারের পরিবারের সদস্যরা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মন্ডলের।

স্থানীয় ব্যক্তি মাজেদুল ইসলাম বলেন, এক কবরে দুইজন শহীদকে সমাহিত করা হয়েছে। কবরটি আমার সম্পত্তির ওপর আছে। বেশ কয়েক বছর আগে কবরটি তারা ব্যক্তিগত ভাবে বাঁধাই করেছেন। তবে কবরটি অরক্ষিত ও জরাজীর্ন ভাবে আছে। শহীদদের স্বজনদের বাড়ি অনেক দুরে হওয়ায় আমরা যতটুকু পারি হেফাজতে রাখার চেষ্টা করি। সরকারে কাছে দাবী কবরটি সংরক্ষণ করা হোক।

শহীদ ইউনুছ আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক চেষ্টার পরও বাবার নাম শহীদদের তালিকাভুক্ত করতে পারিনি। ২০১৭ ও ২০২০ সালে উপজেলায় যাচাই-বাছাইয়ের পর বাবার নাম ‘ক’ তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর গত ৪ মার্চে বগুড়া সার্কিট হাউজে সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির পরামর্শক্রমে পুনরায় বাবার কাগজপত্রাদি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাচাই বাছাই অন্তে গেজেটভুক্তি করার জন্য আবেদন করেছি। বাবাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানাচ্ছি।

ধামইরহাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার অফির উদ্দিন বলেন, ওই দুইজনকে শহীদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ১৮ অক্টোবরে তাদের কবরে স্মৃতিস্তম্ভ ও ফলক লাগানো হয়। দুইজনের মধ্যে একজনকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু ইউনুছ আলী মন্ডলের স্বীকৃতি মেলেনি। সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে দাবী ইউনুছ আলী মন্ডলকে শহীদের মর্যাদা ও স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গনপতি রায় বলেন, শুনেছি ফার্সিপাড়ায় একটি শহীদদের কবর আছে। তবে তাদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। মুক্তিযোদ্ধাদের শহীদের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।