Dhaka , Sunday, 14 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২ দেশব্যাপী২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তারেক রহমানের নির্দেশিত বেতাগীতে বর্ণাঢ্য উদ্বোধন মধুপুরে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পলাশে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস,৩০০ ফুট পতাকা নিয়ে মিছিল জাজিরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন এমপি সাঈদ আহমেদ আসলাম রামগঞ্জে সম্পত্তি বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই রূপগঞ্জে কারখানায় দুর্ধর্ষ ডাকাতিতে কোটি টাকার মালামাল লুট জিয়াউর রহমান বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন:- অধ্যাপক নছরুল কদির সন্দ্বীপে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবলুসহ ২ জন গ্রেপ্তার শিশুদের ইউটিআইয়ের ঝুঁকি বাড়ায় যে টয়লেট অভ্যাসগুলো, জানালেন বিশেষজ্ঞ কিশোরীদের মধ্যে স্কিনকেয়ার আসক্তি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা ‘হামলা হবে না’ শর্তে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়ছে আমিরাত অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশন, যা বলছেন সৌম্য হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রতিটি গোলের বিপরীতে গাছ রোপণ: লালমনিরহাটে ‘অদম্য যুব সংগঠন’ এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভোরের কাগজ সাংবাদিকের পরিবারকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন প্রতিমন্ত্রীর আকর্ষিক পরিদর্শন বাবার আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্যবদলে সবসময় পাশে থাকব:- ডা. শাহাদাত হোসেন কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার মাদক বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়  ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা আনন্দ-উল্লাস আর গান-গল্প-আড্ডায় মাতলেন সবাই পাইকগাছায় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবৈধ ঝুকিপূর্ণ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল মধুপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত কুড়ালিয়া ইউনিয়নের জনগণের কাছে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন খালিদুজ্জামান শামীম মরহুম আলহাজ্ব আহমেদুর রহমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সিডিএ চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন রায়পুরে বেকার তরুণদের স্বাবলম্বী করতে ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স। বখাটের এআই ভিডিওর অপপ্রচারে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর, মানববন্ধনে ফাঁসির দাবি

আজ রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:49:09 pm, Wednesday, 15 December 2021
  • 264 বার পড়া হয়েছে

আজ রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস

এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

আজ ১৫ ডিসেম্বর রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল রাঙ্গুনিয়া। তার আগে ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধারা এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে হানাদার বাহিনীর ৪ শতাধিক সৈন্যের মৃত্যু ঘটে। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সৈন্যরা সকালের দিকে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে গেলে বিজয়ের লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনার কথা জানাতে গিয়ে রাঙ্গুনিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার খায়রুল বশর মুন্সী বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর রাঙ্গুনিয়া রানীরহাট, পোমরা উচ্চ বিদ্যালয় চিচিঙ্গা ফরেষ্ট অফিস। ডিসেম্বরের শুরু থেকে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্নস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের তাড়া খেয়ে পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা এসব ঘাঁটিতে চলে আসে। ৯ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা কোদালা চা বাগান থেকে চিচিঙ্গা এলাকা পর্যন্ত পাক হানাদার বাহিনীর ঘাঁটিগুলোর চতুর্দিকে অবস্থান নেয়। তখন সহকারী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন রাঙামাটি জেলার আশোক মিত্র কারবারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশোক মিত্র কারবারির কৌশলমতে ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ৯ টায় মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে একযোগে আক্রমণ শুরু করে। রতভর সংঘর্ষে উপজেলার মুরাদ নগরের আব্দুস সোবহান, মতিউর রহমান, বিপুল দাশ, ফণি মহাজন, মরিয়ম নগর ইউনিয়নের মোহনবাশি, রাতুল বড়ুয়া, বাবুল মুৎসুদ্দি, ছায়ের আহমদ, নাজের শাহ, পোমরা ইউনিয়নের আবুল কাসেম, বশির আহমদ, দৌলত মিয়াসহ প্রায় ৪০-৪২ জন মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত বরণ করেন। এসময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ৪ শতাধিক সৈন্যােরও মৃত্যু ঘটে।’

১৫ ডিসেম্বর সকাল ৬ টায় পাকিস্তানী সৈন্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে ক্যাম্প ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরের দিকে পালিয়ে যায়। হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার ঘরবাড়ি ও রানীরহাটের দোকানপাটগুলোতে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় মুক্তিযোদ্ধারা সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঘাঁটিগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। ঐদিন সকাল ৯ টায় স্বাধীনতাকামী মানুষেরা রাঙ্গুনিয়ার রাজপথে বিজয় মিছিল করেন বলে তিনি জানান।

রাঙ্গুনিয়া পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ যুদ্ধে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বলেন,’ডিসেম্বরের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান হানাদারমুক্ত হওয়ার খবর শুনে আমরা যুদ্ধে এগিয়ে যায়। রাতভর যুদ্ধের পর অসংখ্য পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। তখন তাদের অধিকাংশ মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পক্ষান্তরে পাকিস্তানি সৈন্যরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে মরিয়মনগরের বড় হুজুরের দীঘির পাড়ে মাটি চাপা দেয়। এর আগেও রাজাকার আল বদরদের সহায়তায় ওই স্থানে শহীদ আহমদ শাহ ও মোহাম্মদ শাহসহ এলাকার অনেক মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করেছিল হানাদাররা।’

সরেজমিনে গণকবর হিসেবে চিহ্নিত স্থানটিতে গিয়ে দেখা যায়। বর্তমানে ওই স্থানে গণকবরের কোন চিহ্ন নেই। কেবলমাত্র ৩টি কবরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম ফলক থাকলেও তাতে কারো নাম নেই। তৎমধ্যে সীমানা পিলার পাচার চক্র ২ টি পিলার ভেঙ্গে ফেলেন।
বর্তমানে ১টি কবরের নাম ফলক দৃশ্যমান আছে।

বড় হুজুরের বংশধর মাওলানা ওবায়দুল মোস্তফা নঈমী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘দীঘির পাড়ে গণকবর থাকলেও তা সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেই। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মৃতিচিহ্ন বিলুপ্তির পথে। মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের অনুরোধ জানান তিনি।’

রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয় র‍্যালী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২

আজ রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস

আপডেট সময় : 05:49:09 pm, Wednesday, 15 December 2021

এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

আজ ১৫ ডিসেম্বর রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল রাঙ্গুনিয়া। তার আগে ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধারা এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে হানাদার বাহিনীর ৪ শতাধিক সৈন্যের মৃত্যু ঘটে। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সৈন্যরা সকালের দিকে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে গেলে বিজয়ের লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনার কথা জানাতে গিয়ে রাঙ্গুনিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার খায়রুল বশর মুন্সী বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর রাঙ্গুনিয়া রানীরহাট, পোমরা উচ্চ বিদ্যালয় চিচিঙ্গা ফরেষ্ট অফিস। ডিসেম্বরের শুরু থেকে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্নস্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের তাড়া খেয়ে পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা এসব ঘাঁটিতে চলে আসে। ৯ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা কোদালা চা বাগান থেকে চিচিঙ্গা এলাকা পর্যন্ত পাক হানাদার বাহিনীর ঘাঁটিগুলোর চতুর্দিকে অবস্থান নেয়। তখন সহকারী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন রাঙামাটি জেলার আশোক মিত্র কারবারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশোক মিত্র কারবারির কৌশলমতে ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ৯ টায় মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে একযোগে আক্রমণ শুরু করে। রতভর সংঘর্ষে উপজেলার মুরাদ নগরের আব্দুস সোবহান, মতিউর রহমান, বিপুল দাশ, ফণি মহাজন, মরিয়ম নগর ইউনিয়নের মোহনবাশি, রাতুল বড়ুয়া, বাবুল মুৎসুদ্দি, ছায়ের আহমদ, নাজের শাহ, পোমরা ইউনিয়নের আবুল কাসেম, বশির আহমদ, দৌলত মিয়াসহ প্রায় ৪০-৪২ জন মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত বরণ করেন। এসময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ৪ শতাধিক সৈন্যােরও মৃত্যু ঘটে।’

১৫ ডিসেম্বর সকাল ৬ টায় পাকিস্তানী সৈন্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে ক্যাম্প ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরের দিকে পালিয়ে যায়। হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার ঘরবাড়ি ও রানীরহাটের দোকানপাটগুলোতে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় মুক্তিযোদ্ধারা সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঘাঁটিগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। ঐদিন সকাল ৯ টায় স্বাধীনতাকামী মানুষেরা রাঙ্গুনিয়ার রাজপথে বিজয় মিছিল করেন বলে তিনি জানান।

রাঙ্গুনিয়া পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ যুদ্ধে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বলেন,’ডিসেম্বরের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান হানাদারমুক্ত হওয়ার খবর শুনে আমরা যুদ্ধে এগিয়ে যায়। রাতভর যুদ্ধের পর অসংখ্য পাক হানাদার বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। তখন তাদের অধিকাংশ মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পক্ষান্তরে পাকিস্তানি সৈন্যরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে মরিয়মনগরের বড় হুজুরের দীঘির পাড়ে মাটি চাপা দেয়। এর আগেও রাজাকার আল বদরদের সহায়তায় ওই স্থানে শহীদ আহমদ শাহ ও মোহাম্মদ শাহসহ এলাকার অনেক মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করেছিল হানাদাররা।’

সরেজমিনে গণকবর হিসেবে চিহ্নিত স্থানটিতে গিয়ে দেখা যায়। বর্তমানে ওই স্থানে গণকবরের কোন চিহ্ন নেই। কেবলমাত্র ৩টি কবরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম ফলক থাকলেও তাতে কারো নাম নেই। তৎমধ্যে সীমানা পিলার পাচার চক্র ২ টি পিলার ভেঙ্গে ফেলেন।
বর্তমানে ১টি কবরের নাম ফলক দৃশ্যমান আছে।

বড় হুজুরের বংশধর মাওলানা ওবায়দুল মোস্তফা নঈমী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘দীঘির পাড়ে গণকবর থাকলেও তা সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেই। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মৃতিচিহ্ন বিলুপ্তির পথে। মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের অনুরোধ জানান তিনি।’

রাঙ্গুনিয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয় র‍্যালী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।